ঢাকা ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
ঢাকা ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ
হরমুজ প্রণালিতে আরও ৬ জাহাজে হামলা সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু: স্পিকার হলেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ, কীভাবে সম্পন্ন হলো নির্বাচন প্রক্রিয়া? মোজতবা খামেনি এখন কোথায়? ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাও আক্রান্ত যুদ্ধের আকাশে নতুন মারণাস্ত্র : লেবাননে সাদা ফসফরাস, ইরানে কালো বৃষ্টি ইরান যুদ্ধ কতদিন চলতে পারে? ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী, কত মানুষ এ সুবিধা পাবেন? কমনওয়েলথ সভায় বাংলাদেশ : রোহিঙ্গা সংকট ও জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যু তুললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৌদিতে প্রাণ গেল আরও এক বাংলাদেশির বুয়েটে আবার নির্যাতনের ঘটনা : সেহরি খেতে যাওয়া ঢাবি শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে থানায় হস্তান্তর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হলেন খামেনিপুত্র মোজতোবা খামেনি, ট্রাম্প কী করবেন? লন্ডনে 'লতা দিয়া ফতা': সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির ব্যতিক্রমী সেহরি আয়োজন ইতিহাস গড়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতলো ভারত সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বাংলাদেশি নিহত অবশেষে ভারত থেকেই গ্রেপ্তার হাদি হত্যার প্রধান আসামী মুশফিকুল ফজলসহ ইউনূস-সরকারের নিয়োগকৃত ৪ রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার ৭ মার্চের ভাষণ বাজিয়ে গ্রেপ্তার ইমিসহ তিনজন কারাগারে মানহানির অভিযোগে নাসীরুদ্দীনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন সৌদি আরবে দুই দফা ড্রোন হামলা, আকাশসীমায় সতর্কতা লন্ডনে হাই কমিশনারকে ‘প্রত্যাহার’ এর খরব দিলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ৭ মার্চের ভাষণ বাজিয়ে আটক ঢাবির সাবেক ছাত্র, সাউন্ড বক্স জব্দ ৭ই মার্চে ৩২ নম্বরে ফুল দিতে গিয়ে আটক ৪ জন অবৈধ অভিবাসী দেশে ফিরলে মিলবে ১০ হাজার পাউন্ড এবার তেহরানে প্রাইমারি স্কুলে ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের হামলা শমসের নগর ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্ট ইউকের ইফতার ও দোয়া মাহফিল রাজনগর ওয়েলফেয়ার সোসাইটি ইউকে'র ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশিকে মালয়েশিয়া থেকে গ্রেপ্তার করে  যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে গেল এফবিআই ইরানকে সময়ের আগেই ‘ধ্বংস’ করার ঘোষণা ট্রাম্পের, পাল্টা হুংকার স্টেপনি শাহজালাল মসজিদ নির্মাণ কাজ ৮০ ভাগ সম্পন্ন: জরুরি প্রয়োজন £৭০০,০০০ খালেদা জিয়াসহ ১৫ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠান পাচ্ছেন স্বাধীনতা পুরস্কার

সিলেটে পরাজয় তবুও জনমনে সংশয়

প্রকাশিত: ০৩ আগস্ট ২০১৮, ০৫:৩৫ পিএম

সিলেটে পরাজয় তবুও জনমনে সংশয়

বরিশালের মেয়র প্রার্থী ডাঃ মনীষা চক্রবর্তীর ভোটের দিনের একটা ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল হয়েছিল। সেখানে তিনি সকাল নয়টায় একটা ভোটকেন্দ্রের চিত্র তোলে ধরেছিলেন এবং একে একে ব্যালট পেপারে নৌকার প্রতীকে সীল মারাটা দেখিয়ে দিচ্ছিলেন। একজন প্রিসাইডিং অফিসার তার সামনে অসহায়ের মত দাঁড়িয়েছিলেন আর মনীষা উচ্চারণ করেছিলেনআপনারা শিক্ষিত মানুষসকাল নয়টায় কোন ভোটার নেই, কিচ্ছু নেই অথচ এতো এতো ভোট কিভাবে সিলমারা অবস্থায় এখানে পড়ে আছে।‘ এই সত্যটুকু দেখছিলাম আর মনে হচ্ছিল মনিষা আপনার কপালে শনি ভর করেছে। দিনের শেষ বেলায় দেখেছি তার কপাল ভাল আছে, তবে তাঁর হাতটা ভাল নেই। তাঁর এই হাতটার উপর ব্যান্ডেজ যে বা যারা পরিয়েছেন, তারা হয়ত তাঁর মতো আরেক ডাক্তারই। কেন এটা হয়েছে, তা আমাদের জানা আছে। আমরা কি বলতে পারবো, কারা সেই মানুষগুলো? বলতে গেলে আবারও হাতুড়ি, আবারও সন্ত্রাস। 

গত সংসদ নির্বাচন হয়েছিল ভোটারবিহীন। যুক্তি আছে। বিরোধী দল নির্বাচনে আসে নি, অতএব গনতান্ত্রিক পদ্ধতিকেতো মাঝপথে আটকানো যাবে না। তাই সংবিধানের বিধান মেনে নিয়েছিল দেশের অধিকাংশ মানুষই। যদিও ঢেঁকি গিলেছিলো জনগণ। কিন্তু তিন নগরের সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনের যে বার্তাগুলো আমরা পাচ্ছি, তাতে তো এটাই ধরে নেয়া যেতে পারে, আগামীর নির্বাচন নিয়ে শুরু হচ্ছে ধ্রুমজাল। নির্বাচন কমিশন থেকে আগেই বলা হয়েছে, সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন হচ্ছে, জাতীয় নির্বাচনের রিহার্সাল। মাত্র দু-তিন দিন আগে তিনটি শহরে যে রিহার্সেল হলো, এতে কি মনে হয় এই কমিশনের অধীনে সুষ্ট নির্বাচন হবে ? আর তাই স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন দেখা দিতেই পারে আবারও কি সংবিধান সামনে আসবে আমাদের। সংবিধানের জুজু দেখিয়ে এবার কি আরও অধিক সংখ্যক আসন পাকাপোক্ত হবে নির্বাচনবিহীন। 

 

বিএনপিসহ অন্যান্য দলগুলো সরাসরি নির্বাচনে না আসার কথা বলছে না। তবে বিএনপি যাতে নির্বাচনে না আসে সে রকম পরিবেশ তৈরী করা হচ্ছে। রাজনীতির আকাশ এরকম মেঘাচ্ছন্ন কিংবা আগুনের মত ভয়াবহ থাকলে স্বাভাবিকভাবে অন্যান্য দলগুলোও নির্বাচনে আসবে না। শুধুমাত্র ক্ষমতার আশপাশে থেকে মধু সংগ্রহের জন্যে কিছু নামমাত্র সাইনবোর্ড সর্বস্ব বৈজ্ঞানিক তত্বের রাজনীতিবিদরা এরকম নির্বাচনকেও গনতন্ত্রের অংশ হিসেবে ধরে নিয়ে এতে অংশ নেবেন। এখনও যাদের দায়িত্বই হলো তাদের মন্ত্রণালয়ের কথা না বলে শুধু প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়া কিংবা তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে কথা বলা। কিংবা মাঝে মাঝে জঙ্গী জঙ্গী শব্দ উচ্চারণ করে এদের প্রতিহত করার কথা বলা; কার্যত তারা কিছুই করেন না। এবং সেজন্য এদের সংগে নিয়ে নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হবে যথা নিয়মেই। সরকার একটা শক্ত অবস্থানে আছে। পুলিশ-র‌্যাব কিংবা তাদের ছাত্রদের সাংগঠনিক শক্তির কারণেই। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতাকে উপেক্ষা করা যেখানে যাবে না, সেখানে নির্বাচন অনেকটা অনিবার্যই হয়ে যাবে। সে হিসেবে এবারের নির্বাচনটা আরও গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু তবুও নির্বাচনকে আন্দোলনের শক্তি হিসেবেই জনগণের সামনে নিয়ে আসার ধারণা থাকতে পারে কোন রাজনৈতিক দলের। কারণ নির্বাচনী মাঠ অনেকটাই জনগণের সামনে যাবার একটা বিরাট মাধ্যম। সে মাধ্যমকে কাজে লাগাতেই পারে আন্দোলনকামী শক্তি। 

 

সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন আওয়ামী লীগকে প্রায় সবকটা