মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১৫ মাঘ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
স্পেনে আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা ‘ফিতুর ২০২০’ এ বাংলাদেশের অংশগ্রহন ছিল না  » «   কমিউনিটি ল্যাঙ্গুয়েজ সার্ভিস বন্ধের প্রতিবাদে সম্মিলিত গণসমাবেশ  » «   বাংলাদেশের টাকা পাচারকারী লুটেরাদের বিরুদ্ধে কানাডায় প্রতিবাদ  » «   আমিরাতে আল ফালাহ ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড কাপের যাত্রা শুরু  » «   রিয়াদে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে পাসর্পোট নবায়ন সেবা সৌদি পোস্ট ও ইডিসিতে  » «   ভারতের সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন বনাম ‘ভূমিপুত্র’ ইস্যু  » «   ফ্রান্সের মূলধারার রাজনীতিতে দুই বাংলাদেশী  » «   ইতালিতে বেগমগঞ্জ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের ৩য় বর্ষ উদযাপন  » «   দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ই-পাসপোর্ট উদ্বোধন  » «   ইতালীর ভেনিসে ছাত্রলীগের ৭২ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত  » «   ইতালীতে উৎসব মূখর পরিবেশে শীতকালীন পিঠা উৎসব  » «   কানাডায় পর্যাপ্ত খাবার পায় না ৪০ লাখ মানুষ  » «   বাংলাদেশের প্রথম স্মার্ট সিটি হিসেবে আত্মপ্রকাশের প্রথম ধাপে পা রাখলো সিলেট  » «   লন্ডনে শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল সমর্থক গোষ্ঠীর আত্নপ্রকাশ  » «   ইউরোপসহ  বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ধর্ষণের পরিসংখ্যান  ও শাস্তি    » «  

বিদেশে টাকা পাচারে দ্বিতীয় অবস্থানে বাংলাদেশ



 

বিদেশে টাকা পাচারে দক্ষিণ এশিয়ায় দ্বিতীয় অবস্থানে এখন বাংলাদেশ। এক নম্বরে আছে ভারত।ওয়াশিংটন ডিসি ভিত্তিক সংস্থা গ্লোবাল ফাইনান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটি(জিএফআই) এর প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংস্থাটি জানায়, কেবল ২০১৫ সালেই বাংলাদেশ থেকে চার প্রক্রিয়ায় ৫ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে। যা প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার সমান। এ টাকার বেশিরভাগ বৈদেশিক বাণিজ্যে জালিয়াতির মাধ্যমে পাচার করা হয়। একই পদ্ধতিতে একই বছর দেশে ঢুকেছে ২ শ’ ৩৬ কোটি ডলারের সমপরিমাণ অর্থ।

বিদেশে টাকা পাচারে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের পরই বাংলাদেশের অবস্থান। জিএফআই’র মতে, উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের মোট বাণিজ্যিক লেনদেনের ১৭ দশমিক ৫ শতাংশই কোনো না কোনোভাবেই পাচার হচ্ছে।

জিএফআই’র প্রতিবেদনে ২০০৬ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ১৪৮টি উন্নয়নশীল দেশের অর্থ পাচারের তথ্য উঠেছে। এ সময়ে উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকে ১ ট্রিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে।

২০১৫ সালে টাকা পাচারে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে মেক্সিকো। ওই দেশ থেকে পাচার হয়েছে ৪ হাজার ২৯০ কোটি ডলার। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা মালয়েশিয়া থেকে ৩ হাজার ৩৭০ কোটি ছাড়াও ভিয়েতনাম থেকে ২ হাজার ২৫০ কোটি, থাইল্যান্ড ২ হাজার ৯০ কোটি, পানামা ১ হাজার ৮৩০ কোটি এবং ইন্দোনেশিয়া থেকে ১ হাজার ৫৪০ কোটি ডলার পাচার হয়েছে।