শুক্রবার, ১২ অগাস্ট ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ২৮ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
জীবন যেখানে দ্রোহের প্রতিশব্দ মৃত্যু সেখানেই শেষ কথা নয়..  » «   শিল্প উদ্যোক্তা ও ক্রীড়া সংগঠক মো: জিল্লুর রাহমানকে  লন্ডনে সংবর্ধনা  » «   ঈদের সামাজিক গুরুত্ব ও বিলাতে ঈদের ছুটি   » «   ব্রিটেনে ঈদের ছুটি  প্রসঙ্গে  » «   হজের খুতবা বঙ্গানুবাদ করবেন মাওলানা শোয়াইব রশীদ ও মাওলানা খলিলুর রহমান  » «   হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু, তাবুর শহর মিনায় হাজিরা  » «   ঈদের ছুটি : আমাদের কমিউনিটিতে সবার আগে শুরু হোক  » «   ঈদের দিনে বিলেত প্রবাসীদের মনোবেদনা  » «   বিলেতে ঈদ উৎসব এবং বাঙ্গালী কমিউনিটির অন্তর্জ্বালা  » «   জলঢুপে বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের ভ্রাম্যমান কেম্প  » «   তিলপাড়ায় বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল ক্যাম্প  » «   করিমগঞ্জ দিবস  » «   ঈদের ছুটি চাই : একটি সমন্বিত উদ্যোগ অগণিত পরিবারে হাসি ফুটাতে পারে  » «   ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল তিন বন্ধুর  » «   বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতালের বিনামূল্যে ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল ক্যাম্প  » «  
সাবস্ক্রাইব করুন
পেইজে লাইক দিন


২০২১ সালে মহামারি সমাপ্তির ধারণা ‘অবাস্তব’: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

করোনাভাইরাসের বেশ কয়েকটি ভ্যাকসিন চলে এসেছে, বিভিন্ন দেশে শুরু হয়েছে এর ব্যবহারও। তবুও ২০২১ সালের মধ্যে করোনা মহামারি পুরোপুরি শেষ হওয়ার চিন্তা ‘অপরিণত’ এবং ‘অবাস্তব’ বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

২০২০ সালে যে হারে সংক্রমণ বেড়েছিল, ২০২১ সালে তা অনেকটাই কমেছে। তবে সাধারণ মানুষের মধ্যে ভাইরাসজনিত সাবধানতাও কিছুটা শিথিল হতে দেখা গেছে। এ অবস্থায় গত ছয় সপ্তাহ ধরে বিশ্বব্যাপী দৈনিক সংক্রমণ বাড়ছে।

এভাবে সংক্রমণ বৃদ্ধির বিষয়টি হতাশাজনক হলেও আশ্চর্যের নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরুরি কর্মসূচির প্রধান মাইকেল রায়ান।

সোমবার তিনি সাংবাদিকদের বলেন, এ বছর শেষ হতেই মহামারি শেষ হয়ে যাবে, এটা খুবই অপরিণত ভাবনা। আমার ধারণা, এটা অবাস্তবও।

তবে করোনায় মৃত্যু এবং হাসপাতালে ভর্তি হওয়া কমে যাবে বলে বিশ্বাস করেন এ সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ।

রায়ান বলেন, ভ্যাকসিন যদি কার্যকরী প্রভাব বিস্তার করে, তাহলে বছর শেষে করোনায় হাসপাতালে ভর্তি এবং মৃত্যু অনেকটাই কমে যাবে। সংক্রমণও নিয়ন্ত্রণে আসবে।

বৈশ্বিক এ মহামারি নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্যকর্মী এবং প্রথম সারির যোদ্ধাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভ্যাকসিন দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

 


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন