শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
লন্ডনবাসী প্রবীণ মুরব্বী জমির উদ্দিন( টেনাই মিয়া)র ইন্তেকাল  » «   কবি সংগঠক ফারুক আহমেদ রনির পিতা মুমিন উদ্দীনের ইন্তেকাল  » «   একসেস ট্যু জাস্টিস নিশ্চিত করা আইনের শাসনের প্রধান স্তম্ভ  » «   বৃহত্তর সিলেট এডুকেশন ট্রাস্টের নির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত  » «   বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে প্যালেষ্টাইনের জনগণের প্রতি উৎসর্গ করে লন্ডনে সমাবেশ  » «   এডভোকেট মোহাম্মদ আব্বাছ উদ্দিন যুক্তরাজ্যে আসছেন  » «   হিলালপুর গ্রামে সড়ক বাতি উদ্বোধন  » «   বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সমিতি ইউকের কার্যকরী কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত  » «   পূর্ব মুড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসিপরীক্ষার্থীদের মধ্যে পরীক্ষা উপকরণ বিতরণ  » «   গুচ্ছ কবিতা ।। আতাউর রহমান মিলাদ  » «   ব্রিটেনের রাজা চার্লস ক্যান্সারে আক্রান্ত  » «   গুচ্ছ কবিতা ।। আবু মকসুদ  » «   মোহাম্মদ এমদাদুল হক চৌধুরী : শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা  » «   ‘এখন হয়েছে উল্টো, পুরুষরা বাজারে এসে খাই, পরে পরিবারের জন্য কিনে নিয়ে যাই‘!  » «   বিশ্বনাথে ১৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছে ব্যারিস্টার নাজির আহমদ ফাউন্ডেশন  » «  
সাবস্ক্রাইব করুন
পেইজে লাইক দিন

ট্রেন্ট ব্রিজে ফের বাংলাদেশের স্বীকৃতি



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্রেন্ট ব্রিজে টাইগারের গর্জে উঠা দেখেছে লাখো-কোটি ক্রিকেটপ্রেমী। মেনে নিতে হয়, এটা একটা পরাজয় ছিল যদিও, কিন্তু সারা ট্রেন্ট ব্রিজ যেন গর্জে উঠেছিল বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের সময়। এমনিতেই গ্যালারিতে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের সময় বাঙালি দর্শক ছাড়া আর কাউকে খুব একটা দেখা যায়নি। সে সময় ৯৫ শতাংশই ছিল টাইগার সমর্থক। সৌম্য সরকারের বোলিং আর উইকেট ধরাশয়ীর মধ্য দিয়ে ক্রমেই প্রাণ ফিরে পাচ্ছিল টাইগাররা। পরবর্তীতে মুশফিকুর রহিম, মাহমুদুল্লা, তামিম ইকবালের অনবদ্য ব্যাটিংয়ে গর্জন উঠে সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো দুলতে থাকে ট্রেন্ট ব্রিজের গ্যালারি। সেই ঢেউয়ের ধ্বনি-প্রতিধ্বনিত হয়েছে গতকাল লিডসে শ্রীলংকা-ইংল্যান্ডের খেলায়ও। এমনকি হেডিংলি কার্নেগি স্টেডিয়ামে কমেন্টেটর আগের দিনের খেলার প্রসঙ্গ টেনে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশি দর্শকরা ট্রেন্ট ব্রিজ আলোকিত করে রাখছিল কাল।

২০ জুন বাংলা আর বাঙালি ঐতিহ্যের নানা বর্ণের কস্টিউমে সারাটি স্টেডিয়াম ছিল রঙিন। ছিল লাল সবুজের ছড়াছড়ি। বাঘের কস্টিউম পরা মানুষগুলো দেখে মনে হয়েছে গ্যালারিতে যেন বাঘ ঘুরে বেড়াচ্ছে। বাংলাদেশের খেলার চিরাচরিত এ কস্টিউম জানিয়ে দেয়, খেলছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া খেলা চলাকালীন যেমন ট্রেন্ট ব্রিজ ছিল বাংলাদেশি দর্শকদের দখলে, ঠিক তেমনি সেদিন যেন অফিসিয়াল রিকগনিশনটা এলো বাংলাদেশি দর্শকদের কাছেই। মোহাম্মদ আজাদ নর্থ ওয়েস্ট ইংল্যান্ডের এক পরিচিত সাংস্কৃতিক কর্মী। বাংলাদেশ দলের সমর্থক হয়ে তিনিও ছিলেন ট্রেন্ট ব্রিজ স্টেডিয়ামে। তার বন্ধুদের সঙ্গে তিনি চিৎকার করছিলেন ‘বাংলাদেশ বাংলাদেশ’ শ্লােগানে, গাইছিলেন গান। তার পরনে ছিল বাঘের কস্টিউম। আপাদমস্তক বাঘের সাজে সাজা আজাদের উজ্জীবিত করা শ্লােগান আইসিসির ট্রেন্ট ব্রিজের কর্মকর্তাদের চোখ কাড়ে। তারা গ্যালারিতে গিয়ে তাকে আমন্ত্রণ জানান। তারপর তাকে তারা এ খেলার সেরা দর্শক হিসেবে ঘোষণা করেন।

গ্যালারির হাজার হাজার দর্শক করতালিতে তখন শুধু তাকে নয়, যেন বাংলাদেশকেই স্বাগত জানাল। পৃথিবীর লাখো-কোটি দর্শক এই মুহূর্তটি উপভোগ করে। সম্মানসূচক তাকে প্রদান করা হয় অফিসিয়াল মার্চেন্ডাইসের ৫০ পাউন্ডের ভাউচার। বিশ্বকাপ খেলা চলাকালীন এটা ছিল আইসিসির পক্ষ থেকে বাংলাদেশিদের জন্য এ রকম দ্বিতীয় স্বীকৃতি। শুধু বাংলা আর বাঙালির ঐতিহ্য প্রদর্শনের কারণেই গ্যালারিতে এ স্বীকৃতি আসে।


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন