খুলনা মহানগরীতে ইমদাদুল হক মিলন (৪৫) নামের এক সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় দেবাশীষ বিশ্বাস (৩৫) নামে এক হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে মহানগরীর আড়ংঘাটা থানার শলুয়া বাজার এলাকায় জনতা ব্যাংকের সামনে এই ঘটনা ঘটে। নিহত ইমদাদুল হক মিলন ওই এলাকার মো. বজলুর রহমানের ছেলে। তিনি ‘বর্তমান সময়’ নামে একটি নিউজ পোর্টাল পরিচালনা করতেন এবং ডুমুরিয়ার শলুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, শলুয়া বাজারে জনতা ব্যাংকের সামনে প্রথমে দুর্বৃত্তরা দেবাশীষ বিশ্বাসের বুকে গুলি করে। এরপর তার সঙ্গে থাকা সাংবাদিক মিলনের মাথায় গুলি চালানো হয়। পরে আরও তিন রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে তারা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ইমদাদুল হক মিলন শলুয়া বাজারে জনতা ব্যাংকের পাশের একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। রাত সাড়ে ৯টার দিকে দুটি মোটরসাইকেলে করে চারজন দুর্বৃত্ত এসে গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়। ওই সময় তার সঙ্গে চায়ের দোকানে বসে থাকা দেবাশীষও গুলিবিদ্ধ হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মিলনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত দেবাশীষ বর্তমানে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন। তিনি শলুয়া বাজার এলাকার সাবেক মেম্বার রবিন বিশ্বাসের ছেলে বলে জানা গেছে।
ঘটনাটি নিশ্চিত করে আড়ংঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহজাহান আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘শলুয়ায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর স্থানীয় লোকজন সাংবাদিক মিলনসহ দুজনকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মিলনকে মৃত ঘোষণা করেন। গুলিবিদ্ধ অপরজন হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তবে তাদের কারা কেন গুলি করেছে, তার কারণ অনুসন্ধান ও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু হয়েছে।’
-
মাজারে কড়াকড়ির পরই প্রত্যাহার সিলেট ডিসি সারওয়ার আলম, প্রবাসী অঙ্গনে প্রতিক্রিয়া
-
সিলেটে মাজারে মদ-গাঁজার আসর বন্ধে কঠোর নির্দেশ ডিসি সারওয়ারের
-
সিলেটে হামে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ২৬১, মোট মৃত্যু ৭২
-
সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত ৪১% বেড়েছে: কীভাবে বাড়ল, এখন কারা জমাচ্ছে?
-
রাউজানে প্রকাশ্যে যুবদল নেতা হত্যা : প্রকাশ্যে অস্ত্রধারীরাও ধরা পড়ছে না
আরও পড়ুন: