প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সরকারি পাসপোর্টধারী ও কূটনীতিকরা পরস্পরের দেশে ভ্রমণে ভিসা ছাড়াই যেতে পারবেন। এটি দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের প্রচেষ্টার অংশ।
বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই চুক্তি নীতিগত অনুমোদন পেয়েছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। প্রস্তাবটি এনেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ।
চুক্তির নাম: “পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সরকার এবং বাংলাদেশ জনগণের প্রজাতন্ত্রের সরকারের মধ্যে কূটনৈতিক ও সরকারি পাসপোর্টধারী নাগরিকদের জন্য ভিসা বিলুপ্তকরণ বিষয়ে চুক্তি”।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই বাংলাদেশ–পাকিস্তান সম্পর্ক নতুন মোড় নিয়েছে। এর মধ্যে প্রথমবারের মতো দুই দেশের মধ্যে সরাসরি পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। দুই দেশের সরকারপ্রধান একাধিক বৈঠক করেছেন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও রাজনৈতিক যোগাযোগ বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
চলতি বছরের জুলাইয়ের শেষে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন রাজা নাকভি ঢাকা সফরে এসে দুই দেশের কূটনীতিক ও সরকারি কর্মকর্তাদের ভিসা ছাড়াই প্রবেশাধিকার প্রদানের বিষয়ে একমত হন। সরকারের পক্ষ থেকে সেটির আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
নাকভির সফরে দুই দেশ অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, মাদক নিয়ন্ত্রণ, মানবপাচার রোধসহ বিভিন্ন বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে সম্মত হয়েছেন। এছাড়া পুলিশি প্রশিক্ষণেও সহযোগিতা করা হবে। বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধিদল ইসলামাবাদের ন্যাশনাল পুলিশ একাডেমিতে প্রশিক্ষণে যাবে।
এছাড়া দুই দেশের সাধারণ নাগরিকদের ভ্রমণেও বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করা হচ্ছে। গত ফেব্রুয়ারি থেকে পাকিস্তানি নাগরিকদের বাংলাদেশের ভিসার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ক্লিয়ারেন্সের প্রয়োজন আর নেই। পাকিস্তানও বাংলাদেশি নাগরিকদের তাদের দেশে ভ্রমণে ভিসা ফি মওকুফ করেছে।
-
হজ ক্যাম্পে প্রবাসীদের জন্য ১০০ শয্যার আবাসন হবে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী
-
নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশি ট্যাক্সিচালককে গুলি, আতঙ্কে প্রবাসী কমিউনিটি
-
ব্রিটিশ-বাংলাদেশি শিশুকে বাঁচাতে গিয়ে এসেক্সে মা-মেয়ের মৃত্যু
-
যুক্তরাজ্যে সুপারমার্কেট থেকে গ্রাহামের সেমি-স্কিমড দুধ প্রত্যাহার, পেনিসিলিন দূষণের আশঙ্কা
-
ইংল্যান্ডে বাতাস ও পরিবেশ দূষণ: দরিদ্র এলাকার শিশুরা ৪০% বেশি হাসপাতালে ভর্তির ঝুঁকিতে
আরও পড়ুন: