শনিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
রোমে বাংলাদেশি মালিকানাধীন Mengarini Al 71 Pizzeria Tavola Calda উদ্বোধন  » «   ইতালীর রোম মহানগর বিএনপির আয়োজনে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল  » «   বড়লেখা পৌরসভা নির্বাচনে মনোনয়ন পত্র বাছাইয়ে ৪০ প্রার্থী বৈধ ৩ প্রার্থী অবৈধ  » «   করোনার দ্বিতীয় ধাপে পুলিশের মাস্ক বিতরণ  » «   নকল ভ্যাকসিন নিয়ে সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র: ইন্টারপোলের সতর্কতা  » «   কলমাকান্দায় ভারতীয় পন্যসহ তিনজন আটক, থানায় মামলা  » «   নিরাপদ সড়ক চাই’র ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ভার্চুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত  » «   ইষ্টহ্যান্ডসের ফুড ব্যাংকে খাবার সহায়তা দিলো বিয়ানীবাজার পৌরসভা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকে  » «   ৩৭৫ জন শীতার্থদের মাঝে কম্বল বিতরন  » «   বাংলাদেশ কনস্যুলেট ও স্পেন বাংলা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে বার্সেলোনায় পুলিশ প্রশাসনকে সম্মাননা স্মারক প্রদান  » «   দেশে ফিরছে ৯ মাস ইয়েমেনে আটক পাঁচ বাংলাদেশি  » «   পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল পাঁচ মেধাবী কলেজ পড়ুয়ার  » «   লরেন্স অফ আরাবিয়ার স্মৃতি বিজড়িত ইয়ানবু শহরে একদিন  » «   মুজিব বর্ষ উপলক্ষে দৌলতপুর মাদ্রাসায় কোরআন,মাস্ক,ফলজ গাছের চারা বিতরণ  » «   পাটগ্রামে বাংলাদেশের বীভৎস অবয়ব  » «  

বিশ্বদেখা একজন বাংলাদেশী নারী নাজমুন নাহার ও ১২৫ দেশের গল্প
ভ্রমণ করেছেন ১২৫টি দেশ। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তির আগে দেখতে চান ১৯৩ দেশ



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 78
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    78
    Shares

স্বপ্ন পূরণ করে বাঁচার জন্যে একমুঠো সাহস চাই, অক্সিজেন তো সবাই নেয়! এই কথা যেন সত্যিই মিলে গেছে এই গল্পের সাথে। সব কিছুর মাঝে একটু ভিন্ন হওয়া, একটা কঠিন ব্যাপার। আর সেই কঠিন টা করতে পারলেই আসল বাজিমাত। বর্তমান সময়ে যখন নারীদের জন্যে কঠিন বিষয়, এক শহর থেকে অন্য শহরে যাওয়া, এই সময়ে শিরোনাম তৈরী করছেন একটি বাংলাদেশী নারী, বিশ্ব ভ্রমণের মাদ্ধমে। বাংলাদেশের লক্ষীপুর থেকে আসা একটি মেয়ে যে একদিন, বিশ্ব ঘুরবে, এটি একটি অবাক করার মতো ব্যাপার। আর এই কথাটিই সত্যি করে দেখিয়েছেন ‘ফ্ল্যাগ গার্ল’ – নাজমুন নাহার। ২০০০ সালে শুরু হয় এই স্বপ্নের সফর। গত ১৮ বছরে ঘুরা হয়েছে ১২৫টি দেশ।

নাজমুন নাহারের সর্বদা বইয়ের প্রতি দুর্বলতা ছিল এবং ভ্রমণ বইগুলির জন্য একটি বিশেষই প্রবণতা ছিল। মাসুদ রানার থ্রিলার ভরা বইগুলি ও সৈয়দ মুজতবা আলীর ‘দেশ-বিদেশে’ বই পরে, উনি ভ্রমণ করতে অনুপ্রাণিত হন। তার পিতা মোহাম্মদ আমিনও একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুপ্রেরণা ছিল তার জন্য। তিনি তার সব উদ্যোগে পাশে ছিলেন। তার সাত বড় ভাইবোন ও তার পাশে ছিলেন সব সময়।

লক্ষিপুরেই স্কুল ও কলেজ শেষ করার পর উচ্চ শিক্ষার জন্যে সুইডেন এ যান নাজমুন নাহার। ওখানেও করতে হয় অনেক কষ্ট। আর সেই কষ্টই উনাকে আজকের নাজমুন নাহারে পরিণত করেছে, যে কঠিন থেকে কঠিন সময়েও, বাঘিনীর মতো গর্জিয়ে এগিয়েছে।

নাজমুন নাহার দেশ বিদেশে ঘুরে বেড়ান, কখনো কাজে, আবার কখনো শুধু ঘুরতে। এসবের মাঝেও উনি ভুলেন না, নিজ দেশের প্রতি প্রেম। তাই সাথে নেন একটি ছোট্ট বাংলাদেশের পতাকা। ৪০ বছরের বয়সে ও স্বপ্ন দেখেন আরো বড় কিছু করার, যখন আমরা অনেকেই জীবনের শেষ ধরে নি।

‘ইনস্পিরেশন গ্লোবাল ফাউন্ডেশন’ স্থাপন করার পরিকল্পনা করছেন নাজমুন নাহার! তিনি দেশে বিভিন্ন স্কুলের পাশাপাশি এতিমখানা পরিদর্শন করবেন যেখানে তিনি বাচ্চাদের তার ভ্রমণের গল্প বলবেন। উনি বিশ্বাস করেন, কাপড়-টাকা সবাই দিতে পারে, কিন্তু বেঁচে থাকতে শুধু এগুলোই নয়, লাগে সুন্দর জীবনের স্বপ্ন ও। আর উনি তাদের কে এই স্বপ্ন দিতে চান।

দেশের নতুন প্রজন্ম ও নারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন -যুল্স ওয়ার্নের বই – ‘অ্যারাউন্ড দা ওয়ার্ল্ড ইন এইটি ডেইস’ এর মতো আসা করি, খুব শীঘ্রই, শেষ হবে নাজমুন নাহারের বিশ্ব ভ্রমণ। আর এই গল্পটি আমাদের দেশের নারীদের অনুপ্রাণিত করবে নতুন কিছু করার জন্যে।


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 78
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    78
    Shares