মঙ্গলবার, ২০ অগাস্ট ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বার্মিংহামে কসবা-খাসা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকে’র প্রীতি সমাবেশ  » «   কাতালোনীয়া সান্তা কলমা আওয়ামী লীগের জাতীয় শোক দিবস পালন  » «   পর্তুগাল আওয়ামী লীগের জাতীয় শোক দিবস  » «   মদিনায় বাস দূর্ঘটনায় নিখোঁজ ১ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে  » «   স্পেন ছাত্রলীগ জাতীয় শোক দিবস পালন করেছে  » «   খায়রুল আনামের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  » «   মনসা পূজোর জন্যে আবার প্রস্তুত সিকদার বাড়ি  » «   স্পেনে জাতীয় শোক দিবস পালন করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস  » «   মিলান কনস্যুলেটে জাতীয় শোক দিবস পালন  » «   লন্ডনে মুক্তিযুদ্ধ গবেষক তাজুল মোহাম্মদের সাথে অন্তরঙ্গ আড্ডা  » «   সৌদি আরবে জাতীয় শোক দিবস পালিত  » «   সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি হাজি নিহত  » «   সৌদির তেল স্থাপনায় ভয়াবহ হামলা  » «   বাংলাদেশ কনসুলেট জেদ্দার শোকদিবস পালন  » «   জেদ্দা ইংরেজি মাধ্যমে স্কুলে ৪৪তম “জাতীয় শোক দিবস” পালন করেছে।  » «  

কোমল পানীয়তে ক্যান্সার সহ মৃত্যুঝুকি



প্রচণ্ড গরমে আমরা শরীরকে চাঙ্গা করতে কোমল পানীয় খেয়ে থাকি। প্রায় সব বয়সী মানুষের কাছে এই কোমল পানীয় খুবই জনপ্রিয়। কোমল পানীয় পান করা বর্তমান সময়ে সবার কাছেই স্বভাবে পরিণত হয়েছে। আর এই স্বভাব ডেকে আনছে মারাত্মক সব বিপদ।চিনি দিয়ে বা কৃত্রিম মিষ্টি দিয়ে তৈরি কোমল পানীয় আগাম মৃত্যুর ঝুঁকি অনেক বাড়িয়ে দিচ্ছে। কারণ এসব খাবারের কারণে হৃদরোগ এবং কয়েক ধরণের ক্যান্সারের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।

হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির টিএইচ চ্যান স্কুল অব পাবলিক হেলথ পরিচালিত নতুন একটি গবেষণায় এ তথ্য বেরিয়ে আসে।
গত ৩০ বছর ধরে চালানো গবেষণাটির ফলাফল গতমাসে প্রকাশিত হয়। সারা বিশ্বের ৩৭ হাজার পুরুষ এবং ৮০ হাজার নারীর ওপর ওই গবেষণাটি পরিচালিত হয়।

এতে দেখা গেছে, চিনি দিয়ে তৈরি কোমল পানীয় পানের কারণে অন্য কোন কারণ ছাড়াই তাদের আগাম মৃত্যুর ঝুঁকি বেড়ে গেছে।কোমল পানীয় খাওয়ার এই অভ্যাস বিভিন্ন রোগ ডেকে আনতে পারে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

কোমল পানীয়তে কেন বিপদ

পুষ্টিবিদদের হিসাব অনুযায়ী, একটি ৩৩০ গ্রাম কোমল পানীয়র বোতলে প্রায় ১০ শতাংশ জুড়ে থাকে শর্করা ও ক্যাফেইন। এর জেরে ওবেসিটি, টাইপ ২ ডায়াবিটিস ও মানসিক অস্থিরতার সমস্যা তৈরি হতে পারে।
নতুন এই সমীক্ষায় কোমল পানীয় নিয়ে যে তথ্য উঠে এসেছে তা রীতিমত আঁতকে ওঠার মতো।

‘আমেরিকান হার্ট অ্যাসোশিয়েশন’-এর নতুন সমীক্ষা থেকে জানা গেছে, ১৮ থেকে ৪০ বছর বয়সি ৩৪ জন সুস্থ মানুষের ওপর তিন দিন গবেষণা চালানো হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন এক লিটার বা তার বেশি এই ধরনের পানীয় খেলে সুস্থ মানুষের যে রক্তচাপ থাকে, তার চেয়ে অনেক বেশি বেড়ে যায়। এছাড়া হৃদস্পন্দনের গতিও স্বাভাবিক থাকে না।   প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসির অধ্যাপক সচিন এ শাহ তাঁর এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, শুধু ক্যাফেইন নয়, এই ধরনের পানীয়তে টাওরিন (এক ধরনের অ্যামিনো অ্যাসিড),গ্লুকুরোনোল্যাকটোন জাতীয় বহুবিধ উপাদান থাকে। তাই এই পানীয় যত কম পান করা যায় ততই শরীরের জন্য ভালো।