মঙ্গলবার, ২০ অগাস্ট ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
চন্দরপুর ফ্রি সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্বনির্ভরতার পথ দেখাবে  » «   বার্মিংহামে কসবা-খাসা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকে’র প্রীতি সমাবেশ  » «   কাতালোনীয়া সান্তা কলমা আওয়ামী লীগের জাতীয় শোক দিবস পালন  » «   পর্তুগাল আওয়ামী লীগের জাতীয় শোক দিবস  » «   মদিনায় বাস দূর্ঘটনায় নিখোঁজ ১ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে  » «   স্পেন ছাত্রলীগ জাতীয় শোক দিবস পালন করেছে  » «   খায়রুল আনামের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  » «   মনসা পূজোর জন্যে আবার প্রস্তুত সিকদার বাড়ি  » «   স্পেনে জাতীয় শোক দিবস পালন করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস  » «   মিলান কনস্যুলেটে জাতীয় শোক দিবস পালন  » «   লন্ডনে মুক্তিযুদ্ধ গবেষক তাজুল মোহাম্মদের সাথে অন্তরঙ্গ আড্ডা  » «   সৌদি আরবে জাতীয় শোক দিবস পালিত  » «   সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি হাজি নিহত  » «   সৌদির তেল স্থাপনায় ভয়াবহ হামলা  » «   বাংলাদেশ কনসুলেট জেদ্দার শোকদিবস পালন  » «  

না ফেরার দেশে বইয়ের ফেরিওয়ালা পলান সরকার



শুক্রবার দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে নিজ বাড়িতে মারা যান বইপ্রেমী পলান সরকার

  • একুশে পদকপ্রাপ্ত বইপ্রেমিক পলান সরকার আর নেই।শুক্রবার দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে নিজ বাড়িতে মারা যান তিনি। বিষয়টি নিশ্চিত করে পলান সরকারের ছেলে ও খাগড়বাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হয়দার আলী জানান, তার বাবা দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৮ বছর। শনিবার সকাল ১০টায় বাঘার হারুন অর রশীদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর পারিবারিক গোরস্থানে দ্ফন করা হবে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম শোক জানিয়েছেন।

বার্ধক্যজনিত কারণে দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন তিনি।

পলান সরকারের গ্রামের বাড়ি রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের বাউশা পূর্বপাড়া গ্রামে।

নিজের টাকায় বই কিনে পাঠকের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিতেন পলান সরকার। বই পড়ার এমন আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য তাকে ২০১১ সালে একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।

দেশের জাতীয় দৈনিকগুলোতে তাকে নিয়ে প্রতিবেদন ছাপা হয়। তাকে নিয়ে ‘সায়াহ্নে সূর্যোদয়’ নামে একটি নাটক তৈরি হয়েছে।

পলান সরকারের আসল নাম হারেজ উদ্দিন। তবে দেশব্যাপী তিনি পলান নামেই পরিচিতি পেয়েছেন।

১৯২১ সালে জন্ম নেয়া এই বই পাগল গুণী ব্যক্তিটি প্রথমদিকে স্থানীয় একটি উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বই বিলি শুরু করেন।

শিক্ষার্থীদের মধ্যে মেধা তালিকায় ১ থেকে ১০ ক্রমিক নম্বরদের তিনি একটি করে বই উপহার দিতেন।

তবে এর কিছুদিন পর থেকে সবাইকেই বই দেয়া শুরু করেন। এভাবে পায়ে হেঁটে একটানা ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে বই বিলি করেছেন পলান সরকার। তাঁর ৬ ছেলে তিন মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।