সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
 পরিচ্ছন্ন সিলেটের স্বপ্ন দেখছে প্রজেক্ট ‘ক্লীন সুরমা, গ্রীন সিলেট’  » «   বাংলাদেশের মুক্ত অর্থণেতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ করবে আরব আমিরাত  » «   আজমানে স্কুল প্রতিষ্ঠার জন্য ব্যবসায়িদের সাথে কনসাল জেনারেলের মতবিনিময়  » «   ডাকসুর কোষাধ্যক্ষ অপসারন ও ৩৪ জনের ছাত্রত্ব বাতিলের দাবীতে ভিপি’র চিঠি  » «   কাতালোনীয়ার স্বাধীনতার ডাকে লক্ষ লক্ষ জনতার সমাবেশ  » «   সুনির্দিষ্ট অভিযোগে ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদককে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে: জয়  » «   সিলেটে বাম গণতান্ত্রিক জোটের জনসভা  » «   শীঘ্রই আমিরাতের আজমানে বাংলাদেশ স্কুল প্রতিষ্ঠা হচ্ছে  » «   সংহতি আমিরাতের শাহ আব্দুল করিম উৎসব  » «   লন্ডনে বিয়ানীবাজারের প্রবীন ব্যক্তিত্ব আবদুস সাত্তার স্মরণ সভা  » «   কৃুয়েত দূতাবাসের বিতর্কিত কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা  » «   মাদকেরও অভিযোগ : প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শোভন-রাব্বানীর দেখা করার অনুমতি স্থগিত  » «   নেপাল-চীনেও ডেঙ্গু : বিভিন্ন দেশ ভ্রমণে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র  » «   বিসিএ রেষ্টুরেন্ট অফ দ্যা ইয়ার ও বিসিএ শেফ অফ দ্যা ইয়ার এর প্রতিযোগিতা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু  » «   রাখাইনে রোহিঙ্গাদের বসবাসের কোনো চিহ্নই নেই  » «  

বিদেশে টাকা পাচারে দ্বিতীয় অবস্থানে বাংলাদেশ



 

বিদেশে টাকা পাচারে দক্ষিণ এশিয়ায় দ্বিতীয় অবস্থানে এখন বাংলাদেশ। এক নম্বরে আছে ভারত।ওয়াশিংটন ডিসি ভিত্তিক সংস্থা গ্লোবাল ফাইনান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটি(জিএফআই) এর প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংস্থাটি জানায়, কেবল ২০১৫ সালেই বাংলাদেশ থেকে চার প্রক্রিয়ায় ৫ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে। যা প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার সমান। এ টাকার বেশিরভাগ বৈদেশিক বাণিজ্যে জালিয়াতির মাধ্যমে পাচার করা হয়। একই পদ্ধতিতে একই বছর দেশে ঢুকেছে ২ শ’ ৩৬ কোটি ডলারের সমপরিমাণ অর্থ।

বিদেশে টাকা পাচারে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের পরই বাংলাদেশের অবস্থান। জিএফআই’র মতে, উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের মোট বাণিজ্যিক লেনদেনের ১৭ দশমিক ৫ শতাংশই কোনো না কোনোভাবেই পাচার হচ্ছে।

জিএফআই’র প্রতিবেদনে ২০০৬ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ১৪৮টি উন্নয়নশীল দেশের অর্থ পাচারের তথ্য উঠেছে। এ সময়ে উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকে ১ ট্রিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে।

২০১৫ সালে টাকা পাচারে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে মেক্সিকো। ওই দেশ থেকে পাচার হয়েছে ৪ হাজার ২৯০ কোটি ডলার। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা মালয়েশিয়া থেকে ৩ হাজার ৩৭০ কোটি ছাড়াও ভিয়েতনাম থেকে ২ হাজার ২৫০ কোটি, থাইল্যান্ড ২ হাজার ৯০ কোটি, পানামা ১ হাজার ৮৩০ কোটি এবং ইন্দোনেশিয়া থেকে ১ হাজার ৫৪০ কোটি ডলার পাচার হয়েছে।