সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
 পরিচ্ছন্ন সিলেটের স্বপ্ন দেখছে প্রজেক্ট ‘ক্লীন সুরমা, গ্রীন সিলেট’  » «   বাংলাদেশের মুক্ত অর্থণেতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ করবে আরব আমিরাত  » «   আজমানে স্কুল প্রতিষ্ঠার জন্য ব্যবসায়িদের সাথে কনসাল জেনারেলের মতবিনিময়  » «   ডাকসুর কোষাধ্যক্ষ অপসারন ও ৩৪ জনের ছাত্রত্ব বাতিলের দাবীতে ভিপি’র চিঠি  » «   কাতালোনীয়ার স্বাধীনতার ডাকে লক্ষ লক্ষ জনতার সমাবেশ  » «   সুনির্দিষ্ট অভিযোগে ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদককে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে: জয়  » «   সিলেটে বাম গণতান্ত্রিক জোটের জনসভা  » «   শীঘ্রই আমিরাতের আজমানে বাংলাদেশ স্কুল প্রতিষ্ঠা হচ্ছে  » «   সংহতি আমিরাতের শাহ আব্দুল করিম উৎসব  » «   লন্ডনে বিয়ানীবাজারের প্রবীন ব্যক্তিত্ব আবদুস সাত্তার স্মরণ সভা  » «   কৃুয়েত দূতাবাসের বিতর্কিত কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা  » «   মাদকেরও অভিযোগ : প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শোভন-রাব্বানীর দেখা করার অনুমতি স্থগিত  » «   নেপাল-চীনেও ডেঙ্গু : বিভিন্ন দেশ ভ্রমণে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র  » «   বিসিএ রেষ্টুরেন্ট অফ দ্যা ইয়ার ও বিসিএ শেফ অফ দ্যা ইয়ার এর প্রতিযোগিতা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু  » «   রাখাইনে রোহিঙ্গাদের বসবাসের কোনো চিহ্নই নেই  » «  

দুবাইয়ে আনসারি এক্সচেঞ্জের ড্রয়ে ১০ লাখ দেরহাম পেলেন এক বাংলাদেশি



সংযুক্ত আরব আমিরাতে আল আনসারি এক্সচেঞ্জের গ্রীষ্মকালিন গ্রাহক ড্রয়ে ১০ লক্ষ দেরহাম জিতেছেন ৩০ বছর বয়েসি বাংলাদেশি আবদুল্লাহ আল আরাফাত। তার গ্রামের বাড়ি ফেনী জেলার সোনাগাজীতে। বাবার নাম মোম্মদ মহসিন। মাত্র ২৬১ দেরহাম দেশে পাঠিয়েছিলেন তিনি। তার ফলে ঘুরে গেলো ভাগ্যের চাকা। বৈধপথে টাকা পাঠানোর এ আরেক ফল বলেও মনে করেন তিনি।

মঙ্গলবার দুবাইয়ে আল আনসারি এক্সচেঞ্জের ড্রতে তিনি এ পুরস্কার পেয়ে নিজেকে ভাগ্যবান বলেছেন। আট জন চূড়ান্ত প্রার্থীকে (দুজন আমিরাতী, দুজন ফিলিপিনো, একজন ভারতীয়, একজন পাকিস্তানি, একজন ইন্দোনেশিয়ান এবং আরেকজন বাংলাদেশী) পিছনে ফেলে এই পুরস্কার জিতে নেন। অন্য আটজন চূড়ান্ত প্রতিযোগীদেরও খালি হাতে ফিরতে হয়নি। তাদেরকে ও ১০ হাজার দিরহাম প্রতিজন করে দেয়া হয়েছে।

আব্দুল্লাহ প্রথমবারের মতো বাবা হতে যাচ্ছেন। তার এ প্রাপ্তিতে সন্তানের ভাগ্য জড়ি আছেন বলেও তিনি আবেগাপ্লুত কণ্ঠে জানান।
নয় বছর ধরে দুবাইয়ে বসবাসরত আবদুল্লাহ বলেন-তিনি তার স্ত্রীর কাছে পুরস্কারের কিছু ভাগ বাড়িতে পাঠিয়ে দেবেন। আগামি মাসে তাদের প্রথম সন্তানের জন্ম দেওয়ার প্রত্যাশা করছেন। এবং বাকী অংশটি তিনি নিজের টেইলারিং ও মোবাইল আনুষাঙ্গিক ব্যবসার সম্প্রসারণে বিনিয়োগ করবেন।