মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১৫ মাঘ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
স্পেনে আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা ‘ফিতুর ২০২০’ এ বাংলাদেশের অংশগ্রহন ছিল না  » «   কমিউনিটি ল্যাঙ্গুয়েজ সার্ভিস বন্ধের প্রতিবাদে সম্মিলিত গণসমাবেশ  » «   বাংলাদেশের টাকা পাচারকারী লুটেরাদের বিরুদ্ধে কানাডায় প্রতিবাদ  » «   আমিরাতে আল ফালাহ ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড কাপের যাত্রা শুরু  » «   রিয়াদে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে পাসর্পোট নবায়ন সেবা সৌদি পোস্ট ও ইডিসিতে  » «   ভারতের সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন বনাম ‘ভূমিপুত্র’ ইস্যু  » «   ফ্রান্সের মূলধারার রাজনীতিতে দুই বাংলাদেশী  » «   ইতালিতে বেগমগঞ্জ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের ৩য় বর্ষ উদযাপন  » «   দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ই-পাসপোর্ট উদ্বোধন  » «   ইতালীর ভেনিসে ছাত্রলীগের ৭২ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত  » «   ইতালীতে উৎসব মূখর পরিবেশে শীতকালীন পিঠা উৎসব  » «   কানাডায় পর্যাপ্ত খাবার পায় না ৪০ লাখ মানুষ  » «   বাংলাদেশের প্রথম স্মার্ট সিটি হিসেবে আত্মপ্রকাশের প্রথম ধাপে পা রাখলো সিলেট  » «   লন্ডনে শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল সমর্থক গোষ্ঠীর আত্নপ্রকাশ  » «   ইউরোপসহ  বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ধর্ষণের পরিসংখ্যান  ও শাস্তি    » «  

স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে নিহত পারভীন

নিউজিল্যান্ডে মসজিদে হামলা



নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ মসজিদে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত তিন বাংলাদেশির মধ্যে একজন হলেন সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার হুসনে আরা পারভীন (৪২)। সন্ত্রাসী হামলা থেকে স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে অস্ত্রধারীদের গুলিতে তিনি প্রাণ হারান। তবে বেঁচে গেছেন তার অসুস্থ স্বামী ফরিদ উদ্দিন আহমদ।

সন্ত্রাসী হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া পারভীনের স্বামী ফরিদ উদ্দিন আহমদ বর্তমানে ক্রাইস্টচার্চ এলাকায় আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে তাদের বাসায় রয়েছেন।

ফরিদ উদ্দিনের বাড়ি বিশ্বনাথ উপজেলার চক রামপাশা গ্রামে। তার স্ত্রী হুসনে আরা পারভীনের বাবার বাড়ি সিলেটের গোলাপগঞ্জের জাঙ্গাল হাটা গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মৃত নুরুদ্দিনের মেয়ে। তারা তিন বোন ও দুই ভাই।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিহত হোসনে আরার ভাগ্নে মাহফুজ চৌধুরী। তিনি বলেন, নিউ জিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ এলাকায় দুটি মসজিদ রয়েছে। একটি মসজিদে নারীরা ও অন্যটিতে পুরুষরা নামাজ আদায় করেন। ঘটনার প্রায় আধঘণ্টা আগে আমার খালা হুসনে আরা তার অসুস্থ স্বামীকে (প্যারালাইসিসে আক্রান্ত) নিয়ে মসজিদে যান। সেখানে খালা তার স্বামীকে হুইল চেয়ারে করে পুরুষদের মসজিদের ভেতরে রেখে নিজে নারীদের মসজিদে চলে যান। দুটি মসজিদই পাশাপাশি।

মাহফুজ চৌধুরী বলেন, প্রায় ১৫ মিনিট পর পুরুষদের মসজিদের ভেতরে গুলির শব্দ শুনে পারভীন তার স্বামীকে বাঁচানোর জন্য বের হন। এসময় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী তাকে গুলি করলে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।

তিনি জানান, নিউজিল্যান্ডের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পারভীনের মরদেহ এখনো তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেনি। পুলিশের পক্ষ থেকে পারভীনের নিহত হওয়ার বিষয়টি নিউজিল্যান্ডে অবস্থানকারী তার স্বজনদের জানানো হয়েছে।

নিউজিল্যান্ডে বসবাসকারী আত্মীয়দের বরাত দিয়ে মাহফুজ চৌধুরী বলেন, মসজিদের বাইরে গুলির শব্দ শোনার সঙ্গে সঙ্গে কয়েকজন মুসল্লি হুইল চেয়ারে করে ফরিদ উদ্দিনকে মসজিদ থেকে বের করে নেয়ায় তিনি বেঁচে গেছেন। ফরিদ উদ্দিন ও হুসনে আরা পারভীন ক্রাইস্টচার্চ এলাকায় বসবাস করতেন।

নিউজিল্যান্ডে বসবাসকারী নিহত পারভীনের ভাবি হিমা বেগম ঘটনার পর টেলিফোনে সিলেটে থাকা পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান। মাহফুজ চৌধুরী বলেন, সন্ত্রাসী হামলার প্রায় একঘণ্টা পর বাংলাদেশ সময় আনুমানিক সকাল ১০ টার দিকে হিমা বেগম ফোন করে পারভীন খালার নিহতের খবরটি আমাদের জানিয়েছেন।

পারিবারিক সূত্র জানায়, নিহত পারভীন ও ফরিদের এক কন্যা সন্তান রয়েছে। ১৯৯৪ সালে পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েক বছর পর তারা নিউজিল্যান্ডে চলে যান। সর্বশেষ ২০০৯ সালে তারা বাংলাদেশে গিয়েছিলেন।

সূত্রঃদৈনিক ভোরের কাগজ