বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
কেসি সলিসিটর্সের দশক পূর্তি উদযাপন  » «   বঙ্গবন্ধু স্কলারশিপ আন্তর্জাতিক অঙ্গণে বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রতিচ্ছবি  » «   লীলা নাগের স্মৃতি রক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উদ্যোগ নেবে  » «   ফুসফুস-ক্যান্সার পরীক্ষার জন্য মাইল এন্ড লেজার সেন্টারে স্থাপন করা হচ্ছে বিশেষ ‘স্ক্রিনিং মেশিন’  » «   অলি-মিঠু-টিপু প্যানেলের পরিচিতি ও ইশতেহার ঘোষণা  » «   ২০ নভেম্বর লন্ডনের রয়েল রিজেন্সিতে ৫ম বেঙ্গলী ওয়েডিং ফেয়ার  » «   একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির যুক্তরাজ্য শাখা গঠিত  » «   টি আলী স্যার ফাউন্ডেশন সম্মাননা পেলেন সিলেটের ২৪গুণী শিক্ষক  » «   নওয়াগ্রাম প্রগতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফুল, ফল ও ঔষধি বৃক্ষরোপণ  » «   আলোকিত মানুষ শিক্ষক মো. সমছুল ইসলাম এর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী  » «   সিলেটের বিয়ানীবাজারে একটি পরিত্যক্ত কূপে তাজা গ্যাসের মজুদ আবিষ্কৃত  » «   বাংলাদেশী কারী  ব্রিটেনের প্রবৃত্তি ও খাবার সংস্কৃতিতে অনন্য  অবদান রাখছে  » «   পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় নারীবাদের প্রতিবন্ধকতা  » «   রিষি সুনাক এশিয়ান বংশদ্ভোত, কনজারভেটিভ এবং ধনীদের বন্ধু  » «   গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাব নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারীদের ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহবান  » «  
সাবস্ক্রাইব করুন
পেইজে লাইক দিন


দুবাইয়ে বাংলাদেশি বাছিরের সততার দৃষ্টান্ত
দুবাই পুলিশ থেকে পেয়েছেন সততার সনদ



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন


সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে সততার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বাংলাদেশি বাছির আহমেদ। ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার কসবার মইনপুরের আমির হোসেনের ছেলে বাছির মানুষের হারিয়ে যাওয়া মালামাল পুলিশের মাধ্যমে ফিরিয়ে দিয়ে সততার অনন্য উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন। বয়ে এনেছেন দেশের সুনাম। বাংলাদেশি মানুষের এমন সততায় মুগ্ধ দুবাই পুলিশ।

বাছির ২০০৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে আসেন। সেখানে কাজ করার পর ২০১৫ সালে দুবাইয়ে পাড়ি জমান। স্টার সিকিউরিটি সার্ভিস দুবাইয়ে সিকিউরিটির কাজ করেন তিনি। তার কাজের এলাকা ড্রাগন মার্ট ।

সিকিউরিটির কাজ করা অবস্থায় মলে আসা মানুষদের কোন স্বর্ণ, টাকা, মানিব্যাগ সহ দরকারি জিনিস তিনি পেয়ে থাকলে ঠিক ঐ জায়গা থেকেই সিসিটিভি চেক করেন। এরপর ওই মানুষটা কোন গাড়িতে বা কিভাবে বের হয়ে গেছে দেখে তার তথ্য উদ্ধার করে স্থানীয় পুলিশে মালগুলো তিনি জমা দেন। পরে হারিয়ে যাওয়া মালের মানুষ উপযুক্ত প্রমাণ দিয়ে পুলিশের কাছ থেকে মাল গুলো ফেরত নেন। এ জন্য শুধু পুলিশ নয় অনেক হারানো মালের মানুষও তাকে পুরষ্কৃত করেছেন।

বাছির শুধু হারানো মাল ফেরত দেন না বরং তার কর্ম এলাকার আশপাশে কোন অবৈধ কাজও হতে দেন না। এ জন্য পুলিশের সহযোগিতা নেন তিনি। পুলিশ সেজন্যও তাকে সনদ প্রদান করেছে।

২০১৬ সালের ০৭ই জুন প্রথম ধন্যবাদ পত্র পেয়েছেন আল রাশেদিয়া পুলিশ স্টেশন থেকে। ৫ই জুলাই ২০১৮ সালে Department of Planing and Development – TRAKHEES PCFC “Port, Customs and Free zone Corporation. থেকে Appreciation সার্টিফিকেট পেয়েছেন তিনি। এছাড়া ১৭ই ফেব্রুয়ারি ২০১৯ সালে Nakheel থেকে appreciation সার্টিফিকেট এবং ২ এপ্রিল ২০১৯ Dubai police থেকে Appreciation পেয়েছেন।

এমন কাজ করে নিজের মনে শান্তি পান বাছির। আগামি জীবনে বিদেশের মাটিতে নিজের সততায় দেশকে তোলার চেষ্টার কথা জানিয়েছেন তিনি। এ জন্য সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন