বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
কেসি সলিসিটর্সের দশক পূর্তি উদযাপন  » «   বঙ্গবন্ধু স্কলারশিপ আন্তর্জাতিক অঙ্গণে বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রতিচ্ছবি  » «   লীলা নাগের স্মৃতি রক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উদ্যোগ নেবে  » «   ফুসফুস-ক্যান্সার পরীক্ষার জন্য মাইল এন্ড লেজার সেন্টারে স্থাপন করা হচ্ছে বিশেষ ‘স্ক্রিনিং মেশিন’  » «   অলি-মিঠু-টিপু প্যানেলের পরিচিতি ও ইশতেহার ঘোষণা  » «   ২০ নভেম্বর লন্ডনের রয়েল রিজেন্সিতে ৫ম বেঙ্গলী ওয়েডিং ফেয়ার  » «   একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির যুক্তরাজ্য শাখা গঠিত  » «   টি আলী স্যার ফাউন্ডেশন সম্মাননা পেলেন সিলেটের ২৪গুণী শিক্ষক  » «   নওয়াগ্রাম প্রগতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফুল, ফল ও ঔষধি বৃক্ষরোপণ  » «   আলোকিত মানুষ শিক্ষক মো. সমছুল ইসলাম এর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী  » «   সিলেটের বিয়ানীবাজারে একটি পরিত্যক্ত কূপে তাজা গ্যাসের মজুদ আবিষ্কৃত  » «   বাংলাদেশী কারী  ব্রিটেনের প্রবৃত্তি ও খাবার সংস্কৃতিতে অনন্য  অবদান রাখছে  » «   পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় নারীবাদের প্রতিবন্ধকতা  » «   রিষি সুনাক এশিয়ান বংশদ্ভোত, কনজারভেটিভ এবং ধনীদের বন্ধু  » «   গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাব নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারীদের ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহবান  » «  
সাবস্ক্রাইব করুন
পেইজে লাইক দিন


বিয়ানীবাজারের পূর্ব মুড়িয়ার নওয়াগ্ৰামে হচ্ছে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত হাট



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

সিলেট বিয়ানীবাজার উপজেলার মুড়িয়া ইউনিয়নের পূর্ব মুড়িয়ার নওয়াগ্রামে সীমান্ত হাটের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করেছেন সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী।

২৫ জুন মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় সিলেট জেলা প্রশাসক এম. কাজী এমদাদুল ইসলাম ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ৫২ ব্যাটালিয়ন’র অধিনায়ক ফয়েজ আহমদকে সাথে সীমান্ত হাটের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শনকালে স্থানীয় এলাকাবাসীর সাথে মতবিনিময় করেন।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিয়ানীবাজার পৌরসভার মেয়র মো. আব্দুস শুকুর, বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী আরিফুর রহমান, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) জেসমিন আক্তার, বিজিবি সীমান্তবর্তী নওয়াগ্রাম ফাঁড়ির ইনচার্জ লায়েক সুবেদার জাকির হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা সেলিম উদ্দিন আহমদ, উপজেলা জাতীয় পার্টির নেতা ফখরুল ইসলাম চৌধুরী, সাংবাদিক আহমদ রেজা চৌধুরী সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

প্রসঙ্গত বাংলাদেশ ও ভারত, দুদেশের পারস্পরিক সমঝোতায় সীমান্ত এলাকার মানুষের জন্য কয়েকটি সীমান্ত হাট চালু করা হয়। ২০১১ সাল থেকে এপর্যন্ত মোট চারটি সীমান্ত হাট চালু হয়েছে। যেখানে দুদেশের সীমান্ত এলাকার মানুষজন প্রতি সপ্তাহে অন্যদেশের পণ্য কেনার সুযোগ পান।

বর্তমানে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে মেঘালয়ের কালীচরণ ও বালাটে দুই সীমানা হাট অবস্থিত এবং ত্রিপুরার দুটি শ্রীনগর ও কমলসাগরে অবস্থিত।

ভারত সরকার এবং  বাংলাদেশ সরকার  ইতিমধ্যে ৬টি সীমান্তের হাট অনুমোদন করেছে; পাল্বস্তি ও কামালপুরে ত্রিপুরাতে দুটি এবং ভোলগঞ্জ, নলিকাটা, শিবাবাড়ী ও রায়ঙ্গ্কুতে মেঘালয়ে চারটি।

সীমান্ত হাটগুলোতে উভয় দেশের অভ্যন্তরে পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে বসবাসকারী অধিবাসীরা পণ্য বিক্রি করতে পারেন। প্রতি সপ্তাহে অন্তত একদিন এই হাট বসে। তবে হাট ব্যবস্থাপনা কমিটির অনুমতি সাপেক্ষে সপ্তাহে একাধিক দিনেও হাট বসতে পারে। উভয় দেশের ৫০ জন বিক্রেতা এই হাটে ব্যবসা পরিচালনা করেন। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে হাট ব্যবস্থাপনা কমিটি অনুমোদিত বিক্রেতাদের তালিকা সংরক্ষণ করেন।

হাটে উভয় দেশের দু‘পাশে দুটি প্রবেশ পথ থাকে। এছাড়া হাটের সীমানা কাটাতারের প্রাচীর দিয়ে সুরক্ষিত করা হয়। হাটের ক্রেতা-বিক্রেতাদের ছবি সম্বলিত পরিচয়পত্র বহন করতে হয়। সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক অনুমোদিত ফরম্যাটে পরিচয়পত্র ইস্যু করেন। সীমান্ত হাটে স্থানীয় মুদ্রায় অথবা বার্টার পদ্ধতিতে পণ্য বিনিময় করা হয়। সীমান্ত হাটে প্রত্যেক ক্রেতা প্রতি হাটে ২০০ ডলারের সমমূল্যের পণ্য স্থানীয় মুদ্রায় ক্রয় করতে পারেন।

স্থানীয় বাজারের মাধ্যমে স্থানীয় উৎপাদনের বিপণন প্রচলন পদ্ধতি প্রতিষ্ঠা করে দুই দেশের সীমান্তবর্তী দূরবর্তী অঞ্চলে বসবাসরত লোকেদের সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সীমান্ত হাট  চলে আসছে।

 

 

 

 

 

 


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন