ঢাকা ১১ বৈশাখ ১৪৩৩, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
ঢাকা ১১ বৈশাখ ১৪৩৩, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ
বাবার কোলে চাদরে মোড়ানো সন্তানের লাশ, মানুষকে কেন কাঁদাচ্ছে? তনু হত্যা : ১০ বছর পর প্রথম গ্রেপ্তার, রিমান্ডে সাবেক সেনা সদস্য, বিচার কেন আটকে ছিল? লন্ডনে সুনামগঞ্জ জেলা ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ইউকে'র নতুন কমিটির অভিষেক পেপ্যাল আসছে বাংলাদেশে, ২ লাখ ফ্রিল্যান্সার পাবেন আইডি কার্ড: তারেক রহমান চীন কি ইরানকে গোপনে অস্ত্র দিচ্ছে? ইরানকে সময় দিতে যুদ্ধবিরতি বাড়ালেন ট্রাম্প, নৌ অবরোধ চলবে যুক্তরাজ্যের ‘ইয়াং লিডারস অ্যাওয়ার্ড’ পাচ্ছেন ৪ বাংলাদেশি বিদ্যুৎ ও ডিজেল সংকট, সারা দেশে সেচ পাম্প বন্ধ, কৃষকদের হাহাকার মার্কিন অবরোধ তুলতে পাকিস্তানের উদ্যোগ, আলোচনায় বসার ইঙ্গিত ইরানের বাংলা প্রেসক্লাব বার্মিংহামের নতুন কমিটি: সভাপতি জিয়া, সম্পাদক আতিকুর মৌলভীবাজার ইনসানিয়া স্পেশালাইজড হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার উদ্বোধন সংরক্ষিত নারী আসন : বিএনপির এমপি হলেন যারা ইরানকে ‘উড়িয়ে দেওয়ার’ হুমকি ট্রাম্পের, আলোচনায় বসতে নারাজ তেহরান ইরানের জাহাজ জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্র, প্রতিশোধের হুমকি তেহরানের যুক্তরাজ্যে ঈদে ছুটির দাবিতে আলতাব আলী পার্কে সমাবেশ ১১ মে এবার হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধের ঘোষণা ইরানের আমেরিকার নজর ইরানে, ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে উত্তর কোরিয়া যেকোনো মুহূর্তে আবারও যুদ্ধ, দ্বিতীয় দফার বৈঠকের আগেই চূড়ান্ত রূপরেখা চায় ইরান টাওয়ার হ্যামলেটস নির্বাচন : লেবার মেয়র প্রার্থী সিরাজুল ইসলামের ২৫ দফা ইশতেহার ঘোষণা ‘আমরা নারী’ ও ‘ইউনিকো হসপিটালস পিএলসি’-এর মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর অবরোধ না তুললে হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুঁশিয়ারি ইরানের বিএনপির কাউন্সিল : দলপ্রধানের পদ ছাড়ছেন তারেক রহমান? ইসরায়েল ও লেবাননের ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি: ‘ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি’ কী হবে? যুক্তরাজ্যে আশ্রয় পেতে বাংলাদেশিরা যা করছে : নাস্তিকতার ভান, সমকামী সাজছেন / বিবিসি’র অনুসন্ধান জিয়ার হাতে ধানের শীষ তুলে দেন ভাসানী, তারেক রহমানের বক্তব্য নিয়ে মাঠ গরম করছে কারা? তেল রপ্তানি ছাড়াই দুই মাস কাটিয়ে দিতে পারবে ইরান তুতসি গণহত্যা নিয়ে ইউনেসকোর রাউন্ড টেবিল আলোচনা মধ্যপ্রাচ্যে ১০ হাজারের বেশি সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র স্পেনে বাংলাদেশিসহ নথিহীন ৫ লাখ অভিবাসীর বৈধ হওয়ার সুযোগ মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বাধায় ইরান ছাড়তে পারছে না তেলের ট্যাংকার

ওমিক্রণ এবং ব্রিটেনের প্রশ্নবোধক স্বাস্থ্য সেবা

প্রকাশিত: ১৫ জানুয়ারি ২০২২, ০৮:৩২ পিএম

ওমিক্রণ এবং ব্রিটেনের প্রশ্নবোধক স্বাস্থ্য সেবা

যারা ভ্যাকসিন সেবা দিচ্ছেন, যারা উপদেশ দিচ্ছেন, তাদের একটা বড় অংশ যদি এতে আস্থা না রাখেন, তাহলে এটা কোন্ ধরনের সেবা। তাই এটা নির্দ্বিধায় বলা যায়, এনএইচএস এর স্টাফদের নিজস্ব পছন্দের কারণে  কেন সরকার সমালোচিত হবে এবং জনগণের ট্যাক্সের অর্থে পরিচালিত স্বাস্থ্য খাত থেকে নাগরিক তার মৌলিক অধিকার থেকে কেন-ই বা বঞ্চিত হবে । আর একারনে এখন এনএইচ স্টাফদের প্রতি নাগরিকদের সেই 'নায়কসুলভ' প্রশংসা এখন সমালোচনার দিকেই আগাচ্ছে।

গত দু'বছর থেকে সারা পৃথিবীর পিছু ছাড়ছে না মহামারী। মহামারী করোনায় এ পৃথিবীর প্রায় সবাই-ই কোন না কোনভাবে থেকেছেনে শংকায়, ছিলেন আতংকগ্রস্থ। অধিকাংশ মানুষই কেউ না কেউ  হারিয়েছেন নিজস্ব কাছের মানুষ কিংবা স্বজন। কষ্টের পাথর ফেলে তবুও হারিয়ে যাওয়া মানুষগুলোর স্বজনা ফিরে আসছেন আবারও জীবনের পথচলায়, স্বাভাবিকত্বে। আমি আমরা অনেকেই দেখেছি, বড় কাছাকাছি জীবনের এই সংকট সময়। হাসপাতালে বসে আমিও আমার এক স্বজনের শেষ সময়ের প্রহর গুনেছি। নার্স এসে যখন বললেন, প্রচন্ড যুদ্ধ করেছেন তিনি, তাঁর সমস্থ শক্তি দিয়ে, কিন্তু একে একে শরীরের প্রতিটি অর্গানে করোনার কাঁটা বিদ্ধ করেছে তাঁকে জোরে, বড় জোরে।  যে কোন সময় তিনি হারিয়ে যাবেন চিরতরে। একজন মানুষের চলে যাওয়ার শেষ ক্ষণটুকু গুনছিলাম,আমরা তাঁর স্বজনরা । কেউ কারো দিকে তাকাই নি। চোখ থেকে বেরুচ্ছিল সকলের বেদনার বাষ্প, নিরব নিদারুন হাহাকারে।  তাঁর স্ত্রী বসেছিলেন পাশে, কোবিড আক্রান্ত রোগীদের কক্ষে, মেয়ে দু'জন দুটো চেয়ারে পাশাপাশি, সবাই ছিলেন কোন আশা ছাড়াই, বসেছিলেন শুধু শেষ নি:শ্বাসটুকু দেখার জন্য।কারণ নার্স-ডাক্তার তাঁদেরও সেই একই কথাই বলেছিলেন । তারপর যখন আমরা তাদের বেরিয়ে আসা দেখলাম, বুঝলাম একসময়ের জরজরে প্রচন্ড আড্ডাবাজ আশির দশকের প্রথম দিকের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই প্রানখোলা তরুণ, আমার অগ্রজ আলমগীর চৌধুরীকে আমরা আর ফিরে পাবো না। বুকফাটা আর্তনাদে তখন হাসপাতালের ভেতরের ওয়েটিং রুমে এক নিকষ কালো সময়, অন্তত তাঁদের জীবনের। কারন যাদের হারায়, শুধু তারাই জানে কি হারিয়েছে তারা।তবুও এইতো জীবন, এই তো জীবনের ছুটেচলা অনন্তের দিকে। অথচ এ মানুষটা একজন প্রচন্ড স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ ছিলেন। আমাকে সব সময় ফোন করে কি করতে হবে, তার একটা ফিরিস্তি দিতেন সময়ে সময়ে। আমাকে বলেছিলেন তোমিতো বোষ্টার নিয়েছো, আমিও নিচ্ছি আগামী সপ্তাহেই। ব্রিটেনে লকডাউন  শেষে এক বছরেরও অধিক সময় পর শুরু করেছিলেন তার অফিস যাত্রা, ম্যানচেষ্টারে। কিন্তু শেষপর্যন্ত মহামারী ডেল্টার কাছে তিনিও হারিয়ে গেলেন। তিনি বলতেন,কি আবার আরেকটা এসেছে, ওমিক্রণ--সতর্ক থেকো । ওমিক্রণ তাঁকে কিছুই করে নি। হয়ত ওমিক্রণ খুব একটা কিছু করছেও না।তবুও ব্রিটেনে এখন ওমিক্রণ-ঝড় চলছে। এই ঝড়ে লাখো মানুষ প্রতিদিন আক্রান্ত হচ্ছে। গত সপ্তাহে এই আক্রান্তের সংখ্যা একদিনে দু'লাখ ছাড়িয়েছিলো। এখন কিছুটা কমলেও লাখের উপরেই আছে। কিন্তু তারপরও সরকারী পর্যায়ে ওমিক্রণকে মহামারী হিসেবে নেয়া হচ্ছে না, গেলো বছরের মত। প্রায় দু'সপ্তাহ আগে বন্ধ করা হয়েছে গণহারে পিসিআর টেস্ট। শরীরে কোবিডের বড় রকমের কোন কিছু অনুভূত না দেখলে হাসপাতাল কিংবা কোবিড টেস্ট সেন্টারে ভীড় এড়াতে এ উদ্যোগ নিল সরকার। যেহেতু এ ভাইরাস আগের মত নেই, অর্থাৎ মৃত্যু ততটা নেই, সেহেতু ব্রিটনের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় চাপ কমাতেই এ উদ্যোগ। অন্যদিকে আতংক থেকে দেশটির জনগণকে দূরে রাখতে এ-ও একটা পদ্ধতি বটে। যুক্তরাজ্যের জনগণ ক্রমেই ওমিক্রণে র সাথে খাপ খাইয়ে নিচ্ছে। প্রতিবছরের স্বাভাবিক কাশি-সর্দির ভাইরাসেরমেতই মেনে নিতে শিখছে ব্রিটিশ জনগণ।  মানুষ যাতে হাসপাতাল কিংবা ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস (এনএইচএস)কে চাপের মুখে না রাখে সেজন্য এসব উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। কিন্তু  স্বাস্থ্য বিভাগ তথা সরকারের পক্ষ থেকে আতংকিত না হতে প্রচার-প্রচারণা থাকলেও এ প্রচারণা দেশটির জনগণের কাছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্ঠি করেছে । কিন্তু এখানেও কথা আছে । এমনিতেই এনএইচএস নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা আছে দেশটিতে । দেশটির গর্ব হিসেবে পরিচিত এ খাত । কিন্তু বিভিন্ন সার্ভিস নিয়ে প্রচুর সমালোচনার মুখে থাকে এ খাত । অনেক দিন রোগীদের আপেক্ষায় থাকতে হয় বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য । 'দুর্ঘঠনা এবং জরুরী' (এ এন্ড ই) বিভাগে থাকে দীর্ঘ লাইন। একটা উন্নত দেশের মানুষ তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই সমালোচনা মুখর থাকে । তবুও প্যান্ডামিক অর্থাৎ মহামারী আসার পর মানুষ এই সমালোচনা থেকে বেরিয়ে আসে । বরং স্বাস্থ্য সেবায় যারা কাজ করছেন, তাদের একটা আলাদা মর্যাদা দিয়েছে। কিন্তু এবার সেই নরম অর্থাৎ সহানুভুতিপুর্ণ মনোবৃত্তিটুকু মানুষের নেই । কারন মহামারীর কথা বলে অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যাপারটা আগের মতই আছে। নিজস্ব ডাক্তারদের কাছেও এপয়ন্টমেন্ট পেতে অনলাইনে কিংবা টেলিফোনে রীতিমত ইন্টারভিউ দিতে হয়।  ডাক্তার-নার্স মিলে হাজার হাজার কর্মচারী ওমিক্রণের নামে ছুটিতে । আর সরকার শুধু  'চাপ কমাও এনই্চএস বাাঁচাও' জাতিয় শ্লোগান নিয়ে আসছে । অথচ দেখা যাচ্ছে দেশটির বর্তমান যে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা অর্থাৎ দেশটিতে প্যান্ডামিক ছাড়াই যে পরিস্থিতি ছিল ইতিপূর্বে, তার চেয়ে বর্তমান খুব একটা মারাত্নক কিছু নয় । এখন মৃত্যু ১৫০ থেকে ৩০০'র মধ্যে উঠানামা করছে । এবং দেখা যাচ্ছে  ষাটোর্ধ মানুষগুলোর শংকা বাড়াচ্ছে ওমিক্রণে।  এক সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে ২০১৭'র শেষদিকে এবং ২০১৮'প্রথম দিকে   শীতকালীন সময়ে স্বাভাবিক ভাইরাসে দিনের মৃত্যু এরকম এসেছে। বিবিসি'র এক কলাম লেখক তাঁর লেখায় উল্লেখ করেছেন, সেসময়ও মৃত্যু এর বেশী ছিল না । আর সেজন্য এমনকি সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত বিবিসি প্রশ্ন রাখছে, যদি ২০১৭-১৮ এবং ২০২১-২২ এর যুক্তরাজ্যে নাগরিকদের উপর প্রকৃতির এই চাপ  প্রায় সমান থাকে, তাহলে কেন শুধু শুধু সরকার দায়ভার সরাতে নাগরিকদের তাদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত রাখছে । শীতকালীন সময়ে এরকম চাপ অস্বাভাবিক নয়। তিনি তাঁর আলোচনায় আরও উল্লেখ করেছেন, গত এক দশক থেকেই এনইচএস স্বাস্থ্য সেবায় সমালোচিত হচ্ছে । কোন সময়েই সরকার এর কোন উত্তরণ ঘঠাতে পারে নি। কোবিড শুরু হবার পর থেকে সত্যিকার অর্থেও স্বাস্থ্য কর্মীরা যে ত্যাগটুকু করেছেন, তার চেয়ে অনেক বেশী রিলাক্স মুডে আছেন তাঁরা এখন, বিশেষত জিপি সার্ভিস অর্থাৎ নাগরিকদের নিজস্ব ডাক্তার সেবা । অন্যদিকে যারা স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করবে, যারা মানুষকে আশ্বস্থ করছে, তাদের একটা বড় অংশই বিশ্বাস করছে না ভ্যাকসিনের প্রতি । কিংস কলেজ হসপিটালের প্রধান ড: ক্লভ কেই বিবিসি কে বলেছেন, তাঁর প্রতিষ্ঠানের ১০ শতাংশ ডাক্তার কিংবা নার্স কিংবা স্বাস্থ্য সেবার সাথে সংশ্লিষ্ট অর্থাৎ প্রায় ১৪ হাজার কর্মকর্তারা এখনও ভ্যাকসিন নেন নি। এদিকে স্বাস্থ্য বিভাগ থেকেই আমরা রিপোর্ট পাচ্ছি, আক্রান্তদের একটা বড় অংশ হলো টিকা না নেয়া মানুষ এবং ওমিক্রণে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর অধিকাংশই টিকাবিহীন বয়সী মানুষ। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রী সাজিদ জাভেদ এক হাসপাতাল পরিদর্শনে গেলে সে হাসপাতালের এক কনসালটেন্ট ষ্টীভ জেইমস   রীতিমত ভ্যাকসিন না নেয়ার পক্ষে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর কাছে প্রচার চালিয়েছেন । তিনি সাজিদ জাভিদকে বলেছেন, মানুষের ভ্যাকসিন না নেয়ার আইনগত অধিকার থাকা প্রয়োজন । অথচ বৈজ্ঞানিক ভিত্তি হল কোবিড থেকে নিজেকে বাঁচানোর এবং অন্যকে রক্ষা করার আপাতত অন্যতম প্রধান মাধ্যম হল নিজেকে ভ্যকসিনেইটেড করা। সরকারও নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে বিলিয়ন বিলিয়ন পাউন্ড ব্যয় করছে।  এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে, সরকার থেকে বিশেষত এনএইচএস এর স্টাফদের ভ্যাকসিন নিতে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। যারা ভ্যাকসিন সেবা দিচ্ছেন, যারা উপদেশ দিচ্ছেন, তাদের একটা বড় অংশ যদি এতে আস্থা না রাখেন, তাহলে এটা কোন্ ধরনের সেবা। তাই এটা নির্দ্বিধায় বলা যায়, এনএইচএস এর স্টাফদের নিজস্ব পছন্দের কারণে  কেন সরকার সমালোচিত হবে এবং জনগণের ট্যাক্সের অর্থে পরিচালিত স্বাস্থ্য খাত থেকে নাগরিক তার মৌলিক অধিকার থেকে কেন-ই বা বঞ্চিত হবে । আর একারনে এখন এনএইচ স্টাফদের প্রতি নাগরিকদের সেই 'নায়কসুলভ' প্রশংসা এখন সমালোচনার দিকেই আগাচ্ছে। ফারুক যোশী : কলাম লেখক, প্রধান সম্পাদক; ৫২বাংলাটিভি ডটকম। আরও পড়ুন- https://52banglatv.com/2021/12/32115/