ঢাকা ২ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
ঢাকা ২ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
সর্বশেষ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ভূমিকা: দুই বছর পর জাবির ১২ শিক্ষককে শাস্তি দিল্লি বিমানবন্দরের অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খুললেন ডা. জাহেদ উর রহমান ইরান-মার্কিন শান্তি চুক্তি নিয়ে অস্বস্তিতে ইসরায়েল, ট্রাম্প-নেতানিয়াহু সম্পর্কে টানাপোড়েন ব্রাজিলের দুঃসংবাদ: গ্রুপ পর্বে খেলতে পারছেন না নেইমার, অনিশ্চয়তা বাড়ছে বিশ্বকাপ ঘিরেও বিদেশি দক্ষ কর্মীদের জন্য যুক্তরাজ্যের নতুন ভিসা সহায়তা, মিলবে ৫ হাজার পাউন্ড পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার দিল্লিতে প্রবেশে বাধা: কী পদক্ষেপ নেবে বাংলাদেশ কেমন খেলল ব্রাজিল : মরক্কোর কাছে হোঁচট, ড্র দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু ট্রাম্পের দাবি আজই চুক্তি সই, ইরানের ভিন্ন সুর আর্জেন্টিনার খেলা কখন, কবে, কার সঙ্গে—পূর্ণ সূচি ও সম্ভাব্য পথচিত্র ব্রাজিলের খেলা কখন, কবে, কার সঙ্গে—পূর্ণ সূচি ও সম্ভাব্য পথচিত্র মারা গেছেন পপ আর্টের কিংবদন্তি ব্রিটিশ চিত্রশিল্পী ডেভিড হকনি টরন্টো বাংলা পাড়া টুর্নামেন্ট: টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন বিয়ানীবাজার বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬ : কোন ম্যাচ কখন ,কোথায় অনুষ্ঠিত হবে? ৩০ বছর পর সালমান শাহর দেহাবশেষ তোলার আদেশ হেলিকপ্টার হারিয়ে ইরানে মার্কিন হামলা, বাহরাইন ও জর্ডানে পাল্টা হামলা ইরানের আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন ইসরায়েলে ফের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: ইরানের সঙ্গে যুক্ত হলো হুতিরা বিশ্বকাপ ২০২৬: ফেভারিট কারা, চমক দেখাবে কোন দল? শুরু হচ্ছে ফুটবল বিশ্বকাপ : কোন দেশের খেলা কখন—জেনে নিন রামিসা ধর্ষণ-হত্যার ১৯ দিনের মাথায় সোহেল-স্বপ্না দম্পতির ফাঁসির রায় হোয়াইট হাউসের কাছে ফের গুলি, বন্দুকধারী নিহত ট্রাম্প কি ইরান যুদ্ধে হারছেন? হামে প্রতিদিন গড়ে ৭ শিশুর প্রাণহানি : রাজশাহী থেকে যেভাবে দেশজুড়ে ছড়াল লন্ডনে বাবু-রুপাসহ গ্রেপ্তার সাংবাদিকদের মুক্তির দাবি, অন্তর্বর্তী সরকারের নিন্দা যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিয়ম : গ্রিন কার্ড পেতে বিদেশিদের দেশে ফিরতে হবে হামে শিশু মৃত্যু বাড়ছেই: টিকার ঘাটতি নিয়ে ইউনিসেফের ৫ চিঠিতেও সতর্ক হয়নি ইউনূস সরকার শেখ হাসিনা সাক্ষাৎকার : গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার গর্ব নিয়ে দেশে ফিরব আ.লীগের ব্যাক করা নিয়ে মাহফুজের পোস্ট, যা লিখলেন প্রবাসীকে বাসায় ডেকে হত্যা: প্রেমিকার হাতে ভয়াবহ খণ্ডিত লাশ তনু হত্যা মামলায় নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য: ডিএনএ পরীক্ষায় আরও এক পুরুষের রক্ত শনাক্ত

দিল্লি বিমানবন্দরের অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খুললেন ডা. জাহেদ উর রহমান

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬ জুন ২০২৬, ০১:৩১ পিএম

দিল্লি বিমানবন্দরের অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খুললেন ডা. জাহেদ উর রহমান

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য, নীতি ও কৌশলগতবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান সম্প্রতি ভারত সফরে গিয়ে দিল্লি বিমানবন্দরে হেনস্তার শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সরকারের কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ বিষয়ে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

ঘটনা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, “এটা আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেখছে। এটা দুই দেশের অভ্যন্তরীণ ইস্যু হলে ব্যাপার ছিল— যেহেতু দুই দেশের ইস্যুতে পরিণত হয়েছে, কূটনৈতিক পারস্পরিক যোগাযোগ আছে, তাই সেটা তাদেরকেই ডিল করতে দিই।”

কূটনৈতিক পাসপোর্ট নয়, অন্য কারণ

কূটনৈতিক পাসপোর্ট না থাকায় সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে— এমন ধারণা নাকচ করে তিনি বলেন, “কূটনৈতিক পাসপোর্ট আমি নেইনি। মানে অন্য কোনও কারণে না, নিচ্ছি-নেবো করতে করতে হয়েছে। কূটনৈতিক পাসপোর্ট কোনও কারণ না, কারণ আমার পাসপোর্টে সার্ক স্টিকার দেওয়া হয়েছে। তার মানে কূটনৈতিক পাসপোর্ট যেভাবে কাজ করে সেভাবে এফেক্টিভ হওয়ার কথা। সো ইটস নট এট অল এ রিজন। আমি যদি কোনদিনও কূটনৈতিক পাসপোর্ট নাও নেই, আমার কি বিদেশ ভ্রমণ বন্ধ হবে? আমি কূটনৈতিক পাসপোর্ট নিতে কিন্তু বাধ্যও না। ওটা একটা প্রিভিলেজ, আমি আমার জায়গা থেকে এটা আমি নিতে পারি। কিন্তু এটা আমাকে নিতেই হবে এমন কোনও কথা নেই এবং কেউ কেউ বলার চেষ্টা করছেন যে পাসপোর্ট কারণ ছিল। পাসপোর্ট কারণ ছিল না। অন্য কারণ ছিল। এগুলো ইন্ডিয়ান মিডিয়াতেও কম-বেশি এসেছে।”

বিমানবন্দরে কী ঘটেছিল?

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, “কী হয়েছিল— আমি যা দেখেছি, আমার কথাটু খুব অল্প দুটো-তিনটা বাক্যে বলি, আমি একটা ডেলিগেটকে লিড করেছি। আমার সঙ্গে আরও মানুষজন ছিলেন। তারা তাদের ইমিগ্রেশন পার করে চলে গেলেন। আমার ইমিগ্রেশন যখন শুরু হলো আমি মুহূর্তেই বুঝতে পারলাম তারা দেরি করছেন। তাদের সময় লাগছে। তারা তারপরে নানান জনের সঙ্গে কথাবার্তা বলছেন।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের হাই-কমিশনার প্রথম থেকে আমার সঙ্গে ওখানে ছিলেন। এটা সবচেয়ে জরুরি কথা। আমাদের হাই-কমিশনার সম্পর্কে অনেক কথাবার্তা বলা হয় যে তার দুর্বলতা-গাফিলতি কিছু ছিল কিনা। আমি এখানে স্পষ্টভাবে বলছি— ওখানে ল্যান্ড করার পর থেকে শেষে আমি ইন্ডিয়ান টাইম রাত সড়ে আটটায় একটা ফ্লাইটে কলম্বো হয়ে ঢাকায় ফিরেছি। কারণ আমি চাইনি ভারতের ইমিগ্রেশন ক্রস করতে। সেজন্য আমারও বেশ কিছু ঝুট-ঝামেলা হয়েছে। পুরো সময়টা হাই-কমিশনার পাশে ছিলেন। তিনি তার জায়গা থেকে সলভ করার চেষ্টা করেছেন বিভিন্ন জায়গায় ফোন করে।”

‘রাষ্ট্রের প্রতিনিধির প্রতি সৌজন্যের ঘাটতি ছিল’

পরিস্থিতি নিয়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ডা. জাহেদ বলেন, “সমস্যা কি হয়েছে আমি নিজের মুখে বলছি না। এটা পত্রপত্রিকা, বিশেষ করে, ইন্ডিয়ান মিডিয়াতে যথেষ্টই এসেছে। তারা তাদের সোর্স থেকে তাদের খবর-টবর দিয়েছেন। কিন্তু দুই ঘন্টার মাথায় আমি ডিসাইড করেছি। ইটস টু মাচ। আমি আসলে আর ঢুকবো না। আমি এই রাষ্ট্রের— আমি আবারও বলছি আমি ব্যক্তি না, আমি এই রাষ্ট্রের একটা পদে আছি, সেই পদের প্রতি যে সৌজন্য সেটা ল্যাগ করেছে বলে আমার মনে হয়েছে। সেকারণে আমি এই সিদ্ধান্তটা নিয়েছি এবং সেটা কেন কি হয়েছে সেটার কারণ আপনারা সম্ভবত ইন্ডিয়ান মিডিয়াতে বা বাংলাদেশের অনেক মিডিয়াতেও এসেছে— সেটা পাবেন আমি আসলে আর খুব বিস্তারিত বলছি না।”

আইওআরএ কর্মসূচিতে অংশ নিতে গিয়েছিলেন

কূটনৈতিক সূত্র জানায়, ভারত মহাসাগরীয় দেশগুলোর সংগঠন Indian Ocean Rim Association-এর (IORA) একটি কর্মসূচিতে অংশ নিতে বাংলাদেশ সরকার ডা. জাহেদ উর রহমানকে মনোনয়ন দেয়। তার সফরের বিষয়টি ১২ জুন কূটনৈতিক চ্যানেলে ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছিল।

গত রোববার সন্ধ্যায় তিনি দিল্লির Indira Gandhi International Airport-এ পৌঁছান। সেখানে তাকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ।

আড়াই ঘণ্টা ইমিগ্রেশনে অপেক্ষা

কূটনৈতিক সূত্রের তথ্যানুযায়ী, সাধারণ (সবুজ) পাসপোর্টে SAARC ভিসা নিয়ে দিল্লিতে পৌঁছানোর পর বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে প্রায় আড়াই ঘণ্টা আটকে রাখে এবং বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে।

এ সময় বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তারা ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করেন। পরে তিনি সফর বাতিল করে পাসপোর্ট ফেরত নেন। পরবর্তীতে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ ভিসা দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানালেও তিনি দিল্লি সফর বাতিলের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেননি।

কলম্বো হয়ে দেশে ফেরা

রবিবার রাতে দিল্লি থেকে ঢাকায় সরাসরি ফ্লাইট না থাকায় তিনি শ্রীলঙ্কার রাজধানী Colombo হয়ে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন।

বাংলাদেশের হাইকমিশনের সহায়তায় তিনি সেদিনই কলম্বো যান। সোমবার ভোরে সেখানে পৌঁছালে শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার আন্দালিব ইলিয়াস তাকে স্বাগত জানান। প্রায় চার ঘণ্টা ট্রানজিটে থাকার পর তিনি সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকায় ফেরেন।

কূটনৈতিক প্রতিবাদ জানায় বাংলাদেশ

ঘটনার পর পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একাধিক বৈঠক করে।

পরে ঢাকায় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার পবন বাঢ়েকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় ডেকে পাঠানো হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়া অনুবিভাগের মহাপরিচালক ইশরাত জাহান তাকে সরকারের অসন্তোষের কথা জানান এবং একটি কূটনৈতিক প্রতিবাদপত্র হস্তান্তর করেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র একেএম শহীদুল করিমও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সরকারের প্রতিক্রিয়া

ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলবের আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, তথ্য উপদেষ্টাকে নিয়ে দিল্লির ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দুঃখজনক।

অন্যদিকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সঙ্গে যা হয়েছে, তা কোনোভাবেই প্রত্যাশিত নয়।

‘রেড ফ্ল্যাগ’ তালিকার প্রসঙ্গ

কূটনৈতিক সূত্রের দাবি, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের আগেই জাহেদ উর রহমানের নাম ভারতীয় কর্তৃপক্ষের ‘রেড ফ্ল্যাগ’ তালিকায় ছিল। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরও তার নাম ওই তালিকা থেকে সরানো হয়নি। তা ছাড়া, এই যাত্রায় জাহেদ উর রহমান রাষ্ট্রীয় সফরে গেলেও কূটনৈতিক পাসপোর্ট ব্যবহার করেননি বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।

কয়েকজন কূটনীতিক বলেন, সরকারের মনোনীত প্রতিনিধি হিসেবে একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার সভায় অংশ নিতে যাওয়ার বিষয়টি ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে আগেই জানানো হয়েছিল। এছাড়া দিল্লি বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাতে বাংলাদেশের হাইকমিশনারও উপস্থিত ছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্সের নামে তাকে হয়রানির ঘটনা ‘অনিচ্ছাকৃত’ নাও হতে পারে বলে তারা মনে করেন।

ভারতের সঙ্গে আমরা সম্পৃক্ত হতে চাই: ডা. জাহেদ

প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি বিষয়ক উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায়) ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, ভারত আমন্ত্রণ জানালে নিশ্চয়ই যাবো। আমি এই কথাটা খুব স্পষ্ট করে দিচ্ছি— আমি যদি প্রোপার ইনভিটেশন পাই, আমি নিশ্চয়ই যাবো। আমি ভারতের সঙ্গে এনগেজ করতে চাই, লজিক্যালি অ্যান্ড রেশনালি। কথাটা খুব ইম্পর্টেন্ট।” মঙ্গলবার সরকারের কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস কনফারেন্সে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. জাহেদ বলেন, “ভারতের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার কথা বললে কারও কারও কাছে মনে হয় যে আমি দেশ বিকিয়ে দিতে যাচ্ছি। বাংলাদেশ বিকিয়ে দিয়ে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক এই সরকার কখনও করবে না। সবার আগে বাংলাদেশ বলছি আমরা। সুতরাং ভারতের সঙ্গে আমরা এনগেজ করতে চাই। আমাদের সমমর্যাদার ভিত্তিতে আমরা ব্যবসা-বাণিজ্যসহ আরও অনেক কিছুতে আমাদের উন্নতি করার সুযোগ আছে। আমরা যে জায়গায় ছিলাম সেখান থেকে তো আমরা নেমেও এসেছি। ইন্টেরিমের সময় সম্পর্কটা যথেষ্ট খারাপ পর্যায়ে গেছে। সেগুলো সরিয়ে রেখে আমরা এনগেজ করতে চাই। ব্যবসা-বাণিজ্য করতে চাই। আমাদের এক্সচেঞ্জ নানান ফর্মে হতে পারে।”

তিনি বলেন, “শুধু সেটা না। গঙ্গা পানি চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে এই বছরের ডিসেম্বরে। আমাদের সেই পানি চুক্তি রিনিউয়াল নিয়ে কথা আছে। আমাদের তিস্তা চুক্তি নিয়ে কথা আছে। আমাদের পানি আমাদের অভিন্ন আরও টোটাল ৫৩টা নদী আছে। আমাদের রাইট আছে। আমাদের ভারতের সঙ্গে এনগেজ করতে হবে এবং সেখানে যদি কোনোভাবে রোল প্লে করতে পারি আমি সেটা লুফে নেবো। আমি এটা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেই। আমার সঙ্গে যে আচরণ হয়েছে সেই আচরণের জন্য আমি যা করেছি এটা ওই আচরণের একটা তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া। আমি ব্যক্তিগতভাবে চাই ভারত তার এই মানসিকতা নিয়ে আমাদের সঙ্গে আসবেন। একটা গণতান্ত্রিক সরকারের সঙ্গে— ইনফ্যাক্ট ইন্টেরিম সরকারের সময় তারা অনেকবার এই কথাবার্তা বলেছেন যে, গণতান্ত্রিক সরকারের সঙ্গে তারা, নতুন সরকার যেটা আসবে যেটা জনগণের ম্যান্ডেট-প্রাপ্ত তার সঙ্গে তারা এনগেজ করবেন। আমি আশা করি তারা সেটা এগিয়ে যাবেন এবং আমি যদি কোথাও কোনোভাবে রোল প্লে করার সুযোগ পাই, ইনভিটেশন পাই নিশ্চয়ই ভারতে যাবো। আবারও বলছি ব্যক্তি জাহেদ ওখানে কিছু করে নাই। আসলে আমি বিষয়টি ব্যক্তিগতভাবে নেইনি। বিষয়টি দেখেছি যে, একটা রাষ্ট্রের একটা সরকারের একটা পজিশনের একজন মানুষের সঙ্গে এই আচরণ হচ্ছে, সেই কারণে আসলে ওটা করেছি।”