সিলেট বিভাগের সত্তর দশকের বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী হাবিবুর রহমান হাবিব আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন ) তিনি সকলের কাছে ‘হাবিব আর্ট’ নামে পরিচিত ছিলেন। কয়েক বছর থেকে তিনি শ্বাসকষ্ট জনিত রোগে ভুগলেও স্বাভাবিক অবস্থায় ছিলেন।
১৮ অক্টোবর রবিবার বাংলাদেশ সময় ভোর ২টায় তিনি নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেন। চিত্রশিল্পী হাবিবুর রহমান হাবিব এর ছেলে আলী দেলোওয়ার ৫২বাংলাকে জানান, হঠাৎ
করে শ্বাসকষ্টে ভুগে তিনি মৃত্যু বরণ করেছেন। তিনি একসাথে পরিবারের সাথে রাতের খাবারও খেয়েছেন।
গুনী এই চিত্র শিল্পীর বাড়ি সিলেটের বিয়ানীবাজারের মুল্লাপুর ইউনিয়নের আব্দুল্লাপুর-বারইগ্রামে । মৃত্যুর সময় তার স্ত্রী, ৯ ছেলে এবং ৬ মেয়ে সহ অসংখ্য শুভকাঙ্খি রেখে গেছেন।
স্বাধীনতা পরবর্তি সময় থেকে সিলেট বিভাগে সর্বত্র হাবিব আর্টের সৃজনশীল কর্ম ছড়িয়ে ছিল। সিলেটের প্রায় সবগুলো সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে তার আঁকা চিত্রকর্ম অথবা ওয়াল পেইন্টিং ছিল খুব সমাদৃত। আশির দশকে চিত্রকর্ম ও ব্যানার পোষ্টার তৈরীতে একমাত্র ভরসা ছিল রঙ- তুলির ব্যবহার । সে সময়ে বৃহত্তর সিলেটের সিংহভাগ ষ্টুডিও এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হাবিব আর্টের দৃষ্টিনন্দন চিত্রকর্ম প্রকাশ পেয়েছে সবচেয়ে বেশী।
তার সৃজনশীল কাজের অন্যতম বিষয় ছিল- গ্রামবাংলা, প্রকৃতি ও ম্যুরাল । হাবিব আর্টের চিত্র কর্মের ক্রেতা ছিলেন প্রবাসী অধ্যুষ্যিত সিলেটের যুক্তরাজ্য , যুক্তরাষ্ট্র ,মধ্যপ্রাচ্যে প্রবাসীরা ।
তিনি স্বাধীনতা পরবর্তি সময় সৌদি ও সিঙ্গাপুর প্রবাসী ছিলেন এবং সেখানেও প্রচুর চিত্রকর্ম একেছেন।
হাবিবুর রহমান হাবিব এর জানাজার নামাজ বারইগ্রাম কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে রবিবার বাদ যোহর অনুষ্ঠিত হবে এবং পরে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হবে।
মরহুমের ছেলে চিত্রশিল্পী আলী দেলোওয়ার তার বাবার মৃত্যুতে তার আত্নার শান্তি কামনা করে সকলের দোয়া চেয়েছেন।
-
হজ ক্যাম্পে প্রবাসীদের জন্য ১০০ শয্যার আবাসন হবে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী
-
নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশি ট্যাক্সিচালককে গুলি, আতঙ্কে প্রবাসী কমিউনিটি
-
ব্রিটিশ-বাংলাদেশি শিশুকে বাঁচাতে গিয়ে এসেক্সে মা-মেয়ের মৃত্যু
-
যুক্তরাজ্যে সুপারমার্কেট থেকে গ্রাহামের সেমি-স্কিমড দুধ প্রত্যাহার, পেনিসিলিন দূষণের আশঙ্কা
-
ইংল্যান্ডে বাতাস ও পরিবেশ দূষণ: দরিদ্র এলাকার শিশুরা ৪০% বেশি হাসপাতালে ভর্তির ঝুঁকিতে
আরও পড়ুন:
