মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ খ্রীষ্টাব্দ | ১৫ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
আজীবন সম্মাননা পেলেন সৈয়দ আফসার উদ্দিন এমবিই  » «   লন্ডন বাংলা স্কুলের আয়োজনে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত  » «   লন্ডনবাসী প্রবীণ মুরব্বী জমির উদ্দিন( টেনাই মিয়া)র ইন্তেকাল  » «   কবি সংগঠক ফারুক আহমেদ রনির পিতা মুমিন উদ্দীনের ইন্তেকাল  » «   একসেস ট্যু জাস্টিস নিশ্চিত করা আইনের শাসনের প্রধান স্তম্ভ  » «   বৃহত্তর সিলেট এডুকেশন ট্রাস্টের নির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত  » «   বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে প্যালেষ্টাইনের জনগণের প্রতি উৎসর্গ করে লন্ডনে সমাবেশ  » «   এডভোকেট মোহাম্মদ আব্বাছ উদ্দিন যুক্তরাজ্যে আসছেন  » «   হিলালপুর গ্রামে সড়ক বাতি উদ্বোধন  » «   বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সমিতি ইউকের কার্যকরী কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত  » «   পূর্ব মুড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসিপরীক্ষার্থীদের মধ্যে পরীক্ষা উপকরণ বিতরণ  » «   গুচ্ছ কবিতা ।। আতাউর রহমান মিলাদ  » «   ব্রিটেনের রাজা চার্লস ক্যান্সারে আক্রান্ত  » «   গুচ্ছ কবিতা ।। আবু মকসুদ  » «   মোহাম্মদ এমদাদুল হক চৌধুরী : শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা  » «  
সাবস্ক্রাইব করুন
পেইজে লাইক দিন

নিভৃতে সমছুল-করিমা ফাউন্ডেশনের ‘হাসি মুখে ইফতার’ পেয়েছেন শতাধিক পরিবার  
প্রতীকি ‘মধ্যবিত্ত পরিবার’ বিবেচনায় রেখে পুরো  রমজানের খাবার উপহার



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

পবিত্র রমজান মাসে  হাসি মুখে ইফতার -শ্লোগাণে সমছুল করিমা ফাউন্ডেশন এর ধারাবাহিক প্রকল্পের স্বেচ্ছাসেবীরা  সিলেটের কয়েকটি উপজেলায়  নিডি মানুষের ঘরে নিরবে পৌছে দিয়েছে  রমজানের খাদ্য সামগ্রী।

নিডি মানুষদের তালিকায় ছিল প্রতিবন্ধি , বিধবা, এতিম, নিন্ম ও মধ্যবিত্ত পরিবার। সিলেটের বিয়ানীবাজার, গোলাপগঞ্জ, বড়লেখা ও জকিগঞ্জে  ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবিদের তত্বাবধানে শতাধিক  পরিবার নির্বাচন করে নিরবে তাদের ঘরে পুরো রমজানের খাবার পৌছে দেয়া হয়েছে।

সমছুল- করিমা ইসলাম ফাউন্ডেশন  পরিচালিত হাসি মুখে ইফতার  – প্রতিটি পরিবারকে প্রতিকী ‘মধ্যবিত্ত পরিবার’ হিসাবে বিবেচনায় রেখে,  একজন মধ্যবিত্ত পরিবারের যেভাবে  রমজান মাসের  ইফতার ও সেহরী খাওয়া হয়, সেভাবেই  প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী কিনে দেয়া হয়। যাতে করে  পবিত্র রমজানে একজন স্বচ্ছল পরিবারের মতো  এইসব নিডি মানুষরা দুশ্চিন্তাহীন রমজানে  আনন্দ নিয়ে  প্রয়োজনীয় খাবার খেয়ে রোজা রাখতে পারেন।

স্বেচ্ছাসেবীরা প্রতিটি পরিবারের সদস্য অনুপাতে তাদের খাবার বরাদ্ধ করে এবং নিজ দায়িত্বে নিভৃত্তে খাবারগুলো বাড়িতে পৌছে দেয়া হয়।কার্যক্রমটি  রমজান শুরু হওয়ার আগেই  নির্ধারিত নিডি পরিবারগুলোতে পৌছে দেয়া হয়েছে। যাতে করে এইসব পরিবার  রোজার খাবার নিয়ে দুশ্চিন্তায় না থাকেন।

এবারে খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে  উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- ভোজ্য তেল, চাল,ডাল, ছোলাবুট, পিয়াজ, রসুন, আলু, ময়দা,চিনি, চা পাতা ,গুড়া দুধ, খেজুর, বিস্কুট ইত্যাদি।

এছাড়াও   কিছু মধ্যবিত্ত  পরিবারের  প্রবীনদের  এক মাসের ঔষধ, অসহায়  পরিবাবের  শিশুদের জন্য শিশু খাদ্য উপহার দেয়া হয়েছে। তিন ধাপে পরিচালিত হাসিমুখে ইফতার ২০২২ কার্যক্রমটি  শেষ হবে রমজানে প্রবীন ও শিশুদের ঈদের পোশাক ও খাদ্য উপহার দেয়ার মাধ্যমে।

হাসি মুখে ইফতার কার্যক্রমটি সফলভাবে সম্পন্ন করায় ফাউন্ডেশনের নির্বাহি  আক্তারুল ইসলাম কার্যক্রমের সাথে যুক্ত সকল দাতা ও  স্বেচ্ছাসেবীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন।

প্রসঙ্গত  অন্ধকারে আলো শ্লোগাণ নিয়ে  ২০০৪ সাল থেকে  সমছুল-করিমা ফাউন্ডেশন  বিভিন্ন  মানবিক , শিক্ষা- শিক্ষক সম্পর্কিত এবং  সমাজসেবামূলক  ধারাবাহিক  নিজস্ব প্রকল্পের মাধ্যমে কাজ করছে। ‘মানবিক স্বজন’ এর   আওতায়  নিভৃতে  বঞ্চিত ও দুস্থ মানুষের  ঘরে খাবার সামগ্রী বিতরণ।  ‘সবুজে হাসি  সবুজে বাঁচি’ প্রকল্পের মাধ্যমে  অস্বচ্ছল ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে  ফলদ ও ঔষধি বৃক্ষ রোপন, মৌলিক ও সৃজনশীল প্রকল্প- ‘সৃষ্টি ঘর’ এর আওতায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চিত্রাঙ্কন ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা  এবং প্রতিশ্রুতিশীল লেখকদের বই প্রকাশ, পবিত্র রমজান মাসে নিন্মবিত্ত  পরিবারের জন্য ‘হাসি মুখে ইফতার’, প্রবীন অসহায়দের জন্য –‘চিলতে হাসি’,  কৃষক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য   ‘আমার স্বপ্ন’  প্রকল্পের মাধ্যমে তৃণমূলে  কাজ করে আসছে ।

 

 

 

 

 


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন