১৯৭১ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাত নামের এই রাষ্ট্রটি প্রতিষ্টা হবার পর থেকেই গুটি গুটি পা পা করে যেমন উন্নতির চরম শেখরে উঠে যাচ্ছে , তেমনি এই উন্নতির শেখরে উঠতে যারা অবদান রাখছে , রাষ্ট্রটির সরকার সেইসব কর্মীদেরকে কাজের উপর ভিত্তি করে স্বীকৃতি দিতে ভুল করেনি।
যুগ যুগ ধরে বিভিন্ন মাধ্যমে কর্মীদের উৎসাহ ও পুরস্কৃত করে আসছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, এবার ও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি।
এবার দীর্ঘমেয়াদে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রথম সারির কর্মীদের স্বীকৃতি ও সহায়তা করার প্রত্যয় নিয়ে একটি নতুন অফিস প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে ।এর নামকরণ করা করা হবে ''ফ্রন্টলাইন হিরোস অফিস" নামে । এর সদর দফতর করা হবে আমিরাতের রাজধানী আবুধাবি শহরে । এই অফিসটির মাধ্যমে ফ্রন্টলাইন কর্মীদের ভূমিকা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো , সংকটকালীন সময়ে এবং জরুরী অবস্থায় তাদের প্রচেষ্টা এবং ত্যাগ এর স্বীকৃতি ও তাদের চাহিদাকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে ।
প্রেসিডেন্ট মহামান্য শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ান এর সরাসরি তত্বাবধানে (Federal Decree No. 95 of 2020) এই অফিসের সেটআপ করা হয়। আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত সশস্ত্র বাহিনীর ডেপুটি সুপ্রিম কমান্ডার মহামান্য শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান কে এই অফিসের চেয়ারম্যান করা হবে।
স্বকীয় স্বত্বা নিয়ে গঠিত অফিসটি আর্থিক ও প্রশাসনিকভাবে থাকবে স্বাধীন।
এই অফিস প্রতিষ্টার মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত কর্মীদের ভালো কাজের স্বীকৃতি ও শ্রমিকদের মূল্যায়নে আরও একধাপ এগিয়ে গেলো। এতে করে ভবিষ্যতে দ্বিগুন উৎসাহ উদ্দীপনার মাধ্যমে এখানকার কর্মীরা বিভিন্ন সংকট ও দুর্যোগে কাজ করবে বলে বিশেষজ্ঞরা মত প্রকাশ করেন।
-
র্যাবের নাম বদলে দিচ্ছে সরকার, নতুন নাম জানালো
-
বিএনপির ‘শাঁখের করাত’ ৯২ বিদ্রোহী প্রার্থী
-
বিশ্ব ক্যান্সার দিবস উপলক্ষে উত্তরা লেডিস ক্লাবে ক্যান্সার সচেতনতা সেমিনার অনুষ্ঠিত
-
বিমানের এমডি স্ত্রীসহ গ্রেপ্তার, আদালতের নির্দেশে কারাগারে
-
জুলাই গণ–অভ্যুত্থান নিয়ে ৮৩৭টি হত্যা মামলা, ৪৫৩টিতেই শেখ হাসিনা আসামী