মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
সৈয়দ আফসার উদ্দিন এমবিই‘র ইন্তেকাল  » «   ছাত্রলীগের উদ্যোগে বিয়ানীবাজারে পথচারী ও রোগীদের মধ্যে ইফতার উপহার  » «   ইস্টহ্যান্ডসের রামাদান ফুড প্যাক ডেলিভারী সম্পন্ন  » «   বিসিএ রেস্টুরেন্ট কর্মীদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এনএইচএস এর ‘টকিং থেরাপিস’ সার্ভিস ক্যাম্পেইন করবে  » «   গ্রেটার বড়লেখা এসোশিয়েশন ইউকে নতুন প্রজন্মদের নিয়ে কাজ করবে  » «   স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিয়ানীবাজার প্রেসক্লাবের দোয়া ও ইফতার মাহফিল  » «   কানাডা যাত্রায়  ইমিগ্রেশন বিড়ম্বনা এড়াতে সচেতন হোন  » «   ব্রিটিশ রাজবধূ কেট মিডলটন ক্যানসারে আক্রান্ত  » «   যুদ্ধ বিধ্বস্ত গাজাবাসীদের সাহায্যার্থে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই ইন দ্য ইউকের অনুদান  » «   বড়লেখায় পাহাড়ি রাস্তা সম্প্রসারণে বেরিয়ে এলো শিলাখণ্ড  » «   মাইল এন্ড পার্কে ট্রিস ফর সিটিস এর কমিউনিটি বৃক্ষরোপণ  » «   রয়েল টাইগার্স স্পোর্টস ক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন  » «   গোলাপগঞ্জ স্যোশাল এন্ড কালচারাল ট্রাস্ট ইউকে’র সাধারণ সভা ও নির্বাচন সম্পন্ন  » «   যুক্তরাজ্যবাসি  সাংবা‌দিক সাইদুল ইসলামের পিতা আব্দুল ওয়াহিদের ইন্তেকাল  » «   ইউকে বাংলা রিপোটার্স ইউনিটি‘র নতুন কার্যকরী কমিটির অভিষেক  » «  
সাবস্ক্রাইব করুন
পেইজে লাইক দিন

আবুধাবীতে বাংলাদেশি কিশোরের কষ্ট উপাখ্যান
২ বছর ধরে কোমায় পড়ে আছে এ কিশোর



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

আরব আমিরাতে ২০১৭ সালের ১৮ বিকেল সাড়ে ৫ টায় এপ্রিল নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী বাংলাদেশি আবতাহি সিদ্দিকীর জীবন চিরদিনের জন্য বদলে যায়। দেশটির রাজধানী আবুধাবির মুসাফ্ফাতে একটি পথচারী ক্রসিংয়ে দ্রুতগামী একটি গাড়ি তাকে আঘাত করে। বাংলাদেশি এ কিশোর বন্দুর বাড়িতে পড়ার নোট আনার জন্য যাবার বেলা এ ঘটনা ঘটে। গত দু বছর ধরে তিনি আবুধাবি হাসপাতালের কোমায় আছেন।

১৫ বছর বয়েসী ছেলেটি এখন আমিরাতের রাজধানী আবুধাবির একটি হাসপাতালের বিছানা থেকে জল ভরা চোখে তার পরিবারের সদস্যদের দিকে চেয়ে থাকে কিন্তু এখনো মুখে কোন কথা বলতে পারছে না।

আবুধাবিতে ২৫ বছর ধরে বসবাসকারী আবতাহির পিতা, সিদ্দিকী আহমদ মুসাফ্ফাতে একটি রেস্তোরাঁ চালান। তিনি জানান গত দু বছর ধরে হাসপাতাল আর ঘরে আশা-যাওয়া নিয়েই ব্যস্ত থাকে তাদের পুরো পরিবার। শুধু ছেলে নয় পুরো পরিবার যেন এই ঘটনায় কোমায় আছে এমন অবস্থা।

তিনি আরো বলেন, ওই সড়কে যানবাহনের নির্ধারিত গতিসীমা ৮০ কিলোমিটার হলেও, গাড়িটি খুব দ্রুত গতিতে চালানো হচ্ছিলো বলে স্থানিয় পুলিশ জানিয়েছেন।

তাকে যখন হাসপাতালে ভর্তি করা হয় সে ৩য় পর্যায়ের কোমায় ছিলো । এখন ডাক্তারদের ক্রমাগত প্রচেষ্টায়, তার অবস্থা উন্নত হয়েছে এবং এখন সে ৬-৭ কোমা পর্যায়ে রয়েছে তবে কেবল তার চোখ খুলতে পারে। যখন সে কোমার ১০ম পর্যায়ে পৌঁছবে, তখন সে হাঁটতে পারবে বলে ডাক্তাররা তার বাবাকে জানিয়েছেন।

আবতাহি মুসাফার মেরিল্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্র ও দুই সন্তানের মধ্যে জ্যেষ্ঠ। তার ছোট ভাই আব্রারও তার সুস্থ হওয়ার অপেক্ষায় আছে।

মানসিক আঘাত ছাড়াও, হাসপাতালের বিল যোগাড় করতে হিমশিম খাচ্ছে পরিবার। তাই মানসিক আঘাতের সাথে যেন আর্থিক ক্ষতিও

হাসপাতাল কর্তৃক প্রদত্ত যথেষ্ট সহায়তার প্রশংসা করেন আবতাহির বাবা, কিন্তু দোষীর সন্ধান পেয়ে এবং ‘কোর্ট অফ ফার্স্ট ইনস্ট্যান্স’-এর ক্ষতির জন্য অর্থ প্রদানের আদেশ দেওয়ার পরও আবুধাবি আদালতে মামলাটি চলমান অবস্থায় রয়েছে।

“আমি হাসপাতালে একটি অঙ্গীকার দিলাম যে আদালত থেকে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার পর আমি বিল পরিশোধ করব”, সিদ্দিকী আহমেদ জানান।

ঠিক দু বছর আগেই মার্চ মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশী এক তরুণ নিহত হয়, আর ঠিক একই বছর ঘটে এই ঘটনা।

সূত্র: গাল্ফ নিউজ


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন