শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ৩১ শ্রাবণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
কাতালোনীয়ায় জাতীয় শোক দিবস পালনের প্রস্তুতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  » «   বার্মিংহামের মিষ্টি দেশ যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শহরে শাখা ও ফ্রাঞ্চাইজ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে  » «   ইতালীর রোমে তিনদিনব্যাপী ন্যাশনাল কাফ অপারেটর কোর্স সম্পন্ন  » «   ইতালিতে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য মহাউৎসব ও নন্দ উৎসব  » «   বাঙালির জীবনে এক মর্মস্পর্শী ও হৃদয়বিদারক দিন আজ ১৫ আগস্ট  » «   পরিবেশ মন্ত্রীর সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  » «   লেবাননে উদীয়মান সাংবাদিক মহসীন মৃধার মৃত্যু  » «   ফ্রান্স-নেদারল্যান্ডস ফেরতদের ব্রিটেনে বাধ্যতামূলক কোয়ারেনটাইন  » «   যত দিন বেঁচে আছি এতিমদের পাশে আছি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  » «   শীঘ্রই ৯৯৬ কোটি টাকা ব্যয়ে মনু নদীর স্থায়ী প্রতিরক্ষামূলক কাজ শুরু হবে  » «   আমিরাতে রেমিটেন্স যোদ্ধারা আবারো সক্রিয় হয়ে উঠেছে  » «   দুবাই প্রবাসীরা টিকেট সংকটে: সিলেটে বিক্ষোভ  » «   সৌদি আরবে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব ও শেখ কামালের জন্মদিন উদযাপন  » «   মহানবীকে নিয়ে কটূক্তি : নাইজেরিয়ায় গায়কের মৃত্যুদণ্ড  » «   ভয়াবহ মন্দায় পড়েছে যুক্তরাজ্য  » «  

ঘুরে আসুন সবচেয়ে নিরাপদ কাতার



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 40
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    40
    Shares


ইউরোপ আমেরিকা কানাডাসহ বিশ্বের উন্নত বেশ কয়েকটি দেশকে কাতারে ভিসামুক্ত প্রবেশের সুযোগ দিয়েছে কাতার। ফলে কাতার ভ্রমণে আর কোনো বাধা নাই।

কাতারে ঘুরাঘুরির সেরা সময় হচ্ছে গরমের শেষ আর শীতের শুরু অর্থাৎ অক্টোবরের শেষ থেকে মার্চ পর্যন্ত। এই সময়টাতে কাতারের তাপমাত্রা থাকে সহনীয় স্বাভাবিক, আবহাওয়া থাকে ঘুরাঘুরির অনুকুলে। মধ্যপ্রাচ্যের সবদেশেই এই সময়ে ভ্রমণের উপযুক্ত। বিশ্বের ভ্রমণপিপাসুরা ওই সময়টাতেই কাতারে ঘুরতে আসেন। কাতারে বসবাসরত প্রবাসীরা এই সময়টাতে ছুটির দিনে ঘরে বসে নাথেকে বেরিয়ে পড়েন খোলা পরিবেশে নিঃশ্বাস নিতে। কাতারে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের ভিন্ন রূপ খুঁজে পাবেন, কাতার সরকার কাতারকে যেভাবে সাজাচ্ছে তাতে আনন্দে দর্শনার্থীদের মন ভরবেই। কাতার অনেক নিরাপদ দেশ তাই এই দেশে রাতে ঘুরাঘুরিকেও সবাই প্রাধান্য দেন। কাতারের প্রধান আকর্ষণ সাগর পাড়ে অবস্থিত কর্নিশ বা ওয়েস্টবের মুগ্ধকর বহুতল ভবনগুলো। এই বিল্ডিংগুলো রাতে তাদের আসল রূপ ছড়ায় যা দেখে যে কেউ মুগ্ধতায় থাকিয়ে থাকেন। পুরো কর্নিশ পাড় ভ্রমণ পিপাষুদের জন্য সাজানো হয়েছে। কর্নিশ পাড়ে কেউ শারীরিক কসরত করেন, কেউ কেউ পার্কগুলোতে বসে সাগরের হিমেল বাতাসে নিজেকে বিলিয়ে দেন। প্রতিদিন কর্নিশের পাড়ে শত শত ভ্রমন পিপাষুর সমাগম ঘটে। সাগর পাড়ে আছে কাতারের ঐতিহ্যবাহী ইরানী মার্কেট। এ মার্কেটে মিলবে আগের দিবের ব্যবহার্য্য জিনিস থেকে শুরু করে আধুনিক সময়ের ব্যবহারের সকল প্রকার পন্য। মার্কেটির নির্মান শৈলী আপনাকে মনে করিয়ে দিবে কাতারিদের আগের দিনের ঘর কেমন ছিলো সেই চিত্র। মার্কেটে আছে আর্ট মিউজিয়াম ঘুরে দেখতে পারেন।


কাতারে অন্যতম ভ্রমণ স্থান হলো কাতারা। ওখানে গেলেই চোখে পড়বে কাতারের কৃত্রিম উঁচু নিচু পাহাড় টিলা। টিলাগুলো সম্পূর্ণ বালু পাতর দিয়ে গড়া। টিলাগুলো নানা ধরণের গাছ, ফুল আর ফুলের গাছ দিয়ে সাজানো হয়েছে। বাগানে প্রবেশ করলে মন ফিরে আসতে চাইবে না। টিলাগুলোর চূড়ায় দাঁড়িয়ে পুরো দোহা শহর দেখার অনূভূতি অসাধারণ। টিলাগুলো থেকে রাতে দোহা শহরের অপূর্ব রূপ যে কাউকে মুগ্ধ করবেই।


টিলাগুলোর নিচেই রয়েছে কাতারের সংস্কৃতি চর্চার কেন্দ্র কাতারা হল। এখানে কাতারের সাংস্কৃতিক নাটক আর নানা ধরণের বিনোদনের আয়োজন চলে প্রায় প্রতিদিনই। কাতারার নানা আকৃতির ভবন দেখে আপনার মনে হতে পারে এটি সত্যিই বিনোদন স্থল। কাতারাতে আসলে দেখতে পাবেন কাতারের অতীত জীবনের নানা নিদর্শন, যা থেকে আপানি ধারণা পাবেন কাতারিদের অতীত জীবন সম্পর্কে।


কাতারে বিনোদন আর কেনাকাটার জন্য গড়ে উঠেছে বেশ কিছু বিলাস বহুল শপিংমল। এসব শপিংমলে কেনাকাটা, শিশু বিনোদন ঝমকালো আয়োজন, রয়েছে সিনেমা দেখার হল। হলগুলোতে হিন্দি, আরবী, ইংলিশ সিনেমা প্রদর্শন চলে। ৩৫ থেকে ৪৫ রিয়ালের মধ্যে টিকিট পাওয়া যায়।

শপিংমলগুলোর মধ্যে ভিলাজু, সিটি সেন্টার, গালফ মল, ল্যান্ডমার্ক, দোহা ফেস্টিভ্যাল সিটি অন্যতম।
কাতারের মূল ভূখণ্ড থেকে কিছু দূরে রয়েছে বানানা আইল্যান্ড। বানানা আইল্যান্ডে রয়েছে বিশালবহুল হোটেল আর রেস্তোরাঁ। ছুটি কাটানোর মতো সকল সুযোগ সুবিধা নিয়ে বানানা আইল্যান্ড কাতারের আগত পর্যটকদের স্বাগত জানাতে সর্বদা প্রস্তুত।
কাতারের সবচেয়ে বড় পার্ক স্পেয়ার পার্ক। এখানে ফ্যামেলি নিয়ে ঘোরতে যেতে পারেন। এখানে ফ্যামেলি ভিজিট এলাও। এটি ভিলাজো শপিং মলের পাশে অবস্থিত।


এছাড়া কাতারের রয়েছে ১০টি আকর্শনীয় সি-বিচ বা সমুদ্র সৈকত। এসব সমুদ্র সৈকত গুলোর কোনটি ফ্যামেলি নিয়ে ঘোরাঘুরির জন্য আর কোনটি সবার জন্য উন্মুক্ত। এগুলো হলো- ১. কাতারা বিচ (ফ্যামেলি) এটি দোহার কাতারা কালচারাল ভিলেজে। ২. দুখান বিচ (উন্মুক্ত) এটি কাতারের পশ্চিমে প্রাইভেট কারে দোহা থেকে প্রায় ৭৫ মিনিটের রাস্তা। ৩. কাতারের দক্ষিণ পশ্চিমে আল খারাইজ বিচ (ফ্যামেলি) দোহা থেকে ওখানে যেতে প্রায় ৮০ মিনিট লাগবে। ৪. কাতারের দক্ষিণে সিলাইন বিচ ( উন্মুক্ত) দোহা থেকে ৫৫ মিনিটের রাস্তা। ৫. কাতারের দক্ষিণ পূর্ব দিকে আল ওয়াকরা বিচ (ফ্যামেলি) এটি দোহা থেকে ৩০ মিনিটের পথ। ৬. পূর্ব দিকে সিমাইসমা বিচ (ফ্যামেলি) এটি দোহা থেকে ৫৪ মিনিটের রাস্তা।

৭. আল ফারকিয়া বিচ (ফ্যামেলি) দোহা থেকে ওখানে যেতে প্রায় ৫৫ মিনিট লাগবে, এটি কাতারের উত্তর পূর্ব দিকে। ৮. আল থাখিরা বিচ (উন্মুক্ত) এটি কাতারের উত্তর পূর্ব দিকে প্রায় ৬০ মিনিটের রাস্তা। ৯. উত্তরে ফুওয়াইরিত বিচ (উন্মুক্ত) দোহা থেকে ৭০ মিনিটের পথ। ১০. উত্তরে আল ঘারিয়া বিচ (উন্মুক্ত) দোহা থেকে প্রায় ৭৭ মিনিটের রাস্তা। কাতার বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ দেশ। তাই, নিশ্চিন্তে ঘুরে আসুন কাতার।


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 40
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    40
    Shares