বুধবার, ৪ অগাস্ট ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ২০ শ্রাবণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
বাহরাইনের কুটনৈতিক উপদেষ্টার সাথে বাংলাদশের রাষ্ট্রদূতের মত বিনিময়  » «   ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে ইউরোপের দেশ গ্রীস  » «   লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের বিশেষ সাধারণ সভায় সিদ্ধান্ত: ৩১ জানুয়ারীর মধ্যে নির্বাচন  » «   স্পেন বাংলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আফাজ জনি´র শ্বশুর মারা গেছেন  » «   জামিলা চৌধুরীকে হয়রানির প্রতিবাদে লন্ডনে মানববন্ধন করেছে  প্রবাসী অধিকার পরিষদ  » «   মোস্তফা সেলিম : অনাত্মীয় শহরের বন্ধু  » «   লন্ডনে পরিবেশ মন্ত্রী শাহাব উদ্দিনের সাথে ৩ সদস্যের প্রতিনিধি  দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ  » «   করোনায় তিন কোটির বেশি বুস্টার ডোজ দেবে যুক্তরাজ্য  » «   ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি যুক্তরাজ্য শাখার সভা অনুষ্ঠিত  » «   ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ পরিচয় শুধু রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সংরক্ষণ করা হোক  » «   বড়লেখা পৌরসভার বেশ কিছু স্থানে ময়লার ভাগাড়  » «   বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পালন করলো টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল  » «   লন্ডনে জাতির জনকের ভাস্কর্যে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন পরিবেশমন্ত্রী  » «   বানিয়াচংয়ে সিএনজি’র দ্বিগুন ভাড়া আদায় নিয়ে হতাশ যাত্রী  » «   হার্ট ফাউন্ডেশন সিলেটের ষষ্ট তলা নির্মাণের সভা: ২০ সেপ্টেম্বর দাতাদের সার্টিফিকেট প্রদানের সিদ্ধান্ত  » «  
সাবস্ক্রাইব করুন
পেইজে লাইক দিন

বিশ্বদেখা একজন বাংলাদেশী নারী নাজমুন নাহার ও ১২৫ দেশের গল্প
ভ্রমণ করেছেন ১২৫টি দেশ। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তির আগে দেখতে চান ১৯৩ দেশ



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 136
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

স্বপ্ন পূরণ করে বাঁচার জন্যে একমুঠো সাহস চাই, অক্সিজেন তো সবাই নেয়! এই কথা যেন সত্যিই মিলে গেছে এই গল্পের সাথে। সব কিছুর মাঝে একটু ভিন্ন হওয়া, একটা কঠিন ব্যাপার। আর সেই কঠিন টা করতে পারলেই আসল বাজিমাত। বর্তমান সময়ে যখন নারীদের জন্যে কঠিন বিষয়, এক শহর থেকে অন্য শহরে যাওয়া, এই সময়ে শিরোনাম তৈরী করছেন একটি বাংলাদেশী নারী, বিশ্ব ভ্রমণের মাদ্ধমে। বাংলাদেশের লক্ষীপুর থেকে আসা একটি মেয়ে যে একদিন, বিশ্ব ঘুরবে, এটি একটি অবাক করার মতো ব্যাপার। আর এই কথাটিই সত্যি করে দেখিয়েছেন ‘ফ্ল্যাগ গার্ল’ – নাজমুন নাহার। ২০০০ সালে শুরু হয় এই স্বপ্নের সফর। গত ১৮ বছরে ঘুরা হয়েছে ১২৫টি দেশ।

নাজমুন নাহারের সর্বদা বইয়ের প্রতি দুর্বলতা ছিল এবং ভ্রমণ বইগুলির জন্য একটি বিশেষই প্রবণতা ছিল। মাসুদ রানার থ্রিলার ভরা বইগুলি ও সৈয়দ মুজতবা আলীর ‘দেশ-বিদেশে’ বই পরে, উনি ভ্রমণ করতে অনুপ্রাণিত হন। তার পিতা মোহাম্মদ আমিনও একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুপ্রেরণা ছিল তার জন্য। তিনি তার সব উদ্যোগে পাশে ছিলেন। তার সাত বড় ভাইবোন ও তার পাশে ছিলেন সব সময়।

লক্ষিপুরেই স্কুল ও কলেজ শেষ করার পর উচ্চ শিক্ষার জন্যে সুইডেন এ যান নাজমুন নাহার। ওখানেও করতে হয় অনেক কষ্ট। আর সেই কষ্টই উনাকে আজকের নাজমুন নাহারে পরিণত করেছে, যে কঠিন থেকে কঠিন সময়েও, বাঘিনীর মতো গর্জিয়ে এগিয়েছে।

নাজমুন নাহার দেশ বিদেশে ঘুরে বেড়ান, কখনো কাজে, আবার কখনো শুধু ঘুরতে। এসবের মাঝেও উনি ভুলেন না, নিজ দেশের প্রতি প্রেম। তাই সাথে নেন একটি ছোট্ট বাংলাদেশের পতাকা। ৪০ বছরের বয়সে ও স্বপ্ন দেখেন আরো বড় কিছু করার, যখন আমরা অনেকেই জীবনের শেষ ধরে নি।

‘ইনস্পিরেশন গ্লোবাল ফাউন্ডেশন’ স্থাপন করার পরিকল্পনা করছেন নাজমুন নাহার! তিনি দেশে বিভিন্ন স্কুলের পাশাপাশি এতিমখানা পরিদর্শন করবেন যেখানে তিনি বাচ্চাদের তার ভ্রমণের গল্প বলবেন। উনি বিশ্বাস করেন, কাপড়-টাকা সবাই দিতে পারে, কিন্তু বেঁচে থাকতে শুধু এগুলোই নয়, লাগে সুন্দর জীবনের স্বপ্ন ও। আর উনি তাদের কে এই স্বপ্ন দিতে চান।

দেশের নতুন প্রজন্ম ও নারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন -যুল্স ওয়ার্নের বই – ‘অ্যারাউন্ড দা ওয়ার্ল্ড ইন এইটি ডেইস’ এর মতো আসা করি, খুব শীঘ্রই, শেষ হবে নাজমুন নাহারের বিশ্ব ভ্রমণ। আর এই গল্পটি আমাদের দেশের নারীদের অনুপ্রাণিত করবে নতুন কিছু করার জন্যে।


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 136
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •