সোমবার, ১৭ জুন ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ক্যারিবিয়দের বিপক্ষে বিশাল জয় নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের পঞ্চম স্থানে বাংলাদেশ  » «   রিয়াদে জালালাবাদ এসোসিয়েশনের অভিষেক ও ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত  » «   টাইগার ভক্তরা টনটনে নতুন আশায়  » «   সৌদিতে প্রতারণার নতুন ফাঁদ: ফ্রি ভিসাই কন্ট্রাক্ট ভিসা  » «   ফেনী পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হবে মোয়াজ্জেমকে  » «   মাদ্রিদে ভালিয়েন্তে বাংলা’র ঈদ পূনর্মিলনীতে প্রবাসীদের মিলনমেলা  » «   কুলাউড়ার এক ঝাঁক তরুণ অনলাইন এক্টিভিস্টদের আত্মপ্রকাশ  » «   ভারত-পাকিস্তান : সমর্থকদের উত্তেজনাও তুঙ্গে  » «   জিপিএ ৫ নয়, এবার হতে সিজিপিএ ৪  » «   আমিরাতে বাংলাদেশ বিজনেস ফেরামের ঈদ পুনর্মিলনী  » «   বৃষ্টিভেজা ক্রিকেট বিশ্বকাপ নিয়ে হাস্যরস  » «   ওসমানী হাসপাতাল থেকে হৃদরোগ চিকিৎসার যন্ত্র ফিরিয়ে নেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন  » «   স্কুলবাস সার্ভিস চালু করছে সিলেট সিটি করপোরেশন  » «   ব্রিটেনে রেষ্টুরেন্টে ওয়ার্ক পারর্মিটের সুযোগ এখনও সৃষ্টি হয়নি  » «   মোবাইলে ১০০ টাকার কথা বললে কর দিতে হবে ২৭ টাকা  » «  

ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে পাকিস্তানের শোচনীয় পরাজয়



পাকিস্তানের সাথে ‘অপ্রত্যাশিত’ শব্দটি যমজ ভাই এর মতো। ৩১ মে শুক্রবার বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে তারা এতটা ‘অপ্রত্যাশিত‘ হয়ে উঠবে, তা বোধ হয় ভাবেননি পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় সমালোচকও।

‘অপ্রত্যাশিত‘ কে সঙ্গি করে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে লজ্জার পরাজয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছে সরফরাজ আহমেদের দল।বিশ্বকাপে লড়াইটা প্রত্যাশিত। অথচ টেন্ট ব্রিজে শুক্রবারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে পাত্তাই পায়নি পাকিস্তান।

৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে ম্যাচটি তারা হেরেছে । ২১৮ বল হাতে রেখে জিতেছে ক্যারিবীয়রা। এ নিয়ে টানা ১১ ওয়ানডেতে হারের লজ্জা দেখলেন সরফরাজরা।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয় আসলে নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল এক ইনিংস শেষ হতেই। লক্ষ্য মাত্র ১০৬ রানের। ছোট লক্ষ্য পেরোতে খুব বেশি সময় নষ্ট করেনি জেসন হোল্ডারের দল। ১৩.৪ ওভারেই পেয়েছে জয়ের তুমুল স্বাদ।

এই ম্যাচে পাকিস্তানের যদি কিছুটা  প্রাপ্তি থাকে তা একমাত্র আমিরের ফর্মে  বোলিং। নিশ্চিত পরাজয়ের ম্যাচেও দলকে ভরসা দিয়েছেন শেষ মুহূর্তে বিশ্বকাপ দলে জায়গা করে নেয়া এই পেসার। ৬ ওভারে ২৬ রানের বিনিময়ে নিয়েছেন ৩টি উইকেট।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ক্যারিবীয় বোলারদের তোপে ২১.৪ ওভারেই ১০৫ রানে অলআউট হয়ে যায় পাকিস্তান। বলের হিসেবে এটাই বিশ্বকাপে পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় হার। এর আগে ১৯৯৯ বিশ্বকাপে ১৭৯ বল বাকি থাকতেই অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৮ উইকেটে হেরেছিল দলটি।

 

আর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১০৫ রানেই অলআউট হওয়া ইনিংসটা বিশ্বকাপ ইতিহাসে পাকিস্তানের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন সংগ্রহ। এর আগে ১৯৯২ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সবচেয়ে কম ৮৪ রানে অলআউট হয়েছিল তারা।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে হেরে আরেকটি রেকর্ড করেছে পাকিস্তান। আজ নিয়ে এখনো পর্যন্ত ওয়ানডেতে টানা ১১ টি ম্যাচে জয়ের দেখা পায়নি তারা। যেটা তাদের ইতিহাসে টানা ম্যাচ হারার রেকর্ড। এর আগে ১৯৮৭ সালের অক্টোবর থেকে ১৯৮৮ সালের মার্চ পর্যন্ত টানা ১০টি ম্যাচ হেরেছিল পাকিস্তান।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে অসেন থমাস ৪টি এবং জেসন হোল্ডার ৩টি করে উইকেট নেন।

অপরদিকে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ তাদের ব্যাটিং ইনিংস এ শুরুতেই সেই হোপ এবং ড্যারেন ব্রাভোর ইউকেট হারালেও নিকোলাস পুরাণ এবং ক্রিস গেইল এর বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে মাত্র ১৩ওভার ৪বলেই সহজে টার্গেটে পৌছে যায় ক্যারিবিয়রা।

ক্রিস গেইল ৩৪ বল খেলে ৫৪ রান এবং নিকোলাস পুরাণ ১৯ বল খেলে ৩৪ রানে অপরাজিত থাকেন। পাকিস্তানের হয়ে ৬ ওভার বল করে ৩টি উইকেটই নেন মোহাম্মাদ আমির।

সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ডঃ

টস : ওয়েস্ট ইন্ডিজ

পাকিস্তান : ১০৫/১০, ২১.৪ ওভার (বাবর আজম ২২, ফখর জামান ২২, ওয়াহাব রিয়াজ ১৮; ওসেন থমাস ৪/২৭, জেসন হোল্ডার ৩/৪২)

ওয়েস্ট ইন্ডিজ : ১০৮/৩, ১৩.৪ ওভার (ক্রিস গেইল ৫৪, নিকোলাস পুরাণ ৩৪; মোহাম্মাদ আমির ৩/২৬)

ফলাফল : ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৭ উইকেটে জয়ী।

ম্যাচ সেরা : ওসেন থমাস।

ক্রিকেট বিশ্বে ছক্কার রাজা গেইল

ক্রিকেট বিশ্বে ছক্কার ‘রাজা’ গেইল