শনিবার, ২ মার্চ ২০২৪ খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
টাওয়ার হ্যামলেটসের নতুন বাজেটে হাউজিং, শিক্ষা, অপরাধ দমন, তরুণ, বয়স্ক ও মহিলাদের জন্য বিশেষ কর্মসূচিতে বিপুল বিনিয়োগ প্রস্তাব  » «   আজীবন সম্মাননা পেলেন সৈয়দ আফসার উদ্দিন এমবিই  » «   লন্ডন বাংলা স্কুলের আয়োজনে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত  » «   লন্ডনবাসী প্রবীণ মুরব্বী জমির উদ্দিন( টেনাই মিয়া)র ইন্তেকাল  » «   কবি সংগঠক ফারুক আহমেদ রনির পিতা মুমিন উদ্দীনের ইন্তেকাল  » «   একসেস ট্যু জাস্টিস নিশ্চিত করা আইনের শাসনের প্রধান স্তম্ভ  » «   বৃহত্তর সিলেট এডুকেশন ট্রাস্টের নির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত  » «   বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে প্যালেষ্টাইনের জনগণের প্রতি উৎসর্গ করে লন্ডনে সমাবেশ  » «   এডভোকেট মোহাম্মদ আব্বাছ উদ্দিন যুক্তরাজ্যে আসছেন  » «   হিলালপুর গ্রামে সড়ক বাতি উদ্বোধন  » «   বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সমিতি ইউকের কার্যকরী কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত  » «   পূর্ব মুড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসিপরীক্ষার্থীদের মধ্যে পরীক্ষা উপকরণ বিতরণ  » «   গুচ্ছ কবিতা ।। আতাউর রহমান মিলাদ  » «   ব্রিটেনের রাজা চার্লস ক্যান্সারে আক্রান্ত  » «   গুচ্ছ কবিতা ।। আবু মকসুদ  » «  
সাবস্ক্রাইব করুন
পেইজে লাইক দিন

চক্রাকার রেল সার্ভিসের সমীক্ষার জন্য চুক্তি সই



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

রাজধানী ঢাকার যানজট নিরসনে চক্রাকার রেল সার্ভিস চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে সমীক্ষা পরিচালনার জন্য চারটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

 

মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে রেলভবনে এ বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।

চুক্তিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে- চায়না রেলওয়ে সিয়ান সার্ভে ও ডেজিং গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেড এবং বাংলাদেশের দুটি প্রতিষ্ঠান বিইটিএস কনসালটিং সার্ভিস লিমিটেড ও ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড অ্যাডভাইজার্স লিমিটেড (ইএএল), বাংলাদেশ।

চুক্তির মেয়াদ ধরা হয়েছে এক বছর। চুক্তি অনুযায়ী ২০২০ সালের এপ্রিল মাসের মধ্যে চুক্তিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমীক্ষার কাজ শেষ করতে হবে। এজন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২৪ কোটি ৫৬ লাখ ৬৩ হাজার টাকা।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রেলওয়ের গুরুত্ব অনুধাবন করে একে আলাদা মন্ত্রণালয় গঠন করে রাষ্ট্রের উন্নয়ন করে যাচ্ছেন।

মন্ত্রী বলেন, আমরা এই স্ট্যাডি করছি সম্পূর্ণ সরকারের টাকায়। আগামী এক বছরের মধ্যেই রিপোর্ট দিতে হবে। ঢাকার চারপাশে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধকে কেন্দ্র করে এ লাইন নির্ধারণ করা হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে তাড়া রয়েছে। এজন্য নির্ধারিত সময়ে কাজটি শেষ করতে হবে। এর স্ট্যাডি করার সময় অন্যান্য সেবা সার্ভিসের সঙ্গে যাতে কোনো সাংঘর্ষিক না হয় সেদিকে নজর রাখার জন্য গুরুত্ব দেন মন্ত্রী।

এতে উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোফাজ্জল হোসেন, রেলওয়ের মহাপরিচালক কাজী রফিকুল আলম প্রমুখ।


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন