বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
কেসি সলিসিটর্সের দশক পূর্তি উদযাপন  » «   বঙ্গবন্ধু স্কলারশিপ আন্তর্জাতিক অঙ্গণে বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রতিচ্ছবি  » «   লীলা নাগের স্মৃতি রক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উদ্যোগ নেবে  » «   ফুসফুস-ক্যান্সার পরীক্ষার জন্য মাইল এন্ড লেজার সেন্টারে স্থাপন করা হচ্ছে বিশেষ ‘স্ক্রিনিং মেশিন’  » «   অলি-মিঠু-টিপু প্যানেলের পরিচিতি ও ইশতেহার ঘোষণা  » «   ২০ নভেম্বর লন্ডনের রয়েল রিজেন্সিতে ৫ম বেঙ্গলী ওয়েডিং ফেয়ার  » «   একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির যুক্তরাজ্য শাখা গঠিত  » «   টি আলী স্যার ফাউন্ডেশন সম্মাননা পেলেন সিলেটের ২৪গুণী শিক্ষক  » «   নওয়াগ্রাম প্রগতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফুল, ফল ও ঔষধি বৃক্ষরোপণ  » «   আলোকিত মানুষ শিক্ষক মো. সমছুল ইসলাম এর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী  » «   সিলেটের বিয়ানীবাজারে একটি পরিত্যক্ত কূপে তাজা গ্যাসের মজুদ আবিষ্কৃত  » «   বাংলাদেশী কারী  ব্রিটেনের প্রবৃত্তি ও খাবার সংস্কৃতিতে অনন্য  অবদান রাখছে  » «   পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় নারীবাদের প্রতিবন্ধকতা  » «   রিষি সুনাক এশিয়ান বংশদ্ভোত, কনজারভেটিভ এবং ধনীদের বন্ধু  » «   গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাব নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারীদের ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহবান  » «  
সাবস্ক্রাইব করুন
পেইজে লাইক দিন


শরণার্থী শিবিরে আগুন: আগুন নেভাতে বাঁধা দিয়েছে আশ্রয়প্রার্থীরা



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

গ্রিসের মোরিয়া শরণার্থী শিবিরে আগুন। একাধিক শিবিরে আগুন লেগেছে বলে জানা গেছে। ১২ হাজার শরণার্থী থাকেন ওই শিবিরগুলোতে।

গ্রিসের লেসবস দ্বীপে সব চেয়ে বড় শরণার্থী শিবির রয়েছে। সেখানেই বুধবার আগুন লাগে। দমকলের অভিযোগ, আগুন নেভাতে যাওয়ার পর তাদের বাধা দেয়া হয়েছে। স্থানীয় মিডিয়ায় এমন অভিযোগও উঠছে, করোনা নিয়ে কড়াকড়ির প্রতিবাদে এখানে আগুন লাগানো হয়েছে। গত সপ্তাহে করোনা নিয়ে এই শিবিরগুলোতে কড়াকড়ি শুরু হয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, আগুন লাগার কারণ এখনো জানা যায়নি।

এই সপ্তাহের শুরুতে মোরিয়া শিবিরে একজন সোমালি শরণার্থীর করোনা ধরা পড়ে। তারপরই সেখানে প্রচুর কড়াকড়ি চালু করা হয়েছে।

মোরিয়াতে ১২ হাজার শরণার্থী বিভিন্ন শিবিরে আছেন। তারা সকলেই আশ্রয়প্রার্থী। অনেকেই ইরাক ও সিরিয়া থেকে ২০১৫ ও ২০১৬ সালে পালিয়ে এসেছেন।

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে, এই শিবিরে গাদাগাদি করে মানুষ থাকছেন। এখান থেকে কিছু শরণার্থীকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথাও তারা সরকারকে বলেছেন। কিন্তু সরকার সেই অনুরোধে কান দেয়নি।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের গবেষক ইভা কোসি বলেছেন, শরণার্থী শিবিরের যা অবস্থা তাতে সেখানে জনস্বাস্থ্য বজায় রাখা অসম্ভব। করোনার মোকাবিলায় যে নির্দেশ জারি করা হয়েছে, তাও মানা সম্ভব নয়। তার মতে, এই জনবহুল ক্যাম্পে কড়াকড়ি মানা যায় না। এখানে মানুষকে নিভৃতবাসে পাঠানোই সম্ভব নয়।

জার্মানির গ্রিন পার্টির নেতা বলেছেন, মোরিয়ায় শরণার্থীদের অবস্থা নিয়ে ইউরোপের দেশগুলোর সক্রিয় হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু তারা সেই কাজ করতে ব্যর্থ হয়েছে। মোরিয়া সবসময়ই জ্বলছে। তবে সেই আগুন হলো ক্ষোভের আগুন।


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন