শুক্রবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ১৪ ফাল্গুন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
হবিগঞ্জের বানিয়াচং-নবীগঞ্জ রোডে গণ-ডাকাতি সংঘটিত  » «   মায়ের হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে ছেলের সংবাদ সম্মেলন  » «   গোলাপঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা তাহের আলীর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন  » «   লেখক মুশতাকের মৃত্যু কারাগারে: প্রগতিশীল ছাত্র জোটের তাৎক্ষনিক প্রতিবাদ  » «   বিএনপির  ৭ই মার্চ পালনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন সুলতান মনসুর  » «   নিউজ কনটেন্ট নিয়ে ফেসবুকের সমঝোতায় অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে ঐতিহাসিক আইন পাশ  » «   চামচামির  রাজনীতি  এবং  ফেইসবুকে ভাড়া খাটা কর্মীরা  » «   বানিয়াচং আদর্শ বাজারে অগ্নিকান্ডে প্রায় ২০ লক্ষ টাকার ক্ষয়-ক্ষতি  » «   ভালুকায় ইটভাটায় একপক্ষের বেলচার আঘাতে কলমাকান্দার জাহাঙ্গীর নিহত  » «   গোলাপগঞ্জে পৃথক অভিযানে গাঁজাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী আটক  » «   বিয়ানীবাজার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট  ইউকের দোয়া ও আলোচনা অনুষ্ঠিত  » «   মাতৃভাষা দিবসে বার্সেলোনায়   স্থায়ী শহীদ মিনার স্থাপনের দাবী  » «   মহামারির কারণে ব্রিটেনে বেকারত্বের হার ৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ  » «   ইউরো বাংলা প্রেসক্লাব এর মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা  » «   শহীদ দিবসে জালালাবাদ এসোসিয়েশন ইতালীর দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত  » «  

বিধান চন্দ্র দাস : একজন আত্নপ্রত্যয়ী শিক্ষক



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 30
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    30
    Shares

শিক্ষক শ্রী বিধান চন্দ্র দাস,যিনি সবার কাছে ‘বিধান স্যার’ নামেই পরিচিত।আলোকিত মানুষ গড়ার লক্ষ্যে এবং সার্বিক সমাজ ব্যবস্থার উন্নতি সাধনের পূর্ব শর্তরূপে শিক্ষার গুরুত্ব উপলব্ধি করেই এই স্বনামধন্য শিক্ষক ব্রতী হয়েছেন জ্ঞান বিতরণের মহৎ দায়িত্ব পালনে।

বড়লেখা উপজেলার দাসেরবাজার ইউনিয়নের পানিসাওয়া গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে ১৯৫৫ সালে ১৩ ই জানুয়ারি তিনি জন্ম গ্রহণ করেন।

গুণী শিক্ষক  বিধান চন্দ্র দাসের পিতা স্বর্গীয় বারীন্দ্র কুমার দাস এবং মা স্বর্গীয় আমোদিনী দাস। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার হাতেখড়ি হয় ১৯৬১ সালের জানুয়ারি মাসে চান্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এবং প্রাথমিক শিক্ষার পাঠ সম্পন্ন করেন গুলুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

১৯৬৬ সালের জানুয়ারীতে মাধ্যমিক শিক্ষা শুরু, অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ালেখা করেন হাকালুকি উচ্চ বিদ্যালয়ে। তারপর ১৯৬৯ ও ১৯৭০ সালে নবম ও দশম শ্রেণীর পড়ালেখা করেন জলঢুপ দ্বিপাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়ে।

এসএসসি পরীক্ষা ১৯৭১ সালে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে হওয়ার নিয়ম থাকলেও মহান মুক্তিযুদ্ধের কারণে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালে ।

শিক্ষক  বিধান চন্দ্র দাস এইচএসসি পাশ করেন  ১৯৭৩ সালে  মদন মোহন কলেজ,সিলেট থেকে। ১৯৭৬ সালে মুরারি চাঁদ সরকারি কলেজ( এমসি কলেজ) থেকে    স্নাতক উত্তীর্ণ হন।

এবং ১৯৭৮ সালে চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে  স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) সম্পন্ন করেছেন । সেই সময় দেশে অনাকাঙ্খিত অনেকগুলো রাজনৈতিক কলন্কজনক ঘটনা ঘটে এবং এইসব কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সেশন জট  বেশী ছিল এবং সঙ্গতকারণেই যথাসময়ে পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হয় নি। তাই মাস্টার্স পরীক্ষা ৩ বছর দেরি করে ১৯৮১  সনে অনুষ্ঠিত হয়।

শিক্ষাজীবন শেষ করে জড়িয়ে পড়েন শিক্ষকতার পেশায়। ১৯৮২ সালে শুরুর দিকে গোলাপগঞ্জ উপজেলার মীরগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক পদে যোগদানের মাধ্যমে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। তারপর ১৯৮৩ সালের সেপ্টেম্বরে সহকারি শিক্ষক পদে জলঢুপ দ্বিপাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। ১৯৮৭ সালের আগস্ট পর্যন্ত সেখানে দায়িত্বরত সময়ে তাঁর একনিষ্ট পেশাদারিত্বের মাধ্যমে অসংখ্য ছাত্র এবং সহকর্মীর ভালবাসায় সিক্ত হন। ঐ সময় তাঁর তত্ত্বাবধানে স্নেহভাজন ছাত্রদের প্রচেষ্টায় বার্ষিক দেয়াল পত্রিকা প্রকাশ করা হয়।

এরপর থেকে বড়লেখা মহাবিদ্যালয়ে( বতমান বড়লেখা ডিগ্রি কলেজ ও বড়লেখা সরকারি কলেজ) ১২ জানুয়ারি ২০১৫ সাল পর্যন্ত অধ্যাপনায় রত ছিলেন।

গুণী শিক্ষক  বিধান চন্দ্র দাস দীর্ঘ ৩৩ বছরের কর্মজীবনে শিক্ষক হিসাবে আপোষহীন ভাবে নিজ দায়িত্ব পালন করে গেছেন। তাঁর ছাত্ররা দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন। শিক্ষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও অনেকে সর্বোচ্চ আসনে অবস্থান করছেন।

রাজনৈতিক অঙ্গনেও তাঁর রয়েছে দীপ্ত পদচারণা।বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের বড়লেখা উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি এবং বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ বড়লেখা উপজেলা শাখার সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করছেন।

ব্যক্তি জীবনে তিনি এক পুত্র ও কন্যা সন্তানের জনক।সহজ সরল জীবন যাপনে অভ্যস্থ এই শিক্ষাবিদ জীবনের বাকি সময়টুকু মানব কল্যাণে নিয়োজিত করতে দৃঢ় প্রত্যয়ী।পৃথিবীতে মানুষের নিত্য আসা-যাওয়া,কিন্তু কিছু কিছু মানুষ আসেন,যারা কর্ম,সততা,নিষ্ঠা,নীতি,আদর্শের মাধ্যমে স্থান করে নেন হাজার মানুষের হৃদয়ে। আমাদের স্যার তার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

লেখক : ফয়সল আহমদ ( রুহেল ), সাউথ ইস্ট লন্ডন নিউজ করেসপনডেন্ট;চ্যানেল এস টেলিভিশন ,লন্ডন ।


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 30
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    30
    Shares