বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২৯ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
আবুধাবী এয়ারপোর্টে বাংলা টাইগার্সের খেলোয়াড়দের বরণ  » «   ফ্রান্সে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন  » «   যুবলীগের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে যুবলীগ ইতালী শাখা  » «   পপলার ও লাইমহাউজ আসনে আপসানা বেগমর আনুষ্ঠানিক ক্যাম্পেইন শুরু  » «   আওয়ামী যুবলীগের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে কাতালোনীয়া যুবলীগ  » «   স্পেনের জাতীয় নির্বাচন সম্পন্ন এবারও সরকার গঠনে অনিশ্চয়তা  » «   নিউ ইয়র্কে আব্দুস সাত্তার স্মরণে সার্বজনীন শোকসভা ও দোয়া মাহফিল  » «   বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট যুক্তরাজ্য শাখা গঠিত  » «   পঙ্কজ ভট্টাচার্য’র সাথে পীর হাবিব ফাউন্ডেশন ইউকে নেতৃবৃন্দের সাক্ষাত  » «   মুক্তিযুদ্ধের প্রবাসী সংগঠক মরহুম শামসুল আলম চৌধুরী স্মরণে শোকসভা ও মিলাদ মাহফিল  » «   আমিরাতে ঈদে মিলাদুন্নবীর আলোচনা ও দোয়া মাহফিল  » «   আলোকিত মানুষ প্রবীন শিক্ষক মো. সমছুল ইসলাম এর ২য় মৃত্যুবার্ষিকী সোমবার  » «   ঘূর্ণিঝড় বুলবুল : ১০ জন নিহত, অর্ধশত জেলে নিখোঁজ  » «   ইতালিস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে প্রেস কনফারেন্সঃ ইস্যুর আপেক্ষায় ১৭শ ২ টি পাসপোর্ট।  » «   মাদ্রিদে স্পেন বিএনপি‘র উদ্যোগে ৭ নভেম্বর পালিত  » «  

বিশ্বদেখা একজন বাংলাদেশী নারী নাজমুন নাহার ও ১২৫ দেশের গল্প

ভ্রমণ করেছেন ১২৫টি দেশ। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তির আগে দেখতে চান ১৯৩ দেশ



স্বপ্ন পূরণ করে বাঁচার জন্যে একমুঠো সাহস চাই, অক্সিজেন তো সবাই নেয়! এই কথা যেন সত্যিই মিলে গেছে এই গল্পের সাথে। সব কিছুর মাঝে একটু ভিন্ন হওয়া, একটা কঠিন ব্যাপার। আর সেই কঠিন টা করতে পারলেই আসল বাজিমাত। বর্তমান সময়ে যখন নারীদের জন্যে কঠিন বিষয়, এক শহর থেকে অন্য শহরে যাওয়া, এই সময়ে শিরোনাম তৈরী করছেন একটি বাংলাদেশী নারী, বিশ্ব ভ্রমণের মাদ্ধমে। বাংলাদেশের লক্ষীপুর থেকে আসা একটি মেয়ে যে একদিন, বিশ্ব ঘুরবে, এটি একটি অবাক করার মতো ব্যাপার। আর এই কথাটিই সত্যি করে দেখিয়েছেন ‘ফ্ল্যাগ গার্ল’ – নাজমুন নাহার। ২০০০ সালে শুরু হয় এই স্বপ্নের সফর। গত ১৮ বছরে ঘুরা হয়েছে ১২৫টি দেশ।

নাজমুন নাহারের সর্বদা বইয়ের প্রতি দুর্বলতা ছিল এবং ভ্রমণ বইগুলির জন্য একটি বিশেষই প্রবণতা ছিল। মাসুদ রানার থ্রিলার ভরা বইগুলি ও সৈয়দ মুজতবা আলীর ‘দেশ-বিদেশে’ বই পরে, উনি ভ্রমণ করতে অনুপ্রাণিত হন। তার পিতা মোহাম্মদ আমিনও একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুপ্রেরণা ছিল তার জন্য। তিনি তার সব উদ্যোগে পাশে ছিলেন। তার সাত বড় ভাইবোন ও তার পাশে ছিলেন সব সময়।

লক্ষিপুরেই স্কুল ও কলেজ শেষ করার পর উচ্চ শিক্ষার জন্যে সুইডেন এ যান নাজমুন নাহার। ওখানেও করতে হয় অনেক কষ্ট। আর সেই কষ্টই উনাকে আজকের নাজমুন নাহারে পরিণত করেছে, যে কঠিন থেকে কঠিন সময়েও, বাঘিনীর মতো গর্জিয়ে এগিয়েছে।

নাজমুন নাহার দেশ বিদেশে ঘুরে বেড়ান, কখনো কাজে, আবার কখনো শুধু ঘুরতে। এসবের মাঝেও উনি ভুলেন না, নিজ দেশের প্রতি প্রেম। তাই সাথে নেন একটি ছোট্ট বাংলাদেশের পতাকা। ৪০ বছরের বয়সে ও স্বপ্ন দেখেন আরো বড় কিছু করার, যখন আমরা অনেকেই জীবনের শেষ ধরে নি।

‘ইনস্পিরেশন গ্লোবাল ফাউন্ডেশন’ স্থাপন করার পরিকল্পনা করছেন নাজমুন নাহার! তিনি দেশে বিভিন্ন স্কুলের পাশাপাশি এতিমখানা পরিদর্শন করবেন যেখানে তিনি বাচ্চাদের তার ভ্রমণের গল্প বলবেন। উনি বিশ্বাস করেন, কাপড়-টাকা সবাই দিতে পারে, কিন্তু বেঁচে থাকতে শুধু এগুলোই নয়, লাগে সুন্দর জীবনের স্বপ্ন ও। আর উনি তাদের কে এই স্বপ্ন দিতে চান।

দেশের নতুন প্রজন্ম ও নারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন -যুল্স ওয়ার্নের বই – ‘অ্যারাউন্ড দা ওয়ার্ল্ড ইন এইটি ডেইস’ এর মতো আসা করি, খুব শীঘ্রই, শেষ হবে নাজমুন নাহারের বিশ্ব ভ্রমণ। আর এই গল্পটি আমাদের দেশের নারীদের অনুপ্রাণিত করবে নতুন কিছু করার জন্যে।