রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ১৬ ফাল্গুন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
গোলাপগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক যুবকের মৃত্যু  » «   কুয়েতের স্বাধীনতা দিবসে প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্বেচ্ছায় রক্তদান  » «   সোশ্যাল এন্ড এডুকেশনাল অর্গানাইজেশনের পক্ষ থেকে শিক্ষা সামগ্রী বিতরন  » «   শহীদ দিবস উপলক্ষে রোমে মন্তেভেরদে আওয়ামী লীগের দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত  » «   বাংলাদেশ ক্যাটারার্স এসোসিয়েশন এসেক্স রিজওনের  দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত  » «   ছিগামহল আল আযহার দারুল কোরআন মাদ্রাসায় আর্থিক অনুদান দিয়েছে বড়লেখা ফাউন্ডেশন ইউকে এবং ইউএস      » «   বিলেতে বাঙালির নতুন প্রজন্ম  » «   করোনা ভ্যাকসিন নিতে গ্রামবাসীকে উদ্বুদ্ধ করতে অনুকরণীয় উদ্যোগ  » «   গোলাপগঞ্জে ৫শ গ্রাম গাঁজা ও ২০ পিছ ইয়াবা-সহ গ্রেফতার ৪  » «   ধর্মপাশায় পাথর হ্যান্ডট্রলির চাপায় এক শিশুর মৃত্যু, চালক আটক  » «   করোনা মোকাবেলায় আইডিয়া দিয়ে জিতে নিন ২০ হাজার দিরহাম  » «   রাজনগরের বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ আছকির খান আর নেই  » «   সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় বাসের সংঘর্ষ: ৯ জন নিহত  » «   হবিগঞ্জের বানিয়াচং-নবীগঞ্জ রোডে গণ-ডাকাতি সংঘটিত  » «   মায়ের হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে ছেলের সংবাদ সম্মেলন  » «  

বিশ্বদেখা একজন বাংলাদেশী নারী নাজমুন নাহার ও ১২৫ দেশের গল্প
ভ্রমণ করেছেন ১২৫টি দেশ। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তির আগে দেখতে চান ১৯৩ দেশ



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 78
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    78
    Shares

স্বপ্ন পূরণ করে বাঁচার জন্যে একমুঠো সাহস চাই, অক্সিজেন তো সবাই নেয়! এই কথা যেন সত্যিই মিলে গেছে এই গল্পের সাথে। সব কিছুর মাঝে একটু ভিন্ন হওয়া, একটা কঠিন ব্যাপার। আর সেই কঠিন টা করতে পারলেই আসল বাজিমাত। বর্তমান সময়ে যখন নারীদের জন্যে কঠিন বিষয়, এক শহর থেকে অন্য শহরে যাওয়া, এই সময়ে শিরোনাম তৈরী করছেন একটি বাংলাদেশী নারী, বিশ্ব ভ্রমণের মাদ্ধমে। বাংলাদেশের লক্ষীপুর থেকে আসা একটি মেয়ে যে একদিন, বিশ্ব ঘুরবে, এটি একটি অবাক করার মতো ব্যাপার। আর এই কথাটিই সত্যি করে দেখিয়েছেন ‘ফ্ল্যাগ গার্ল’ – নাজমুন নাহার। ২০০০ সালে শুরু হয় এই স্বপ্নের সফর। গত ১৮ বছরে ঘুরা হয়েছে ১২৫টি দেশ।

নাজমুন নাহারের সর্বদা বইয়ের প্রতি দুর্বলতা ছিল এবং ভ্রমণ বইগুলির জন্য একটি বিশেষই প্রবণতা ছিল। মাসুদ রানার থ্রিলার ভরা বইগুলি ও সৈয়দ মুজতবা আলীর ‘দেশ-বিদেশে’ বই পরে, উনি ভ্রমণ করতে অনুপ্রাণিত হন। তার পিতা মোহাম্মদ আমিনও একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুপ্রেরণা ছিল তার জন্য। তিনি তার সব উদ্যোগে পাশে ছিলেন। তার সাত বড় ভাইবোন ও তার পাশে ছিলেন সব সময়।

লক্ষিপুরেই স্কুল ও কলেজ শেষ করার পর উচ্চ শিক্ষার জন্যে সুইডেন এ যান নাজমুন নাহার। ওখানেও করতে হয় অনেক কষ্ট। আর সেই কষ্টই উনাকে আজকের নাজমুন নাহারে পরিণত করেছে, যে কঠিন থেকে কঠিন সময়েও, বাঘিনীর মতো গর্জিয়ে এগিয়েছে।

নাজমুন নাহার দেশ বিদেশে ঘুরে বেড়ান, কখনো কাজে, আবার কখনো শুধু ঘুরতে। এসবের মাঝেও উনি ভুলেন না, নিজ দেশের প্রতি প্রেম। তাই সাথে নেন একটি ছোট্ট বাংলাদেশের পতাকা। ৪০ বছরের বয়সে ও স্বপ্ন দেখেন আরো বড় কিছু করার, যখন আমরা অনেকেই জীবনের শেষ ধরে নি।

‘ইনস্পিরেশন গ্লোবাল ফাউন্ডেশন’ স্থাপন করার পরিকল্পনা করছেন নাজমুন নাহার! তিনি দেশে বিভিন্ন স্কুলের পাশাপাশি এতিমখানা পরিদর্শন করবেন যেখানে তিনি বাচ্চাদের তার ভ্রমণের গল্প বলবেন। উনি বিশ্বাস করেন, কাপড়-টাকা সবাই দিতে পারে, কিন্তু বেঁচে থাকতে শুধু এগুলোই নয়, লাগে সুন্দর জীবনের স্বপ্ন ও। আর উনি তাদের কে এই স্বপ্ন দিতে চান।

দেশের নতুন প্রজন্ম ও নারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন -যুল্স ওয়ার্নের বই – ‘অ্যারাউন্ড দা ওয়ার্ল্ড ইন এইটি ডেইস’ এর মতো আসা করি, খুব শীঘ্রই, শেষ হবে নাজমুন নাহারের বিশ্ব ভ্রমণ। আর এই গল্পটি আমাদের দেশের নারীদের অনুপ্রাণিত করবে নতুন কিছু করার জন্যে।


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 78
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    78
    Shares