ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা বন্ধ এবং ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা টিকিয়ে রাখতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার পথে এগোচ্ছে যুক্তরাজ্য। এ অবস্থানের অন্যতম প্রধান মুখ হয়ে উঠেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড। দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র দুই মাসের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল এবং ব্রিটিশ রক্ষণশীল মহলের চাপের মুখে নিজের অবস্থানে অনড় থাকায় তাকে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম দৃঢ়চেতা ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মঙ্গলবার পার্লামেন্টে ঘোষণা
ব্রিটিশ সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, মঙ্গলবার ইসরাইলি অবৈধ বসতি থেকে পণ্য আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার পরিকল্পনা রয়েছে। আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের ২০২৪ সালের জুলাইয়ের পরামর্শমূলক রায়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য আনতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। ওই রায়ে অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরাইলের দখলদারিত্বকে অবৈধ হিসেবে উল্লেখ করা হয় এবং দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিভিন্ন রাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছিল।
অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মিলিব্যান্ড শুধু পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করছেন না—প্রথমবারের মতো যুক্তরাজ্য আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করতে যাচ্ছে যে পশ্চিম তীরে ইসরাইলের দখলদারিত্ব আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। বসতি সম্প্রসারণে জড়িত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে লক্ষ্যভিত্তিক ব্যবস্থা নেওয়ারও পরিকল্পনা রয়েছে। গত সপ্তাহে পার্লামেন্টে মিলিব্যান্ড জানান, পশ্চিম তীর নিয়ে যুক্তরাজ্যের নীতিতে "পূর্ণাঙ্গ সংস্কার" প্রয়োজন এবং ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠানগুলো যেন বসতি নির্মাণ বা বিজ্ঞাপনে অর্থায়ন না করে, তা নিশ্চিত করতে কাজ চলছে।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের তীব্র প্রতিক্রিয়া
মিলিব্যান্ডের পরিকল্পনা প্রকাশ্যে আসার পরই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। ইসরাইলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্রিটিশ সরকারের সমালোচনা করে ইহুদিবিদ্বেষের অভিযোগ তুলেছেন। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, মিলিব্যান্ড নিজেও ইহুদি। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও ব্রিটেনের বর্তমান নীতির সমালোচনা করে দেশটিকে 'ইসলামিক রিপাবলিক অব ব্রিটেন' বলে আখ্যা দিয়েছেন। ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সা'রও সতর্ক করে বলেছেন, ব্রিটেন ইসরাইলের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিলে ইসরাইলও ব্রিটেনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে।
অন্যদিকে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং কাতারসহ উপসাগরীয় মিত্রদেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করে সরকারের অবস্থান সম্পর্কে অবহিত করেছেন বলে জানা গেছে।
ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে নতুন উত্তেজনা
এদিকে ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্কিত এই উত্তেজনার মধ্যে ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা নিয়েও নতুন করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। নেতানিয়াহুর ছেলে ইয়ার নেতানিয়াহু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্প্যানিশ ভাষায় মন্তব্য করে ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জকে আর্জেন্টিনার ভূখণ্ড বলে দাবি করেন এবং যুক্তরাজ্যের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিন প্রশ্নে 'দ্বিমুখী নীতি' অবলম্বনের অভিযোগ তোলেন। তার এই মন্তব্য যুক্তরাজ্যের ইসরাইলপন্থী রক্ষণশীল রাজনীতিকদের মধ্যেও তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছে-সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী কনর বার্নস তার মন্তব্যকে ইসরাইলপন্থী রাজনীতির জন্য ক্ষতিকর বলে বর্ণনা করেছেন।
একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ প্রশ্নে যুক্তরাজ্যের প্রতি ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের নিরপেক্ষ অবস্থান পুনর্বিবেচনার ইঙ্গিত দিয়েছেন। আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই এই মন্তব্যকে নিজের কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে তুলে ধরে দ্বীপপুঞ্জের কাছে ব্রিটিশ ও ইসরাইলি প্রতিষ্ঠানের যৌথ তেল অনুসন্ধান প্রকল্প বন্ধেরও ঘোষণা দিয়েছেন। যুক্তরাজ্যের সরকার অবশ্য জানিয়েছে, দ্বীপপুঞ্জের সার্বভৌমত্ব নিয়ে তাদের অবস্থান "দীর্ঘদিনের ও অটুট"।
দেশীয় রাজনীতিতে বিভাজন
মিলিব্যান্ডের পরিকল্পনার বিরোধিতা করছে ব্রিটিশ রক্ষণশীল বিরোধী দল ও দেশটির ডানপন্থী সংবাদমাধ্যমের একটি অংশও। ছায়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী টম টুগেনহাট ইসরাইলের অবস্থানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে দাবি করেছেন, ইসরাইলি বসতি থেকে পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা ব্রিটেনের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। 'কনজারভেটিভ ফ্রেন্ডস অব ইসরাইল'ও এই পরিকল্পনাকে নৈতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য এবং ইসরাইলকে এককভাবে নিশানা করার পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
তবে এসব চাপ ও সমালোচনার মধ্যেও নিজের অবস্থান থেকে সরে আসার কোনো ইঙ্গিত দেননি মিলিব্যান্ড। পার্লামেন্টে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দেওয়া প্রথম বক্তব্যে তিনি বলেন, ফিলিস্তিন ও ইসরাইলের জন্য দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান ধ্বংস হতে দেওয়া হবে না। গাজার পরিস্থিতি নিয়েও তিনি আগের তুলনায় আরও কঠোর ভাষায় কথা বলেছেন। গাজায় থাকা মানুষের সঙ্গে বৈঠকের পর সেখানকার পরিস্থিতিকে 'ভয়াবহ' বলে বর্ণনা করে তিনি জানান, ব্রিটিশ সরকারকে আরও দৃঢ় ও দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।
ব্রিটিশ সরকারের অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলোর দাবি, ইসরাইলি বসতি স্থাপনের বিরুদ্ধে প্রস্তাবিত পদক্ষেপের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি মিলিব্যান্ড নিজেই। তার আগের দুই লেবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি ও ইয়েভেট কুপার গাজার পরিস্থিতি নিয়ে কঠিন ব্রিফিং পেলেও মিলিব্যান্ডের মতো প্রকাশ্য ও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখাননি বলে সূত্রটি দাবি করেছে। একজন লেবার সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম ও মিলিব্যান্ড ইসরাইল-ফিলিস্তিন ইস্যুতে ব্রিটিশ সরকারের নীতিতে 'ব্যাপক পরিবর্তন' আনার বিষয়টি সামনে আনতে যাচ্ছেন।
ইউরোপে আগে থেকেই একই ধরনের পদক্ষেপ
ফিলিস্তিনপন্থী সংগঠনগুলোর দীর্ঘদিনের অন্যতম দাবি হলো ইসরাইলি বসতি থেকে পণ্য আমদানির ওপর পূর্ণাঙ্গ নিষেধাজ্ঞা। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, কার্যকরভাবে এই নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন করতে হলে শুধু পণ্য আমদানি বন্ধ করলেই হবে না; বসতিগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সেবা, ব্যবসায়িক কার্যক্রম এবং বিনিয়োগও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনতে হবে। এ জন্য প্রয়োজন হবে শক্তিশালী আইনগত কাঠামো।
ইউরোপের কয়েকটি দেশ ইতোমধ্যে ইসরাইলি বসতিগুলোর বিরুদ্ধে একই ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে। আয়ারল্যান্ড, স্পেন ও বেলজিয়ামসহ কয়েকটি দেশ বসতি স্থাপনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেদারল্যান্ডসও চলতি বছরের মে মাসে বসতি থেকে পণ্য ও সংশ্লিষ্ট সেবা আমদানি নিষিদ্ধের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছিল, যা আগামী ২২ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হওয়ার কথা। তবে ব্রিটিশ সরকারি সূত্রগুলোর দাবি, যুক্তরাজ্যের পরিকল্পিত নিষেধাজ্ঞা এসব উদ্যোগের তুলনায় আরও কঠোর হতে পারে।
'ই১' বসতি প্রকল্প নিয়ে উদ্বেগ
