সোমবার, ১৭ জুন ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ক্যারিবিয়দের বিপক্ষে বিশাল জয় নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের পঞ্চম স্থানে বাংলাদেশ  » «   রিয়াদে জালালাবাদ এসোসিয়েশনের অভিষেক ও ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত  » «   টাইগার ভক্তরা টনটনে নতুন আশায়  » «   সৌদিতে প্রতারণার নতুন ফাঁদ: ফ্রি ভিসাই কন্ট্রাক্ট ভিসা  » «   ফেনী পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হবে মোয়াজ্জেমকে  » «   মাদ্রিদে ভালিয়েন্তে বাংলা’র ঈদ পূনর্মিলনীতে প্রবাসীদের মিলনমেলা  » «   কুলাউড়ার এক ঝাঁক তরুণ অনলাইন এক্টিভিস্টদের আত্মপ্রকাশ  » «   ভারত-পাকিস্তান : সমর্থকদের উত্তেজনাও তুঙ্গে  » «   জিপিএ ৫ নয়, এবার হতে সিজিপিএ ৪  » «   আমিরাতে বাংলাদেশ বিজনেস ফেরামের ঈদ পুনর্মিলনী  » «   বৃষ্টিভেজা ক্রিকেট বিশ্বকাপ নিয়ে হাস্যরস  » «   ওসমানী হাসপাতাল থেকে হৃদরোগ চিকিৎসার যন্ত্র ফিরিয়ে নেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন  » «   স্কুলবাস সার্ভিস চালু করছে সিলেট সিটি করপোরেশন  » «   ব্রিটেনে রেষ্টুরেন্টে ওয়ার্ক পারর্মিটের সুযোগ এখনও সৃষ্টি হয়নি  » «   মোবাইলে ১০০ টাকার কথা বললে কর দিতে হবে ২৭ টাকা  » «  

দুর্নীতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের পরিচালক সাময়িক বরখাস্ত



অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন, কমিশনের তথ্য পাচার ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে সংস্থাটি। সোমবার (১০ জুন) দুদকের উপ-পরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সূত্রে জানা যায়, পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানকে দায়মুক্তি দিতে ৫০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার জন্য ‘চুক্তি’ করেন খন্দকার এনামুল বাছির। সঙ্গে দাবি করেন একটি গ্যাসচালিত গাড়ি। ৫০ লাখ টাকার মধ্যে ২৫ লাখ টাকা গত ১৫ জানুয়ারি রমনা পার্কে বাজারের ব্যাগে করে নগদে নিয়েছেন এই দুদক পরিচালক। তিনি দুদকের অনুসন্ধান ও তদন্ত-২ অনুবিভাগের দায়িত্বে ছিলেন।

এদিকে, খন্দকার এনামুল বাছির তদন্ত থেকে দায়মুক্তি দিতে ডিআইজি মিজানের কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ পেয়ে নড়েচড়ে বসে দুদক। কমিশনের সচিব দিলওয়ার বখ্তকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয় রোববার (৯ জুন)। কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ এই কমিটিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অর্থাৎ, সোমবার প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেন।

কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন, লিগ্যাল অনুবিভাগের মহাপরিচালক মফিজুর রহমান ভূঁইয়া ও প্রশাসন অনুবিভাগের মহাপরিচালক সাঈদ মাহবুব খান। কমিটির রিপোর্টের উপর ভিত্তি করেই খন্দকার এনামুল বাছিরকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে কমিশন। খন্দকার এনামুল বাছির ১৯৯১ সালে অ্যান্টি করাপশন অফিসার (এসিও) হিসেবে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরোতে যোগ দেন। দুর্নীতি দমন কমিশন গঠিত হওয়ার পর তিনি সহকারী পরিচালক, উপ-পরিচালক ও পরিচালক হিসেবে পদোন্নতি পান।

দুদকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে পুলিশের উচ্চপদে থেকে তদবির, নিয়োগ, বদলিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়িয়ে শত কোটি টাকার মালিক হওয়ার অভিযোগ পায় দুদক। অভিযোগ যাচাই-বাছাই শেষে অনুসন্ধানের জন্য গত বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি কমিশনের উপ-পরিচালক ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারীকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়। পরে ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারীকে বাদ দিয়ে পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ দেয় কমিশন।

অপরদিকে, গত বছরের জানুয়ারিতে ঢাকা মহানগর পুলিশের ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে স্ত্রী-সন্তান রেখে অপর এক নারীকে জোরপূর্বক বিয়ে ও নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। এছাড়া এক নারী সংবাদ পাঠিকাকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ আসে তার বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগ ওঠার পর তাকে ডিএমপি থেকে সরিয়ে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়।