শনিবার, ২ মার্চ ২০২৪ খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
টাওয়ার হ্যামলেটসের নতুন বাজেটে হাউজিং, শিক্ষা, অপরাধ দমন, তরুণ, বয়স্ক ও মহিলাদের জন্য বিশেষ কর্মসূচিতে বিপুল বিনিয়োগ প্রস্তাব  » «   আজীবন সম্মাননা পেলেন সৈয়দ আফসার উদ্দিন এমবিই  » «   লন্ডন বাংলা স্কুলের আয়োজনে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত  » «   লন্ডনবাসী প্রবীণ মুরব্বী জমির উদ্দিন( টেনাই মিয়া)র ইন্তেকাল  » «   কবি সংগঠক ফারুক আহমেদ রনির পিতা মুমিন উদ্দীনের ইন্তেকাল  » «   একসেস ট্যু জাস্টিস নিশ্চিত করা আইনের শাসনের প্রধান স্তম্ভ  » «   বৃহত্তর সিলেট এডুকেশন ট্রাস্টের নির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত  » «   বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে প্যালেষ্টাইনের জনগণের প্রতি উৎসর্গ করে লন্ডনে সমাবেশ  » «   এডভোকেট মোহাম্মদ আব্বাছ উদ্দিন যুক্তরাজ্যে আসছেন  » «   হিলালপুর গ্রামে সড়ক বাতি উদ্বোধন  » «   বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সমিতি ইউকের কার্যকরী কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত  » «   পূর্ব মুড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসিপরীক্ষার্থীদের মধ্যে পরীক্ষা উপকরণ বিতরণ  » «   গুচ্ছ কবিতা ।। আতাউর রহমান মিলাদ  » «   ব্রিটেনের রাজা চার্লস ক্যান্সারে আক্রান্ত  » «   গুচ্ছ কবিতা ।। আবু মকসুদ  » «  
সাবস্ক্রাইব করুন
পেইজে লাইক দিন

কুয়েতে কঠোর পরিশ্রমেও সংসার চলে না প্রবাসী সেলিমের



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

 

‘কুয়েতে একটা ফার্মে আছি। মাসে ৮০ দিনার বেতন পাই। এদেশে মানসম্মত কাজের বড়ই অভাব। কোনোরকম চলছি। দুঃখে কষ্টে দিন চলে যাচ্ছে। বাড়িতে ঠিকমতো টাকা পাঠাতে পারি না।’ কথাগুলো বলছিলেন কুয়েত প্রবাসী ফেনীর ফাজিলপুরের মোহাম্মদ সেলিম।

তিনি বলেন, বেতন কম হলেও এখানে আমার খুব ভালো লাগে। কারণ কুয়েতের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বাংলাদেশিরা আমাদের এই খামারে আসে। অনেক সময় তারা বিভিন্ন পশুপাখি কিনেও নিয়ে যায়। দেশীয় ভাইদের সঙ্গে দেখা হলে সত্যিই ভালো লাগে। বেতন কম তবুও ভালো আছি বলেন সেলিম।

মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম তেল সমৃদ্ধ দেশে কুয়েত। দেশটির সীমান্তবর্তী ইরাক, ইরান, সৌদি আরব। কুয়েত সিটি থেকে ১শ ২৫ কি.মি. দূরে ইরাক সীমান্তবর্তী কুয়েতের আবদালি মরুভূমি এলাকা। এখানে শাক-সবজি থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের ফার্ম রয়েছে। ফার্মগুলোতে প্রবাসী বাংলাদেশিরা কাজ করে থাকেন।

কুয়েত সরকার থেকে জমি লিজ নিয়ে বিভিন্ন শাক-সবজি ও ফলের বাগান, উট, ভেড়া, দুম্বা, হাঁস, মুরগি, কবুতরসহ বিভিন্ন প্রজাতির পশু পালন করে থাকে প্রবাসী বাংলাদেশিরা। শীতের মৌসুমে সিটি এলাকা থেকে বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা বন্ধু-বান্ধব ও পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসে। পছন্দ হলে কিনেও নিয়ে যায়।

মাঝে মাঝে সৌদি, ইরানি আরবিরা খেমা (তাবু) বানিয়ে মরুভূমিতে বেড়াতে আসেন। তারা এগুলো এখান থেকে কিনে নিয়ে যায়। টার্কি

মুর্গি ৬ দিনার, হাঁস ৪ দিনার, সাধারণ মুরগি ৩ দিনার। এ ছাড়া বিভিন্ন জাত ও সাইজের ওপর দামেরও ভিন্নতা আসে। শীতকালে এখানে প্রচুর লোকের সমাগম ঘটে।

এই মরু এলাকায় একাধিক বাংলাদেশি পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসে। তাদের মধ্যে একজন চট্টগ্রামের মো. কামরুল। তিনি বলেন, এখানে বিভিন্ন ধরনের সতেজ ও তরতাজা শাক-সবজি ফলমূল, হাঁস, মুরগি, কবুতরসহ বিভিন্ন প্রজাতির পশুপাখি বিক্রি করে থাকে। দামেও কম। কিছু খাওয়ার ইচ্ছা হলে ওখান থেকেই কিনে নিই।

তিনি বলেন, সিটি এলাকাগুলোতে বেশির ভাগ জিনিস নিতে সমস্যা হয়। এ কারণে অনেক সময় দূর হলেও আবদালিতে হাটে চলে আসি। আরেকটা বিষয় হলো শাক-সবজি উৎপাদন, পশু পাখি লালন পালন ও বিক্রি বেশিরভাগেই আমাদের বাংলাদেশি ভাইয়েরা কঠোর পরিশ্রমে করে থাকে। বাজার করার সুবাদে তাদের সঙ্গে দেখাও হয় তাতে বেশ ভালোও লাগে।

 


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন