দুই পত্রিকা ও ছায়ানটে হামলা
লুট করা ১ লাখ ২৩ হাজার টাকা দিয়ে টিভি–ফ্রিজ কেনেন নাইম
- আপডেট সময় : ০১:৩২:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
- / 140
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর রাজধানীতে দুটি গণমাধ্যম ও দুটি সাংস্কৃতিক সংগঠনের কার্যালয়ে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখন পর্যন্ত ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে মো. নাইম নামে একজন ১ লাখ ২৩ হাজার টাকা লুট করেন। লুটের সেই অর্থ দিয়ে তিনি মোহাম্মদপুর থেকে একটি টেলিভিশন ও একটি ফ্রিজ কেনেন।
ঢাকার তেজগাঁওয়ের কুনিপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. নাইমকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে সাতজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা গেছে। তাঁরা হলেন—মো. কাশেম ফারুক, মো. সাইদুর রহমান, রাকিব হোসেন, মো. নাইম, ফয়সাল আহমেদ প্রান্ত, মো. সোহেল রানা এবং মো. শফিকুল ইসলাম। এ ছাড়া পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট ও গোয়েন্দা পুলিশ আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাঁদের পরিচয় যাচাই-বাছাই চলছে।
উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার জানান, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী রোববার প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেছে যে, সাম্প্রতিক এসব ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ইতিমধ্যে ৩১ জনকে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা হয়েছে।
এ ছাড়া চট্টগ্রামে ভারতের সহকারী হাইকমিশনারের বাসভবনের কাছে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টার ঘটনায় জড়িত তিনজনকে ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়েছে। গ্রেপ্তার অন্যান্য ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
গ্রেপ্তার কাশেম ফারুক বগুড়ার আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া কাসেমুল উলুম মাদরাসার সাবেক ছাত্র এবং ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকার বাসিন্দা। গ্রেপ্তার সাইদুর রহমান ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার নোয়াকান্দা গ্রামের বাসিন্দা।
শেরপুর জেলার বাসিন্দা গ্রেপ্তার রাকিব হোসেন প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টারের কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে সক্রিয় অংশগ্রহণকারী হিসেবে ভিডিও ফুটেজে শনাক্ত হয়েছেন। তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আইডি থেকে ধ্বংসস্তূপের ছবি পোস্ট করা হয় এবং একই আইডি থেকে উসকানিমূলক পোস্টও দেওয়া হয়।
ঢাকার কারওয়ান বাজার রেললাইন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার মো. সোহেল রানার বিরুদ্ধে মাদকসহ অন্যান্য অভিযোগে ঢাকার বিভিন্ন থানায় ১৩টি মামলা রয়েছে। একই এলাকা থেকে গ্রেপ্তার মো. শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে অতীতে অগ্নিসংযোগ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুটি মামলা রয়েছে।




















