সোমবার, ১০ মে ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ২৭ বৈশাখ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
যুক্তরাস্ট্র প্রবাসী সাংবাদিক এম সিন উদ্দিন মারা গেছেন  » «   আয়োজন হোক দরিদ্রের উপকারে, বিতরণ হোক লোকচক্ষুর আড়ালে  » «   ওয়ারিংটনে প্রথম বাংলাদেশী বংশদ্ভোত কাউন্সিলার মোয়াজ্জেম হোসেন  » «   বড়লেখা ফ্রেন্ডস ক্লাব ইউকে’র দু:স্থ ও সুবিধা বঞ্চিতদের মধ্যে নগদ অর্থ বিতরণ  » «   স্কটিশ পার্লামেন্টে প্রথম বাংলাদেশী বংশদ্ভোত এমপি ফয়সল চৌধুরী  » «   সাবেক মেয়র লুৎফুর রহমানের ‘ইয়েস ফর মেয়র’ বিজয়ী    » «   উপজেলার ৮৮০ জনকে বিয়ানীবাজার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকে’র ৯ লক্ষ টাকা ঈদ উপহার  » «   হুমকির মুখে গ্রীষ্মের ব‍্যবসা :যুক্তরাজ্যের অনিরাপদ  তালিকায় স্পেনের ক‍্যানারিয়া দ্বীপপুঞ্জ  » «   বানিয়াচংয়ে বোরো ধান সংগ্রহের উদ্বোধন  » «   গোলাপগঞ্জে ছাত্রদলের উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল  » «   বড়লেখা ফাউন্ডেশন ইউকে এর ইফতার বিতরণ  » «   ডুমুরিয়ায় মৎস্য চাষীদের মাঝে চিংড়ি খাদ্য ও সরঞ্জামাদি বিতরণ  » «   বাংলাদেশ থেকে কৃষি শ্রমিক নিতে গ্রিসের আগ্রহ প্রকাশ  » «   বিয়ানীবাজার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকের মাথিউরা ইউনিয়নে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ  » «   শুক্রবার ইতালীতে ন্যাশনাল কাফ ইসলামিক ট্যালেন্ট শো’র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন  » «  

বিশ্বদেখা একজন বাংলাদেশী নারী নাজমুন নাহার ও ১২৫ দেশের গল্প
ভ্রমণ করেছেন ১২৫টি দেশ। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তির আগে দেখতে চান ১৯৩ দেশ



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 78
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    78
    Shares

স্বপ্ন পূরণ করে বাঁচার জন্যে একমুঠো সাহস চাই, অক্সিজেন তো সবাই নেয়! এই কথা যেন সত্যিই মিলে গেছে এই গল্পের সাথে। সব কিছুর মাঝে একটু ভিন্ন হওয়া, একটা কঠিন ব্যাপার। আর সেই কঠিন টা করতে পারলেই আসল বাজিমাত। বর্তমান সময়ে যখন নারীদের জন্যে কঠিন বিষয়, এক শহর থেকে অন্য শহরে যাওয়া, এই সময়ে শিরোনাম তৈরী করছেন একটি বাংলাদেশী নারী, বিশ্ব ভ্রমণের মাদ্ধমে। বাংলাদেশের লক্ষীপুর থেকে আসা একটি মেয়ে যে একদিন, বিশ্ব ঘুরবে, এটি একটি অবাক করার মতো ব্যাপার। আর এই কথাটিই সত্যি করে দেখিয়েছেন ‘ফ্ল্যাগ গার্ল’ – নাজমুন নাহার। ২০০০ সালে শুরু হয় এই স্বপ্নের সফর। গত ১৮ বছরে ঘুরা হয়েছে ১২৫টি দেশ।

নাজমুন নাহারের সর্বদা বইয়ের প্রতি দুর্বলতা ছিল এবং ভ্রমণ বইগুলির জন্য একটি বিশেষই প্রবণতা ছিল। মাসুদ রানার থ্রিলার ভরা বইগুলি ও সৈয়দ মুজতবা আলীর ‘দেশ-বিদেশে’ বই পরে, উনি ভ্রমণ করতে অনুপ্রাণিত হন। তার পিতা মোহাম্মদ আমিনও একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুপ্রেরণা ছিল তার জন্য। তিনি তার সব উদ্যোগে পাশে ছিলেন। তার সাত বড় ভাইবোন ও তার পাশে ছিলেন সব সময়।

লক্ষিপুরেই স্কুল ও কলেজ শেষ করার পর উচ্চ শিক্ষার জন্যে সুইডেন এ যান নাজমুন নাহার। ওখানেও করতে হয় অনেক কষ্ট। আর সেই কষ্টই উনাকে আজকের নাজমুন নাহারে পরিণত করেছে, যে কঠিন থেকে কঠিন সময়েও, বাঘিনীর মতো গর্জিয়ে এগিয়েছে।

নাজমুন নাহার দেশ বিদেশে ঘুরে বেড়ান, কখনো কাজে, আবার কখনো শুধু ঘুরতে। এসবের মাঝেও উনি ভুলেন না, নিজ দেশের প্রতি প্রেম। তাই সাথে নেন একটি ছোট্ট বাংলাদেশের পতাকা। ৪০ বছরের বয়সে ও স্বপ্ন দেখেন আরো বড় কিছু করার, যখন আমরা অনেকেই জীবনের শেষ ধরে নি।

‘ইনস্পিরেশন গ্লোবাল ফাউন্ডেশন’ স্থাপন করার পরিকল্পনা করছেন নাজমুন নাহার! তিনি দেশে বিভিন্ন স্কুলের পাশাপাশি এতিমখানা পরিদর্শন করবেন যেখানে তিনি বাচ্চাদের তার ভ্রমণের গল্প বলবেন। উনি বিশ্বাস করেন, কাপড়-টাকা সবাই দিতে পারে, কিন্তু বেঁচে থাকতে শুধু এগুলোই নয়, লাগে সুন্দর জীবনের স্বপ্ন ও। আর উনি তাদের কে এই স্বপ্ন দিতে চান।

দেশের নতুন প্রজন্ম ও নারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন -যুল্স ওয়ার্নের বই – ‘অ্যারাউন্ড দা ওয়ার্ল্ড ইন এইটি ডেইস’ এর মতো আসা করি, খুব শীঘ্রই, শেষ হবে নাজমুন নাহারের বিশ্ব ভ্রমণ। আর এই গল্পটি আমাদের দেশের নারীদের অনুপ্রাণিত করবে নতুন কিছু করার জন্যে।


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 78
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    78
    Shares