জকিগঞ্জে দিনব্যাপী ব্রতচারী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত। ৫২বাংলাটিভিতে দেখুন বিস্তারিত-
[youtube]X_2cuvrVAoU[/youtube]
সিলেটের জকিগঞ্জে ব্রতচারী আন্দোলনের প্রবক্তা গুরুসদয় দত্তের জন্মমাটি বীরশ্রীতে দিনব্যাপী ব্রতচারী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ছোট ব্রতচারীদের প্রশিক্ষণ দিয়েছেন ২০০৬ সালে কলকাতা থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্রতচারী নায়েক একাত্তর টিভির আরব আমিরাত প্রতিনিধি ছড়াকার লুৎফুর রহমান এবং ২০১০ সালে কলকাতা থেকে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ব্রতচারী নায়েক বিমান তালুকদার। এসময় তাদের সহযোগি ছিলেন মেঘদাদ মেঘ, এনায়েতুর রহমান মাহির এবং সাইদুর মাহমুদ।
৩ অক্টোবর বুধবার জকিগঞ্জের বীরশ্রীর গদাধর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় গুরুসদয় দত্ত আর ব্রতচারী নিয়ে ছোট ব্রতচারীদের সামনে কথা বলেন গণিপুর কামালগঞ্জ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আজির উদ্দিন, গদাধর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রাহিমা বেগম এবং স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্দুর রহিম।
প্রশিক্ষণ চলাকালে উপস্থিত ছিলেন ছড়াকার রেদ্বওয়ান মাহমুদ এবং জকিগঞ্জ টিভির আহমদ হোসাইন আইমান।
প্রশিক্ষক লুৎফুর রহমান বলেন, ব্রতচারী ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান, আতাউল গণি ওসমানী, পটুয়া শিল্পী কামরুল ইসলাম সহ অনেকে। ২০০৬ সালে গুরুসদয় হাই স্কুল থেকে হাত দিয়ে মশাল প্রজ্বলন করে ছায়ানট হয়ে আমরা কলকাতা যাই। সে সময়ে ব্রতচারীর মহাউৎসব চলছিল। ড. ওয়াহিদুল হক, ড. সানজিদা খাতুন, হাবিব আহমদ দত্ত চৌধুরী আমাদের বাংলাদেশ দলকে সার্বিক নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তারপর আমি দেশে এসেও কয়েকদিন এই চর্চা অব্যাহত রাখি। প্রবাস জীবনে এই ব্রতচারীর কথা খুব মনে পড়ে। জাতীয় এ সম্পদকে অসাম্প্রদায়িক চেতনা থেকে সারা দেশে পুনরায় প্রচলন করতেও তিনি অনুরোধ জানিয়েছেন।
৩ অক্টোবর বুধবার জকিগঞ্জের বীরশ্রীর গদাধর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় গুরুসদয় দত্ত আর ব্রতচারী নিয়ে ছোট ব্রতচারীদের সামনে কথা বলেন গণিপুর কামালগঞ্জ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আজির উদ্দিন, গদাধর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রাহিমা বেগম এবং স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্দুর রহিম।
প্রশিক্ষণ চলাকালে উপস্থিত ছিলেন ছড়াকার রেদ্বওয়ান মাহমুদ এবং জকিগঞ্জ টিভির আহমদ হোসাইন আইমান।
প্রশিক্ষক লুৎফুর রহমান বলেন, ব্রতচারী ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান, আতাউল গণি ওসমানী, পটুয়া শিল্পী কামরুল ইসলাম সহ অনেকে। ২০০৬ সালে গুরুসদয় হাই স্কুল থেকে হাত দিয়ে মশাল প্রজ্বলন করে ছায়ানট হয়ে আমরা কলকাতা যাই। সে সময়ে ব্রতচারীর মহাউৎসব চলছিল। ড. ওয়াহিদুল হক, ড. সানজিদা খাতুন, হাবিব আহমদ দত্ত চৌধুরী আমাদের বাংলাদেশ দলকে সার্বিক নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তারপর আমি দেশে এসেও কয়েকদিন এই চর্চা অব্যাহত রাখি। প্রবাস জীবনে এই ব্রতচারীর কথা খুব মনে পড়ে। জাতীয় এ সম্পদকে অসাম্প্রদায়িক চেতনা থেকে সারা দেশে পুনরায় প্রচলন করতেও তিনি অনুরোধ জানিয়েছেন।
-
ঢাকা বার নির্বাচনে ২০ হাজারের মধ্যে পড়ল ৭ হাজার ভোট, জামায়াত-এনসিপি’র ভরাডুবি
-
ঢাকা-সিলেট ‘সড়ক ও রেল’ যোগাযোগ উন্নত করা হচ্ছে : জানালেন প্রধানমন্ত্রী
-
হামে প্রতিদিন মরছে মানুষ : ইউনিসেফের সতর্কতা উপেক্ষা করে টিকা কেনার পদ্ধতি পাল্টায় ইউনূস সরকার: সায়েন্সের প্রতিবেদন
-
সিলেটের বন্যা ও জলাবদ্ধতা নিরসনে ৭৫০০ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প ,শনিবার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
-
বিএনপি সরকার কি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করতে পারবে?