করোনা ভাইরাসের কারণে বেকারত্ব ও টানা লকডাউনে ঘরবন্দি লেবাননে থাকা প্রায় দেড় লাখ প্রবাসী বাংলাদেশি। আর আগামী কালই মুসলিম সম্প্রদায়ের বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর। কিন্তু বৈশ্বিক এ মহামারীর ছোবলে এবার প্রবাসীদের মনে কোনো আনন্দ-উদ্দীপনা নেই, নেই উৎসব করার প্রস্তুতি।
লেবাননের এবারের ঈদটা হবে একেবারেই ভিন্ন রকম। ঈদকে সামনে রেখে করোনা প্রতিরোধে ২৩ মে থেকে ৭ জুন পর্যন্ত লকডাউন ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার। এদিকে করোনার কারণে কর্মহীন হয়ে দিন পার করছে দেড় লাখ প্রবাসী বাংলাদেশি। লকডাউন চলাকালে কিছু সময় অনেকের কাজ চললেও বেতন পাননি। বন্ধ রয়েছে দেশটির ছোট-বড় অনেক কোম্পানি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। একদিকে চলছে নিজেদের উৎসববিহীন ঈদ প্রস্তুতি; অন্যদিকে আছে পরিবারের জন্য বাড়তি কিছু টাকা পাঠানোর তাড়া।
আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে লেবানন প্রবাসী কয়েকজন বাংলাদেশির সাথে কথা বলেন এই প্রতিবেদক। এর মধ্যে সাঈদা এলাকার প্রবাসী মোঃসালমান আহমদ বলেন, প্রতিবছর ঈদকে ঘিরে পরিবারের জন্য যে পরিমাণ টাকা পাঠাতাম, এবার তার তিনভাগের একভাগও দিতে পারছি না। লকডাউনের কারণে বাসায় দুমাস ধরে বন্দি হয়ে আছি। খেয়ে না খেয়ে অনেকে রোজা পালন করছি। এমন পরিস্থিতিতে যে পড়তে হবে- তা আমরা কোনোদিন ভাবিনি।
আলজিয়া এলাকার প্রবাসী পেট্রোল পাম্পের কাজের শ্রমিক শাহিন আহমদ জানান, করোনায় কমে গেছে আয়। এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়েও পরিবারের জন্য যতটুকু সম্ভব ঈদের জন্য টাকা পাঠিয়েছি। অনেকটা একই সুরে বলেন আলাইন এলাকার প্রবাসী মোঃশানুর মিয়া । এ ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
-
যুক্তরাজ্যে সুপারমার্কেট থেকে গ্রাহামের সেমি-স্কিমড দুধ প্রত্যাহার, পেনিসিলিন দূষণের আশঙ্কা
-
ইংল্যান্ডে বাতাস ও পরিবেশ দূষণ: দরিদ্র এলাকার শিশুরা ৪০% বেশি হাসপাতালে ভর্তির ঝুঁকিতে
-
ম্যান ইউতে ফিরে জার্সি সংকটে রাশফোর্ড
-
মার্কিন-সৌদি ঐতিহাসিক পারমাণবিক চুক্তি: মধ্যপ্রাচ্যে কেন তৈরি হচ্ছে উদ্বেগ?
-
রোমে মডার্ন স্কুলে ওপেন ডে, শুরু নতুন ভর্তি