শনিবার, ১৮ মে ২০২৪ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
মানুষের মৃত্যূ -পূর্ববর্তী শেষ দিনগুলোর প্রস্তুতি যেমন হওয়া উচিত  » «   ব্যারিস্টার সায়েফ উদ্দিন খালেদ টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের নতুন স্পীকার নির্বাচিত  » «   কানাডায় সিলেটের  কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর আলমকে সংবর্ধনা ও আশার আলো  » «   টাওয়ার হ্যামলেটসের নতুন লেজার সার্ভিস ‘বি ওয়েল’ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন মেয়র লুৎফুর রহমান  » «   প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী এমপির সাথে বিসিএর মতবিনিময়  » «   সৈয়দ আফসার উদ্দিন এমবিই‘র ইন্তেকাল  » «   ছাত্রলীগের উদ্যোগে বিয়ানীবাজারে পথচারী ও রোগীদের মধ্যে ইফতার উপহার  » «   ইস্টহ্যান্ডসের রামাদান ফুড প্যাক ডেলিভারী সম্পন্ন  » «   বিসিএ রেস্টুরেন্ট কর্মীদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এনএইচএস এর ‘টকিং থেরাপিস’ সার্ভিস ক্যাম্পেইন করবে  » «   গ্রেটার বড়লেখা এসোশিয়েশন ইউকে নতুন প্রজন্মদের নিয়ে কাজ করবে  » «   স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিয়ানীবাজার প্রেসক্লাবের দোয়া ও ইফতার মাহফিল  » «   কানাডা যাত্রায়  ইমিগ্রেশন বিড়ম্বনা এড়াতে সচেতন হোন  » «   ব্রিটিশ রাজবধূ কেট মিডলটন ক্যানসারে আক্রান্ত  » «   যুদ্ধ বিধ্বস্ত গাজাবাসীদের সাহায্যার্থে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই ইন দ্য ইউকের অনুদান  » «   বড়লেখায় পাহাড়ি রাস্তা সম্প্রসারণে বেরিয়ে এলো শিলাখণ্ড  » «  
সাবস্ক্রাইব করুন
পেইজে লাইক দিন

আমিরাতে এক বাংলাদেশী বীরের গল্প
৩ বছরের পাকিস্তানী বাচ্চার প্রাণ বাঁচালেন বাংলাদেশী ফারুক



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

দূর প্রবাসে হাজার প্রতিকুলতার মধ্য থেকেও, সবাই স্ব-স্ব স্থান থেকে তুলে ধরি নিজের দেশ কে, কেউ জেনে, আবার কেউ অজান্তে। তেমনই কিছু করেছেন বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার রাউজান থানার, কদলপুর গ্রামের ফারুক ইসলাম। তার পিতার নাম নুরুল হক। আজমানের নাইমিয়াতে জ্বলন্ত বিল্ডিংয়ের দিকে তাকিয়ে থাকা লোকেদের ভিড়ের মধ্যে ৫৭ বছরের এই সাহসী প্রবাসী দৌড়ে এসে প্রাণ বাঁচান তিনবছর বয়সী একটি বাচ্চার যাকে তার মা আগুন লাগায় তৃতীয় তলা থেকে নিচে ছেড়ে দেয়।

ছেলেটির জীবন রক্ষা করার জন্য মঙ্গলবার ফারুক ইসলাম কে আজমান সিভিল ডিফেন্সের পক্ষ থেকে সম্মানিত করা হয়।

তিনি বাইরে এসে মহিলার চিৎকার শুনতে পান। তিনি তাকিয়ে দেখলেন মা তার বাচ্চাকে ধরে রেখে একটি বড় জানালার পাশে দাঁড়িয়ে আছেন। সেখানে জনতার ভিড় ছিল, কিন্তু কেউ তাকে উদ্ধার করার চিন্তা করে নি। এই মহিলা ও তার সন্তানকে বাঁচানোর জন্য ফারুক এগিয়ে আসেন ।

শনিবার রাতে নুয়াইমিয়ায় তিন তলার এই অ্যাপার্টমেন্টটিতে ভীষণভাবে আগুন লাগায়, কালো, কালো ধোঁয়ায় একটু সময়েই পুরো ফ্ল্যাট ভরে যায়। জানালা ছাড়া অন্য কোন পথ খুঁজে বের করা সম্ভব হচ্ছিলো না।

বাচ্চা কে সুরক্ষিত দেখে, মা ও সেখান থেকে লাফ মারেন, কিন্তু পার্কিং এ রাখা একটি গাড়ির উপর পরে, উনি গুরুতর ভাবে আহত হন l তিনি এখন শেখ খালীফা হাসপাতাল এ চিকিৎসাধীন আছেন।

বাচ্চার বাবা যিনি ঘটনার সময় অফিস এ ছিলেন, উনি ফারুক ইসলামের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন যে তিনি উনাদের জন্য কোন ফেরেস্তার চেয়ে কম না।

আরব আমিরাতের প্রভাবশালী সকল পত্রিকায় তাঁর এ বীরত্বের কথা ছাপা হয়েছে। এ জন্য আরব আমিরাতে থাকা বাংলাদেশীরাও অনেক খুশি।

মেশিনে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটগুলির কারণে ভবনটিতে আগুন লাগে, যার ফলে ভবনটিতে কালো ধোঁয়া দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। আরো একটি মহিলা ও পুরুষ ও জানালা দিয়ে লাফ মারেন আর এখন সুস্থ আছেন।

এমন ভালো কাজে পুরস্কৃত হওয়ায় তিনি খুব খুশি, এবং বাংলাদেশী প্রবাসীদেরও নিজ-নিজ ভাবে দেশকে তুলে ধরতে বলেন।


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন