লন্ডনের গোল্ডস্মিথস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় মাস্টার্স ডিগ্রি নিয়েও ১০০টিরও বেশি চাকরির আবেদন করে এখনো বেকার রয়ে গেছেন ২২ বছর বয়সী এমিলি শুলম্যান। যুক্তরাজ্যের কঠিন কর্মবাজারে হোঁচট খাওয়া প্রায় ১০ লাখ তরুণের একজন তিনি, যারা কর্মজীবনে প্রবেশ করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ছেন।
যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও কর্মহীন
কাগজে-কলমে এমিলির চাকরি পাওয়ার কথা ছিল সহজ। নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অপরাধবিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞানে স্নাতক করার পর গোল্ডস্মিথসে সাংবাদিকতায় মাস্টার্স করেছেন তিনি, পাশাপাশি রয়েছে বিভিন্ন কর্মঅভিজ্ঞতা ও ইন্টার্নশিপও। তারপরও শতাধিক আবেদনের পরও তিনি এখনো কোনো চাকরি পাননি।
দ্য ইনডিপেনডেন্টকে এমিলি বলেন, শুরুতে তাৎক্ষণিক প্রত্যাখ্যান পেতেন তিনি, তবে কাজের অভিজ্ঞতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাক্ষাৎকারের ডাক পেতে শুরু করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সবকিছুই ব্যর্থতায় গিয়ে ঠেকেছে বলে তিনি জানান। লিংকডইনে যোগাযোগ, অনলাইনে আবেদন এবং সরাসরি ইমেইল পাঠানোসহ বিভিন্ন উপায় চেষ্টা করলেও অনেক ক্ষেত্রেই কোনো সাড়া পাননি বলে জানান তিনি।
কর্মবাজারের সামগ্রিক চিত্র
সাম্প্রতিক সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত তিন মাসে যুক্তরাজ্যের কর্মবাজারে শূন্যপদের সংখ্যা নেমে এসেছে পাঁচ বছরের সর্বনিম্ন পর্যায়ে, যা তরুণ চাকরিপ্রার্থীদের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন করে তুলছে।
সূত্র: দ্য ইনডিপেনডেন্ট
-
যুক্তরাজ্যের সেকেন্ডমেন্ট ওয়ার্কার ভিসা: কারা পাবেন, কীভাবে আবেদন
-
সেপ্টেম্বরে আবারও গরমের দাপট, সোমবার লন্ডনে ২৫ ডিগ্রি
-
রিফর্ম ইউকেকে রেকর্ড ৩৬০ কোটি টাকার অনুদান ক্রিপ্টো ধনকুবেরের
-
ব্রিটিশ-বাংলাদেশ ট্রেড সেন্টার প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা বিবিসিসিআইয়ের
-
যুক্তরাজ্য-ফ্রান্স আশ্রয় চুক্তি: শত শত আশ্রয়প্রার্থীর হদিস নেই, শঙ্কায় শিশুরাও