ঢাকা ১ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
ঢাকা ১ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

ইয়ামাল ৬-০ এমবাপে

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩০ পিএম

ইয়ামাল ৬-০ এমবাপে
ইয়ামাল ও এমবাপে

বর্তমান সময়ের সেরা ফুটবল তারকাদের তালিকায় কিলিয়ান এমবাপে ও লামিন ইয়ামাল নিঃসন্দেহে শীর্ষস্থানে থাকবেন। ফ্রান্সের ২৭ বছর বয়সী স্ট্রাইকার এমবাপে ইতোমধ্যেই বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেয়েছেন, অন্যদিকে স্পেনের ১৯ বছর বয়সী উইঙ্গার ইয়ামাল রয়েছেন এই কাঙ্ক্ষিত শিরোপা জয়ের এক ধাপ দূরে। তবে একটি পরিসংখ্যান তাদের মধ্যে পার্থক্যকে চমকপ্রদভাবে সামনে এনে দিয়েছে।

ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে এখন পর্যন্ত নকআউট (হারলেই বিদায় বা শিরোপা হারানোর) ম্যাচে ছয়বার মুখোমুখি হয়েছেন এমবাপে ও ইয়ামাল। আশ্চর্যের বিষয়, একবারও জয় পাননি এমবাপে। প্রতিবারই জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন ইয়ামাল। সর্বশেষ এই জয়টি এসেছে মঙ্গলবার রাতে ২০২৬ বিশ্বকাপের মঞ্চে। ডালাসে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে ১৬ বছর পর ফাইনালে ওঠে স্পেন। ম্যাচে এমবাপে ছিলেন নিষ্প্রভ, অন্যদিকে উজ্জ্বল ইয়ামাল পেনাল্টি আদায় করে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

দুজনই নিজ নিজ দলের আক্রমণের মূল ভরসা। তাদের প্রথম মুখোমুখি দেখা হয়েছিল ২০২৪ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে, যেখানে স্পেন ২-১ গোলে ফ্রান্সকে হারায়। সেই ম্যাচে স্পেনের হয়ে প্রথম গোলটি করেছিলেন ইয়ামাল। এরপর গত বছর আবারও আন্তর্জাতিক মঞ্চে মুখোমুখি হন তারা। UEFA Nations League-এর উত্তেজনাপূর্ণ সেমিফাইনালে গোলের বন্যা বয়ে যায়, তবে শেষ পর্যন্ত ৫-৪ ব্যবধানে জয় পায় স্পেন। ওই ম্যাচে ইয়ামাল জোড়া গোল করেন, এমবাপে করেন একটি।

গত বছর ক্লাব ফুটবলেও দুবার নকআউট ম্যাচে দেখা হয় তাদের। স্প্যানিশ সুপার কাপের ফাইনালে ইয়ামালের বার্সেলোনা ৫-২ গোলে এমবাপের রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে শিরোপা জেতে। সে ম্যাচে দুজনই একটি করে গোল করেন। পরে কোপা দেল রের ফাইনালে, যা অতিরিক্ত সময়ে গড়ায়, ৩-২ ব্যবধানে জয় পায় বার্সেলোনা। সেখানে এমবাপে গোল করলেও ইয়ামাল গোল পাননি।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে আবারও স্প্যানিশ সুপার কাপের ফাইনালে মুখোমুখি হন তারা। সেই ম্যাচে বার্সেলোনা ৩-২ গোলে জয় পেলেও দুজনের কেউই গোলের দেখা পাননি। সবশেষে বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে দাপুটে পারফরম্যান্স দেখিয়ে এমবাপের বিপক্ষে নকআউট ম্যাচে নিজের জয়সংখ্যা ছয়ে উন্নীত করেন ইয়ামাল।

তবে ইয়ামালের মতো একজন ফুটবলার একাই এমবাপের মতো তারকাকে হারিয়ে দিচ্ছেন— এমনটা বলা অতিসরলীকরণ হবে। কারণ, ফুটবল মূলত দলগত খেলা, যেখানে ব্যক্তির চেয়ে দলীয় পারফরম্যান্সই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তবুও এই পরিসংখ্যান নিঃসন্দেহে বিস্ময় জাগানিয়া।