ইসরাইলের নতুন 'ই১' বসতি প্রকল্প নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। পূর্ব জেরুজালেমের কাছে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে অধিকৃত পশ্চিম তীর কার্যত দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যেতে পারে। এতে ভবিষ্যতে ভৌগোলিকভাবে সংযুক্ত ও কার্যকর একটি ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা আরও সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণেই ইসরাইলি বসতি সম্প্রসারণ বন্ধের প্রশ্নটি এখন আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে।
জনমত ও দলীয় চাপ
মিলিব্যান্ডের অবস্থান নিয়ে ইসরাইলপন্থী সমালোচকেরা প্রায়ই অভিযোগ করেন, ব্রিটেনের মুসলিম জনগোষ্ঠীর চাপের কারণেই তিনি ফিলিস্তিনের প্রতি কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। তবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা জনমত জরিপগুলো এ দাবির পক্ষে শক্ত প্রমাণ দেয় না। একটি জরিপ অনুযায়ী, মাত্র ১৬ শতাংশ ব্রিটিশ নাগরিক ইসরাইলি বসতি থেকে পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করেন। লেবার পার্টির ১৪০ জনের বেশি এমপিও বসতিগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যে পূর্ণাঙ্গ নিষেধাজ্ঞার আহ্বান জানিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
চলতি বছরের শুরুতে লেবার সদস্যদের মধ্যে পরিচালিত একটি জরিপে ৮৭ শতাংশ নিষেধাজ্ঞার পক্ষে মত দিয়েছেন। ফলে মিলিব্যান্ডের অবস্থান শুধু লেবার পার্টির একটি অংশের দাবি নয়, ব্রিটিশ জনমতের একটি উল্লেখযোগ্য অংশের সঙ্গেও তার অবস্থানের মিল রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অবস্থানের ধারাবাহিকতা
ইসরাইল-ফিলিস্তিন ইস্যুতে মিলিব্যান্ডের বর্তমান অবস্থান অবশ্য নতুন নয়। ২০১৪ সালে লেবার নেতা থাকাকালে গাজায় ইসরাইলি সামরিক অভিযানে বিপুলসংখ্যক ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার পর তৎকালীন ব্রিটিশ সরকারের নীতির কঠোর সমালোচনা করেছিলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের ইসরাইলি সামরিক অভিযানের বিষয়ে 'নীরবতা'র সমালোচনা করে তিনি ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের হত্যার ঘটনায় সরকারের অবস্থানকে ভুল বলে মন্তব্য করেন। একই বছর তিনি একতরফাভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার পক্ষেও অবস্থান নেন।
গত বছরও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারকে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগকারী মন্ত্রীদের মধ্যে মিলিব্যান্ড অন্যতম ছিলেন বলে সরকারি সূত্রের দাবি। ফলে তার বর্তমান অবস্থানকে হঠাৎ করে নেওয়া কোনো সিদ্ধান্ত হিসেবে না দেখে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অবস্থানের ধারাবাহিকতা হিসেবেই দেখছেন অনেকে।
মিলিব্যান্ডের সাম্প্রতিক উদ্যোগ তাই শুধু ইসরাইলি বসতি থেকে পণ্য আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞার প্রশ্নে সীমাবদ্ধ থাকছে না। এটি ব্রিটিশ পররাষ্ট্রনীতির বৃহত্তর পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। রক্ষণশীল সরকারের সময়ে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের ইসরাইলবিষয়ক বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্রিটেনের অবস্থান সমালোচিত হয়েছিল। স্টারমার সরকারের আমলে ইসরাইলের বিরুদ্ধে কিছু সীমিত পদক্ষেপ নেওয়া হলেও পূর্ণাঙ্গ নিষেধাজ্ঞার পথে যায়নি ব্রিটেন।
অস্ত্র রপ্তানিতে সীমিত নিষেধাজ্ঞা এবং গাজা নিয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপের পর এবার ইসরাইলি বসতি থেকে পণ্য আমদানিতে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলে তা ব্রিটিশ নীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্রিটেনের ঐতিহ্যগত ঘনিষ্ঠ পররাষ্ট্রনৈতিক সম্পর্কও নতুন পরীক্ষার মুখে পড়তে পারে।
সূত্র: বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে ৫২বাংলার বিশেষ রিপোর্ট (মিডল ইস্ট আই, আল জাজিরা, হারেৎজ, জেরুজালেম পোস্ট, জেটিএ, দ্য টাইমস অব ইসরাইল, এপি)।
-
‘সোশ্যাল মিডিয়ায় যা মনে আসে তা-ই লিখবেন না’: তরুণদের সতর্ক হওয়ার পরামর্শ ব্রিটিশ এমপির
-
সিলেট-ইস্তাম্বুল সরাসরি ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ, ইউরোপযাত্রায় খুলছে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার
-
লন্ডনের স্কুলে মোবাইল নিষিদ্ধ: বদলে যাচ্ছে শিক্ষার্থীদের আচরণ
-
টাওয়ার হ্যামলেটসে কস্ট অব লিভিং সহায়তায় আয়সীমা ৬০ হাজার পাউন্ড, জানালেন নির্বাহী মেয়র লুৎফুর রহমান
-
পূর্ব লন্ডনে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় মশার প্রজনন শনাক্ত, স্বাস্থ্য সংস্থার সতর্কবার্তা