চলতি বছর রোজার ঈদ উপলক্ষে বাংলাদেশে মুসলমানদের জন্য জনপ্রতি ফিতরার সর্বনিম্ন পরিমাণ ১১০ টাকা নির্ধারণ করেছে সরকার। সর্বোচ্চ ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে ২,৮০৫ টাকা।
গত বছরের মতোই এ বছরও ফিতরার হার অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বুধবার ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ–এর বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভাপতি এবং বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ–এর খতিব মাওলানা মুফতি আবদুল মালেক।
ইসলামি বিধান অনুযায়ী, প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলমানের জন্য রোজার ঈদে ফিতরা আদায় করা বাধ্যতামূলক (ওয়াজিব)। নাবালক সন্তানের পক্ষ থেকেও পিতাকেই ফিতরা প্রদান করতে হয়। ঈদুল ফিতরের নামাজের আগেই তা পরিশোধ করতে হবে।
সামর্থ্য অনুযায়ী গম, আটা, খেজুর, কিসমিস, পনির অথবা যব—এগুলোর যে কোনো একটি পণ্যের নির্ধারিত পরিমাণ কিংবা সমপরিমাণ বাজারমূল্য ফিতরা হিসেবে দরিদ্রদের মধ্যে বিতরণ করা যাবে।
গম বা আটার ক্ষেত্রে নির্ধারিত পরিমাণ এক কেজি ৬৫০ গ্রাম। আর খেজুর, কিসমিস, পনির ও যবের ক্ষেত্রে পরিমাণ তিন কেজি ৩০০ গ্রাম।
এসব পণ্যের বর্তমান বাজারদর বিবেচনায় সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ ফিতরার হার নির্ধারণ করা হয়েছে।
নির্ধারিত হার অনুযায়ী, গম বা আটার মূল্যে ফিতরা দিলে দিতে হবে ১১০ টাকা; যবের দরে ৫৯৫ টাকা; খেজুরের দরে ২,৪৭৫ টাকা; কিসমিসের দরে ২,৬৪০ টাকা এবং পনিরের দরে ২,৮০৫ টাকা।
কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের সব বিভাগ থেকে সংগৃহীত আটা, যব, খেজুর, কিসমিস ও পনিরের সর্বোচ্চ বাজারমূল্যকে ভিত্তি ধরেই এ হার নির্ধারণ করা হয়েছে।