শনিবার, ২৫ মে ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
আমিরাতে বঙ্গবন্ধু স্কুলে আশিক মিয়ার ৫০ হাজার দেরহাম ঘোষণা  » «   আমিরাতে কুলাউড়া ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও ইফতার  » «   আমিরাতে প্রবাসী সুনামগঞ্জ সমিতির ইফতার ও দোয়া মাহফিল  » «   শারজাহে রেমিটেন্স সৈনিকদের সম্মানে ইফতার করালো সিলেটের গোলাপগঞ্জবাসি  » «   ঠিকানা পেলো বাংলাদেশ সমিতি শারজাহ শাখা  » «   কংগ্রেসের আবারও পরাজয়:মোদিকে অভিনন্দন জানালেন রাহুল  » «   দূতাবাসগুলোতে ড. একে আবদুল মোমেনের কড়া বার্তা  » «   গ্রেটার ম্যানচেস্টার বাংলাদেশ এসোসিয়েশনের ইফতার মাহফিল  » «   ইতালীতে মহিলা সমাজ কল্যান সমিতির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  » «   যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ ম্যানচেস্টারের ইফতার মাহফিল  » «   বাংলা গানে বিশ্ব মাতাতে চান আমিরাত প্রবাসি শিহাব সুমন  » «   দেশে এই প্রথম অত্যাধুনিক স্ক্যানিয়া হাইডেক বাস চালু করলো এনা পরিবহণ   » «   বার্সেলোনায় ‘এসোসিয়েশন কুলতোরাল উমানেতারিয়া’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত  » «   বিশ্বনাথ আইডিয়াল এসোসিয়েশন বার্সেলোনার ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  » «   স্পেনের কাতালোনিয়ায়  ছাতক দোয়ারাবাসীর  ইফতার   » «  

বিশ্বদেখা একজন বাংলাদেশী নারী নাজমুন নাহার ও ১২৫ দেশের গল্প

ভ্রমণ করেছেন ১২৫টি দেশ। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তির আগে দেখতে চান ১৯৩ দেশ



স্বপ্ন পূরণ করে বাঁচার জন্যে একমুঠো সাহস চাই, অক্সিজেন তো সবাই নেয়! এই কথা যেন সত্যিই মিলে গেছে এই গল্পের সাথে। সব কিছুর মাঝে একটু ভিন্ন হওয়া, একটা কঠিন ব্যাপার। আর সেই কঠিন টা করতে পারলেই আসল বাজিমাত। বর্তমান সময়ে যখন নারীদের জন্যে কঠিন বিষয়, এক শহর থেকে অন্য শহরে যাওয়া, এই সময়ে শিরোনাম তৈরী করছেন একটি বাংলাদেশী নারী, বিশ্ব ভ্রমণের মাদ্ধমে। বাংলাদেশের লক্ষীপুর থেকে আসা একটি মেয়ে যে একদিন, বিশ্ব ঘুরবে, এটি একটি অবাক করার মতো ব্যাপার। আর এই কথাটিই সত্যি করে দেখিয়েছেন ‘ফ্ল্যাগ গার্ল’ – নাজমুন নাহার। ২০০০ সালে শুরু হয় এই স্বপ্নের সফর। গত ১৮ বছরে ঘুরা হয়েছে ১২৫টি দেশ।

নাজমুন নাহারের সর্বদা বইয়ের প্রতি দুর্বলতা ছিল এবং ভ্রমণ বইগুলির জন্য একটি বিশেষই প্রবণতা ছিল। মাসুদ রানার থ্রিলার ভরা বইগুলি ও সৈয়দ মুজতবা আলীর ‘দেশ-বিদেশে’ বই পরে, উনি ভ্রমণ করতে অনুপ্রাণিত হন। তার পিতা মোহাম্মদ আমিনও একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুপ্রেরণা ছিল তার জন্য। তিনি তার সব উদ্যোগে পাশে ছিলেন। তার সাত বড় ভাইবোন ও তার পাশে ছিলেন সব সময়।

লক্ষিপুরেই স্কুল ও কলেজ শেষ করার পর উচ্চ শিক্ষার জন্যে সুইডেন এ যান নাজমুন নাহার। ওখানেও করতে হয় অনেক কষ্ট। আর সেই কষ্টই উনাকে আজকের নাজমুন নাহারে পরিণত করেছে, যে কঠিন থেকে কঠিন সময়েও, বাঘিনীর মতো গর্জিয়ে এগিয়েছে।

নাজমুন নাহার দেশ বিদেশে ঘুরে বেড়ান, কখনো কাজে, আবার কখনো শুধু ঘুরতে। এসবের মাঝেও উনি ভুলেন না, নিজ দেশের প্রতি প্রেম। তাই সাথে নেন একটি ছোট্ট বাংলাদেশের পতাকা। ৪০ বছরের বয়সে ও স্বপ্ন দেখেন আরো বড় কিছু করার, যখন আমরা অনেকেই জীবনের শেষ ধরে নি।

‘ইনস্পিরেশন গ্লোবাল ফাউন্ডেশন’ স্থাপন করার পরিকল্পনা করছেন নাজমুন নাহার! তিনি দেশে বিভিন্ন স্কুলের পাশাপাশি এতিমখানা পরিদর্শন করবেন যেখানে তিনি বাচ্চাদের তার ভ্রমণের গল্প বলবেন। উনি বিশ্বাস করেন, কাপড়-টাকা সবাই দিতে পারে, কিন্তু বেঁচে থাকতে শুধু এগুলোই নয়, লাগে সুন্দর জীবনের স্বপ্ন ও। আর উনি তাদের কে এই স্বপ্ন দিতে চান।

দেশের নতুন প্রজন্ম ও নারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন -যুল্স ওয়ার্নের বই – ‘অ্যারাউন্ড দা ওয়ার্ল্ড ইন এইটি ডেইস’ এর মতো আসা করি, খুব শীঘ্রই, শেষ হবে নাজমুন নাহারের বিশ্ব ভ্রমণ। আর এই গল্পটি আমাদের দেশের নারীদের অনুপ্রাণিত করবে নতুন কিছু করার জন্যে।