শনিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
লীলা নাগের স্মৃতি রক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উদ্যোগ নেবে  » «   ফুসফুস-ক্যান্সার পরীক্ষার জন্য মাইল এন্ড লেজার সেন্টারে স্থাপন করা হচ্ছে বিশেষ ‘স্ক্রিনিং মেশিন’  » «   অলি-মিঠু-টিপু প্যানেলের পরিচিতি ও ইশতেহার ঘোষণা  » «   ২০ নভেম্বর লন্ডনের রয়েল রিজেন্সিতে ৫ম বেঙ্গলী ওয়েডিং ফেয়ার  » «   একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির যুক্তরাজ্য শাখা গঠিত  » «   টি আলী স্যার ফাউন্ডেশন সম্মাননা পেলেন সিলেটের ২৪গুণী শিক্ষক  » «   নওয়াগ্রাম প্রগতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফুল, ফল ও ঔষধি বৃক্ষরোপণ  » «   আলোকিত মানুষ শিক্ষক মো. সমছুল ইসলাম এর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী  » «   সিলেটের বিয়ানীবাজারে একটি পরিত্যক্ত কূপে তাজা গ্যাসের মজুদ আবিষ্কৃত  » «   বাংলাদেশী কারী  ব্রিটেনের প্রবৃত্তি ও খাবার সংস্কৃতিতে অনন্য  অবদান রাখছে  » «   পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় নারীবাদের প্রতিবন্ধকতা  » «   রিষি সুনাক এশিয়ান বংশদ্ভোত, কনজারভেটিভ এবং ধনীদের বন্ধু  » «   গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাব নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারীদের ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহবান  » «   স্পেনে যুবলীগের উদ্যোগে আলোচনা ও কর্মীসভা অনুষ্ঠিত  » «   ইতালিতে সিলেট বিভাগ জাতীয়তাবাদী ফোরামের আংশিক কমিটি ঘোষণা  » «  
সাবস্ক্রাইব করুন
পেইজে লাইক দিন


৫ শতাধিক ফোন পুড়িয়ে দিলেন আইডিয়ালের শিক্ষকরা



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

রাজধানীর ধানমন্ডি আইডিয়াল কলেজের পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ভেঙে ফেলা হয়েছে। কলেজ অধ্যক্ষ জসিম উদ্দিনের নেতৃত্বে মোবাইল ভেঙে পরে তা পুড়িয়ে ফেলা হয় বলে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ।

গত শনিবার (১৩ জুলাই) কলেজের ভেতরে মোবাইল নিয়ে আসার কারণে শিক্ষকরা পাঁচ শতাধিক মোবাইল জব্দ করে ভেঙে ফেলার পর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয়।

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অধিকাংশ শিক্ষার্থী একা কলেজে আসা-যাওয়া করে। এজন্য তারা সঙ্গে ফোন নিয়ে আসে। ওই দিনও তারা ফোন নিয়ে আসে। কলেজ থেকে বলা হয়, ফোন জব্দ করার পর কলেজ ছুটি হলে সেগুলো ফেরত দেয়া হবে। তবে শিক্ষকরা ফোন জমা নিয়ে আর ফেরত দেননি। পরে সেগুলো ভেঙে ফেলা হয় এবং আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়া হয়।

তবে কলেজে অধ্যক্ষ জসিম উদ্দিন দাবি করেন, কলেজে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন আনা নিষেধ- এমন নিষেধাজ্ঞা দেয়ার পরও তারা একাধিকবার তা লঙ্ঘন করেছে। গত সপ্তাহেও এ বিষয়ে সতর্ক করা হয়। তারপরও তারা ফোন নিয়ে আসে।

তিনি বলেন, ‘ক্লাস চলাকালীন ফোন বেজে উঠলে শিক্ষকদের অসুবিধা হয়। এ ছাড়া অনেকে ক্লাসে বসেই ফোনে কথা বলে। এতে ক্লাসে শিক্ষকদের পড়াতে সমস্যা হচ্ছে। তাই ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের কাজ আর কেউ না করে, সেজন্য মোবাইল জব্দ করে তা পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে।’

তিনি দাবি করেন, ৫০০ ফোন ভেঙে ফেলার বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যাচার। মাত্র কয়েকটি ফোন ভেঙে ফেলে তা পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

এটি কি কোনো সমাধান- এমন প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে তিনি ফোন কেটে দেন। পরে একাধিকবার তার ফোনে রিং দেয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক ড. মো. হারুন-আর-রশিদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কলেজে মোবাইল ফোন আনার অপরাধে ফোন ভেঙে ফেলা ও পুড়িয়ে ফেলা যায় না। এটা খুবই দুঃখজনক ও ন্যক্কারজনক ঘটনা। এ ধরনের কাজ করা কলেজ কর্তৃপক্ষের কোনোভাবেই উচিত হয়নি। শিক্ষার্থীদের সতর্ক করা উচিত ছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘যদি ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থী, অভিভাবকরা এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করেন তবে আমলে নিয়ে তা খতিয়ে দেখা হবে।’

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ফোন পুড়িয়ে ফেলার সময় বাধা দিতে গেলে তাদের প্রহার করা হয়। মিরপুর রূপনগর দুয়ারিপাড়া থেকে কলেজে আসে কমার্স বিভাগের একাদশ শ্রেণির ছাত্র মো. মাসিদ হাসান। সে বলে, ‘আমি অনেক দূর থেকে কলেজে আসা-যাওয়া করি। রাস্তায় কোনো সমস্যা হলে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা জরুরি হয়ে পড়ে। আমি কলেজে ভর্তির পর প্রিন্সিপাল স্যারকে মোবাইল ফোনের কথা বলেছিলাম। স্যার আমাকে বলেছেন, যারা দূর থেকে আসবে, তাদের সমস্যা দেখা হবে। অথচ এত শখের ফোনটি আমার সামনে ভেঙে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে।’


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন