বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১৪ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
বিয়ানীবাজার ক্যান্সার এন্ড জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃক আঙ্গুরায় বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান  » «   স্পেনে বিয়ানীবাজার পৌরসভা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট বার্সেলোনা কমিটি গঠিত  » «   স্পেনে বাংলাদেশ কালচারাল ইয়ং ফেডারেশন কমিটি গঠিত  » «   গোলাপগঞ্জে সাংবাদিক জাহেদের উপর সন্ত্রাসী হামলা  » «   মাসা আমিনির মৃত্যুতে ইরানের ‘নীতি পুলিশ’ এখন আলোচনায়  » «   অনশনে বসতে আ’লীগ কার্যালয়ে ইডেন ছাত্রলীগের ১২ নেত্রী  » «   ইতালিতে জাঁকজমকপূর্ণভাবে বিএনপি’র ৪৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন  » «   ইতালির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপি ও সিনেট পদপ্রার্থীদের রোমের বাংলাদেশী কমিউনিটির সাথে মতবিনিময়  » «   রানির প্রস্থান, রাজার আগমন এবং আধুনিক ব্রিটেন  » «   আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় তৃতীয় বাংলাদেশি তাকরিম  » «   ফুটবলার আঁখির বাবার সঙ্গে অসদাচরণ, দুই পুলিশ ক্লোজড  » «   গোলাম কিবরিয়া  : সংগ্রামেই যিনি সাফল্যের উচ্চশিখরে  » «   ফুডেক্স সৌদি মেলায় বাংলাদেশি খাদ্য পন্য নিয়ে চার বৃহৎ কোম্পানি  » «   দশ বছর পর রোমে ইতালী আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত  » «   বিশ্বনেতারা রানির শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে যাবেন বাসে চড়ে  » «  
সাবস্ক্রাইব করুন
পেইজে লাইক দিন


সংকট বাংলাদেশের, উদ্বেগ মার্কিন কংগ্রেসের 



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

 

বিদেশে বাংলাদেশের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবীটা এখনও উচ্চারিত হয় মাঝে মাঝে। বেশ ক‘বছর আগে থেকেই বিশেষত ব্রিটেনে এ দাবীটা উচ্চারিত  এবং সভায়-সমাবেশে প্রায়ই উচ্চারিত হতো একথাটি। অনেকেই বলতেন, বিদেশে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর অস্তিত্ব থাকার প্রয়োজন নেই। কমিউনিটির কোন কোন আলোচনায় এটি  এক সামাজিক শ্লোগান ছিল। কিছুটা যুক্তিও যে নেই তা নয়, কারণ  রাজনীতির নাম নিয়ে এখনও কতিপয় কর্মকান্ড সংঘঠিত হয়, যাতে স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার জড়াতে হয়। কিন্তু বাংলাদেশী রাজনীতি একেবারে বন্ধ হয়ে যাওয়াটা কোনভাবেই সম্ভব নয়। কারণ বাংলাদেশের রাজনীতির অনেক গুটি চালাচালি কিন্তু লন্ডন-আমেরিকা কানেকশনে হয়ে থাকে।

 কিন্তু গত প্রায় এক দশক আগে রাষ্ট্র হুট করে এই শ্লোগানটি লুফে নেয়। বিগত তত্তাবধায়ক সরকারের আমলে এই দাবীটা যাচাই বাছাই না করে এক ধরণের হটকারিতার মধ্য দিয়ে তারা ‘দলীয় শাখা‘ না রাখার রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয়। এ সিদ্ধান্তে হাততালি হয়তো পেয়েছিলো সে সরকার, কিন্তু কোন প্রকার হোমওয়ার্ক না করে ক্ষমতা দিয়ে কোন কিছু করলেই তা বাস্তবায়িত হয় না।  সরকার বিদেশে বাংলাদেশীদের দলীয় রাজনীতি নিষিদ্ধ করে। অত্যন্ত ভাল কথা। কিন্তু বিদেশে দলীয় রাজনীতি কি বন্ধ হয়েছে ? বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি তো এতে কোন গুরুত্বই দেয় নি। তারা স্বনামে তাদের দলের কার্যক্রম চালাচ্ছে। ব্রিটেনে তারা মিছিল-মিটিং-প্রতিরোধ এমনকি সন্ত্রাস পর্যন্ত চালাচ্ছে ঐ নাম নিয়েই। তারা লন্ডনের দূতাবাসে বঙ্গবন্ধুর ছবি অবমাননা করেছে আনুষ্ঠানিকভাবে, মন্ত্রীকে অপদস্থ করেছে তাদের দলীয় ব্যনার ব্যবহার করেই।

আওয়ামী লীগ যদিও তাদের দলীয় ব্যানার নামিয়ে নিয়েছে, কিন্তু কার্যক্রম চলছে আগের মতোই। শুধু নামটা পরিবর্তিত হয়েছে। যেমন তারা এখন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ লেখার পরিবর্তে লিখে ‘যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ’ এবং ব্রিটেনে কার্যক্রম চালানো অর্ধশতাধিক যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের শাখা-প্রশাখাগুলোতে  লেখা হয় যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ অমুক – তমুক শাখা। মোটামোটি একটা শক্ত অবস্থানেই আছে আওয়ামী লীগ ব্রিটেনে। জামায়াতে ইসলামী অত্যন্ত চতুর পদ্ধতিতে তাদের কার্যক্রম তাদের সংগঠনের নামে চালায় না। যদিও তাদের অবস্থানও এখানে বিস্তৃত। বলতে হবে তাদের কার্যক্রমে বাংলাদেশী মৌলবাদী শক্তি এখানে ভিত পেয়েছে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির দূর্বলতা এবং অসংগঠিত প্রচারণায় ভিন্ন নামে তারা সংগঠিত হয়েছে দিনের পর দিন। এমনকি সামাজিক কিংবা ধর্মীয় নাম নিয়ে এরা স্থানীয় সরকার থেকে অনুদান পর্যন্ত পাচ্ছে। এই অপশক্তির পথ ধরেই এই ব্রিটেনে আরও একটা কট্টর মৌলবাদী শক্তির উত্থান হয়েছে । বাংলাদেশের মতোই এদেরও সহায়তা দিয়ে থাকেন  স্বাধীনতার পক্ষের দলের কতিপয় নেতা-সমর্থক। কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলার এই তত্ত তারা  ব্যবহার করছেন।

কিন্তু কার্যত দেখা যাচ্ছে, পীর-দরবেশদের নাম নিয়ে এরাও এদেশে বিরাট অংকের অর্থের পাহাড় গড়ছে। এমনকি এই জামাতী কায়দায়ই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলছে। সত্যি কথা বলতে কি, জাতীয় শিক্ষাক্রমকে অনুসরণ করেই এদের দু গ্রুপই  ধর্মীয় আবরণ দিয়ে কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালাচ্ছে এবং এক ধরনের তত্ত্ব ঢুকিয়ে দিচ্ছে  শিক্ষার্থীদের মাথায়-মগজে। ব্রিটেনের সামাজিক তথা বহুজাতির দেশে এই ধর্মীয় মৌলবাদটি পোক্ত হচ্ছে  এবং প্রকারান্তরে বহুজাতিক সমাজব্যস্থায় এ ব্যাপারটা প্রচারও পাচ্ছে।

বাংলাদেশে যখন মৌলবাদী শক্তির উত্থানের কথা উচ্চারিত হয়, তখন রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে খুব একটা গুরুত্ব আসে না। শুধু জামায়াতে ইসলামীকেই তখন মৌলবাদী কিংবা জঙ্গীদের সাথে সম্পৃক্ত হিসেবে দেখানোর চেষ্টা চলে। নিঃসন্দেহে এটা বলতে বাধা নেই এবং এটাই সত্যি যে, বাংলাদেশের রাজনীতি এমনকি আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থায় জামাতীরা নিজেদের একটা অবস্থান তৈরী করতে পেরেছে। এবং এটাও সত্যি যে, এই জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী। দলটির নেতারা যুদ্ধাপরাধ  করেছে এবং দলের তৎকালীন কর্মীদের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে জনমত গড়তে, শান্তি কমিটি বানিয়ে বাঙালী সশস্ত্র সংগ্রামের বিরুদ্ধে এদের ব্যবহারও করেছে,বাঙ্গালী নিধন করেছে। আমরা বলতেই পারি, এরা যুদ্ধাপরাধের সাথে জড়িত ছিল। তাই শাস্তিও হয়েছে, তাদেরই নেতাদের। স্বাধীনতার পক্ষের মানুষগুলোর বহুদিনের কাংখিত দাবী ছিল সংগঠনটি নিষিদ্ধ করার। এই দাবীটা পূরণ হয়েছে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই। জামায়াতে ইসলামী নামের কোন সংগঠন এখন নির্বাচন কমিশনের খাতায় নেই।

কিন্তু কার্যত জামায়াত ইসলাম  কি দেশে নেই ? সভায়-সমাবেশে সেই আগের মতো এই সংগঠনটির নাম উচ্চারিত হয়, হচ্ছে। বরং আরও বেশীই উচ্চারিত হচ্ছে। দল-জোটের পক্ষ থেকে এ সংগঠনটির নাম আসছে। আমরা দেখছি ,এরা জন-সম্পৃক্ততার বাইরে যায় নি। এমনকি ঐক্যফ্রন্টের বাঘা বাঘা নেতা জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত যাদের নাম, তাদের চেয়ে অনেক বেশী ঐ জামাতী ঘরানার অনেকেই জনগণের সাথে সম্পৃক্ত এবং দুঃখজনকভাবে ভোটের রাজনীতিতে একটা শক্ত অবস্থানেও। কারণ এই দল অর্থাৎ জামাতে ইসলামীর নাম নিয়ে আগে যারা রাজনীতি করতেন,  এবারেও তাদের অনেকেই  নির্বাচনে দাঁড়াবে। দেখা যাচ্ছে সেই বিএনপি-জামাত পুরনো ঐক্যজোটের মত জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট থেকে তারাও এবারে নির্বাচন করবে। অর্থাৎ সোজা কথায় বলা যায়, রাজনীতি থেকে তাদের নির্বাসন দেয়া যায় নি।

অন্যদিকে মহাজোটেও কিছু কিছু ইসলামী দল জড়িয়ে গেছে, দলগতভাবে যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ আসে নি। তবে এই দলগুলোর নেতা-কর্মী অনেকেরই ঐ অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্টতা বার বার উচ্চারিত হচ্ছে। এই দলগুলোর অনেকেরই নাম বার বার সভায় সমাবেশে বিভিন্নভাবে উচ্চারিত হয়েছেও, যারা উগ্র এবং রাষ্ট্রের স্থিতশীলতার প্রতি হুমকীস্বরুপ ছিল। এই উগ্র মৌলবাদীরা রাষ্ট্রীয়ভাবেই এখনও আশকারা পাচ্ছে কোন না কোন কারণে, হয়ত ভোটের মাঠে এদের এড়িয়ে যাওয়া যাবে না তাই। কিন্তু শংকার ব্যাপার হলো, এক উগ্রদের হটিয়ে দিয়ে অন্য গ্রুপ আশকারা পেলে মৌলবাদ প্রতিষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত হয়ে যাবে।

অত্যন্ত স্পর্ধার সাথে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম আন্তর্জাতিকভাবেও উঠে আসছে আজ-কাল। বলা হচ্ছে, বিশ্বের কয়েকজন রাষ্ট্রনায়কদের মাঝে তিনি একজন। দশ বছরে তিনি বদলে দিয়েছেন অনেক কিছু। কিছু কিছু রাষ্ট্র, যেগুলোকে আগে সমীহ করে চলতে হতো, যে ইসলামী রাষ্ট্রগুলোর কারণে ইসলামী দলগুলোর কাছে কিছুটা হলেও ভীতু থাকতে হতো,সেই সমীহ কিংবা ভীত হবার পরিবেশ এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নেই। যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসী দেয়াই তার একটা উৎকৃষ্ট উদাহরণ। কারণ বিদেশী চাপকে তোড়াই কেয়ার করে তিনি এসব করতে পেরেছেন। ভারততো বটেই, চীন-রাশিয়ার সাথে সম্পর্কের উন্নয়ন বিশ্ব রাজনীতিতে তাঁর যে একধরণের চমক  তা বলতেই হবে। যুক্তরাষ্ট্র কিংবা ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন নির্বাচন নিয়ে খুব একটা উচ্চাবাচ্য করছে না। তবে তারাও সুষ্ট নির্বাচনের জন্য আহবান জানাচ্ছে।

৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন হবে। নির্বাচনী ঢামাডোলে আছে এখন গোটা দেশ। ঠিক এসময়ে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে বাংলাদেশ নিয়ে কিছুটা শংকা প্রকাশ করেছে। এই শংকা মৌলবাদী দলগুলো নিয়ে। তারা প্রস্তাব এনেছে, বলছে বাংলাদেশে মৌলবাদী দলগুলোর উত্থান গণতন্ত্রের যাত্রায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে, সাম্প্রদায়িকতা উস্কে দেবে অর্থাৎ ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশের যাত্রাপথে এই মৌলবাদী উগ্র অপশক্তি একটা বিরাট দেয়াল হয়ে দাঁড়তে পারে। এই প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী শুধু মৌলবাদী জামাত নয়, এদের সাথে হেফাজতের নাম উঠে এসেছে। এই সরকারের আমলেও সংখ্যালঘুরা বিভিন্ন জায়গায় নিগৃহিত হয়েছে। দেখা গেছে ,প্রভাবশালী কিছু গুষ্টি নিজস্ব স্বার্থসিদ্ধির জন্য এসময় এদেরকে ব্যবহার করেছে, কোন কোন জায়গায় এরাই প্রত্যক্ষভাবে এসবে জড়িয়ে আছে।

ধর্মীয় অনুভুতিকে ব্যবহার করে  এই মৌলবাদী শক্তি যে গণতন্ত্রের প্রতি হুমকিস্বরুপ, এবং কত যে হিংস্র হতে পারে, তাতো আবারও প্রমাণ হলো ১ ডিসেম্বর । তারা তাদের প্রয়োজনে জামাত-বিএনপি‘র সাথে সংশ্লিষ্ট হয়ে ৫ মে ঢাকা অবরোধ করে শুধু যে শেখ হাসিনার সরকার পতনেরই ডাক দিয়েছিলো তা নয়, ধর্মের নাম নিয়ে নিজেদের মাঝে খুনোখুনি করতেও যে পিছপা হয় না তারই প্রমাণ গত শনিবারের ভয়াবহ সন্ত্রাস। তাবলীগ নিয়ে মতদ্বৈততায় যে নৃশংসতা কিংবা তান্ডব চালালো, তাতে, তারা ধর্মকেই প্রশ্নবিদ্ধ  করেছে। দেশ আর গণতন্ত্রের স্থিতিশীলতার পথে এ-ও এক হুমকীস্বরুপ।   চরমপন্থী কিংবা উগ্র অপশক্তির কথাটা আমাদের রাষ্ট্রযন্ত্র থেকে শুরু করে প্রগতিশীল দলগুলোও উচ্চারণ করে। এবং এটা বাংলাদেশের রাজনীতিতে একধরণের সংকটও। এ সংকট আছে পাকিস্থানে, এ সংকট আছে ভারতে। এবং দুটো দেশে আছে প্রবলভাবে। পার্শ্ববর্তী এ দুটো দেশের মৌলবাদ নির্ভরতা দেখলে আমরা অবশ্যই দৃঢ়ভাবে বলতে পারি, বাংলাদেশ আপাদমস্থক  অসাম্প্রদায়িক চেতনায় লালিত একটা দেশ। বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ট মানুষ এই চেতনায় বিশ্বাস করে। আর তাই মার্কিন কংগ্রেসের শংকার কারণে নয়, আমাদের চেতনাগত দিক বিবেচনায় রেখে এবং ধর্মীয় মূল্যবোধকে গুরুত্ব দিয়েই বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে উগ্র সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে।

ফারুক যোশী : কলামিস্ট, প্রধান সম্পাদক; ৫২বাংলাটিভি ডট কম।


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

"এই বিভাগে প্রকাশিত মতামত ও লেখার দায় লেখকের একান্তই নিজস্ব " -সম্পাদক

,সাংবাদিক, কলামিস্ট
ফারুক যোশী; কলামিস্ট, প্রধান সম্পাদক; ৫২বাংলাটিভিডটকম
লেখকের অন্যান্য পোষ্ট