গোলাপগঞ্জে (সিলেট) বীর মুক্তিযোদ্ধা তাহের আলী বীর বিক্রম এর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার বাদ আসর উপজেলার ফুলবাড়ী কিসমত মাইজভাগে জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়। জানাযা পূর্বে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, উপজেলা প্রশাসন, গোলাপগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও থানা পুলিশের একটি চৌকশ দল রাষ্ট্রীয় সম্মান গার্ড অব অনার প্রদান করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন গোলাপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ গোলাম কবির, সহকারী কমিশনার (ভূমি) অনুপমা দাস, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নুরুল হক, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার আলহাজ্ব শফিকুর রহমান প্রমুখ।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় বার্ধক্যজনিত কারনে তিনি সিলেটের একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছেল ৭৬বছর। তিনি স্ত্রী, ১ছেলে ও ৩মেয়ে সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
বীর বিক্রম অনারারী ক্যাপ্টেন তাহের আলী গোলাপগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ী ইউনিয়নের মাইজভাগ গ্রামে ১৯৪৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম মোঃ শেখ আবরু মিয়া ও মাতা হুছনে আরা বেগম।
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তাহের আলী ১নং সেক্টরের অধীনে ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে একজন হাবিলদার হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। অনারারি ক্যাপ্টেন তাহের আলী (বীর বিক্রম) ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসে তৎকালীন মেজর মীর শওকত আলীর নেতৃত্বে ক্যাপ্টেন খালেকুজ্জামান চৌধুরী, শহীদ ক্যাপ্টেন আপ্তাব কাদের, ক্যাপ্টেন মাফুজ আহমদ, সুবেদার আব্দুল মোতালেব ও নায়েক সুবেদার খয়রুল আলমসহ প্রায় ৩‘শ সৈনিকের সাথে মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনে ঝাঁপিয়ে পড়েন। তিনি মহালছড়ি, বাঘছড়ি, বুড়িঘাটসহ পার্বত্য রাঙ্গামাটির বিভিন্ন রণাঙ্গনে সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নেন। অনারারি ক্যাপ্টেন তাহের আলীকে মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য ১৯৭৩ সালে ‘বীর বিক্রম’ উপাধিতে ভূষিত হন।
-
মাজারে কড়াকড়ির পরই প্রত্যাহার সিলেট ডিসি সারওয়ার আলম, প্রবাসী অঙ্গনে প্রতিক্রিয়া
-
সিলেটে মাজারে মদ-গাঁজার আসর বন্ধে কঠোর নির্দেশ ডিসি সারওয়ারের
-
সিলেটে হামে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ২৬১, মোট মৃত্যু ৭২
-
সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত ৪১% বেড়েছে: কীভাবে বাড়ল, এখন কারা জমাচ্ছে?
-
রাউজানে প্রকাশ্যে যুবদল নেতা হত্যা : প্রকাশ্যে অস্ত্রধারীরাও ধরা পড়ছে না
আরও পড়ুন: