চলতি বছরের জুলাই থেকে বিভিন্ন কারণে প্রায় ৪ হাজার ৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। এতে দেশটিতে থাকা প্রবাসী কর্মীরা অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর এ কথা জানান।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনাকালে তিনি বলেন, “অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা-সংক্রান্ত উদ্বেগের কারণে ইউএই এসব ভিসা বাতিল করছে। তবে বাংলাদেশ আমিরাতের কর্তৃপক্ষকে সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনা এবং প্রতিটি মামলা আলাদাভাবে পর্যালোচনার অনুরোধ জানিয়েছে।”
নুরুল হক নুর জানান, পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার ফলে জানতে পেরেছেন, বাতিল হওয়া ভিসার সংখ্যা এখন প্রায় ৪ হাজার ৮০০ টিতে দাঁড়িয়েছে।
তিনি বলেন, “দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের দিক থেকে বাংলাদেশ প্রথমে জানতে চেয়েছে, কেন এসব ভিসা বাতিল করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বিষয়টি এভাবে এগিয়ে না নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে।”
ভিসা বাতিল হওয়া ব্যক্তিদের বিষয়গুলো পুনরায় পরীক্ষা করার জন্যও ইউএই সরকারের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
অনিশ্চয়তায় ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশিরা
এদিকে ভিসা বাতিলের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে যারা সংযুক্ত আরব আমিরাতে চাকরি ও বসবাস চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা করছেন, তাদের মধ্যে বেশি উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
জুলাই থেকে বিভিন্ন কারণে এসব ভিসা বাতিলের ঘটনা ঘটছে বলে জানা গেছে। এ ক্ষেত্রে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কর্তৃপক্ষ অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা-সংক্রান্ত উদ্বেগের কথা জানিয়েছে।