রবিবার, ৩ জুলাই ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ আষাঢ় ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
বিলেতে কারী শিল্পে ঈদের ছুটি সময়ের দাবি  » «   ঈদের ছুটি  » «   ইউরোপে জ্বালানি সংকট চরমে, বিকল্প ভাবতে হচ্ছে ইউরোপকে  » «   হাইডে প্রবীণদের স্মরণে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল  » «   ঈদের দিন হোক সবার উৎসবের দিন  » «   ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হসপিটাল সিলেটের সার্টিফিকেট বিতরণী অনুষ্ঠিত  » «   নেদারল্যান্ডস বাংলাদেশী সমিতি’ ইউকে’র যাত্রা শুরু  » «   ব্রিটেন প্রবাসে ঈদ ছুটি নিয়ে ভাবনা ও আমাদের করণীয়  » «   ঈদে ছুটি নাই  » «   কমিউনিটি ও পরিবারের স্বার্থকে প্রাধান্য দিলে ঈদের ছুটি নিয়ে দ্বি-মত থাকবে না- শায়খ আব্দুল কাইয়ুম  » «   ব্রিটেনে ঈদ হলিডে : আকাঙ্ক্ষা ও বাস্তবতা  » «   দয়া নয়, ঈদের ছুটি শ্রমজীবি মুসলমানদের অধিকার  » «   ব্রিটেনে ঈদের ছুটি নিয়ে কমিউনিটি ও মানবাধিকার নেতারা যা বলেন  » «   বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃক বন্যা দুর্গতদের চিকিৎসার্থে বিনামূল্যে ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল ক্যাম্প  » «   যুক্তরাজ্যে ঈদের ছুটির দাবীতে  আলতাব আলী পার্কে সমাবেশ অনুষ্ঠিত  » «  
সাবস্ক্রাইব করুন
পেইজে লাইক দিন


ইতালিতে প্রথম বাংলাদেশী ডাক্তার হিসেবে শপথ নিলেন তিসাদ



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

বারো বছর বয়সে মায়ের সাথে ইতালিতে আসেন তাহমিদ তিসাদ। বাবা এ কে এম সেলিম একজন ব্যবসায়ী। তিনি ইতালিতে আসেন ১৯৯৭ সালে। ইতালিয়ান স্কুলে ভর্তি হয়ে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলে পড়াশুনায় ভালো ফলাফল করলে নিজের ইচ্ছায় এবং মা বাবার উৎসাহে আরো ভালো ফলাফল করে নিজেকে প্রতিষ্টিত করতে প্রবল ইচ্ছা জাগে তাহমিদ তিসাদ এর । সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ২০১৭ সালে পাদোভা শহরের পাদোভা ইউনিভার্সিটি থেকে এম বি বি এস পাশ করে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মুখ উজ্জ্বল করেছেন তিসাদ। গত ১৮ মে ২০১৯ পাদোভা মেডিকো বিভাগের এম বি বি এস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সকল শিক্ষার্থীদেরকে সম্মাননা ও শপথ অনুষ্ঠানে প্রায় দুই শতাধিক ছাত্রছাত্রীদেরকে শপথ বাক্য ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেন মেডিকেল ইউনিভার্সিটির প্রধানরা।

সেই অনুষ্ঠানে একমাত্র প্রবাসী বাংলাদেশিদের হয়ে শপথ ও সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন তাহমিদ তিসাদ। তিনি বর্তমানে ইতালিতে এফ সি ফি এস এর উপর উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে পড়াশুনা চালিয়ে যাচ্ছেন।

তাহমিদ তিসাদ এর বাবা পাদোভা শহরের প্রবাসী এ কে এম সেলিম ও তার মা শামীমা আক্তার ছেলের এই ফলাফলের কারণে খুবই আনন্দিত এবং গর্বিত।

তিনি আরো বলেন আমার ছেলের জন্ম এই দেশে না। কিন্তু সে এই দেশে বড় হয়েও বিদেশিদের সাথে পাল্লা দিয়ে ভালো ফলাফল করেছে। তার এই ফলাফলের কারণে আমাদের বাংলাদেশী প্রবাসীদের বিদেশিদের কাছে মুখ উজ্জ্বল করেছে।

তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে। উনার মেয়ে তানজিনা তাজনিন ২০১৮ সালে চক্ষু বিভাগে গ্রেজুয়েশন শেষ করে বর্তমানে মাস্টার্সে পড়াশুনা করছে। উনাদের দেশের বাড়ি ঢাকা বিভাগের গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার নবীপুর গ্রামে।

তিসাদ এর এই ফলাফলে ইতালিতে বেড়ে উঠা এই প্রজন্মের ছেলে মেয়েরা ও অভিবাবকরা আরো উৎসাহিত হবেন
বলে আশা করছেন অনেক প্রবাসী।


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন