­
­
শুক্রবার, ২ মে ২০২৫ খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ বৈশাখ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
মানবিক করিডর আসলে কী, বিশ্বের আর কোথায় আছে, কতটা কার্যকর?  » «   বিএনপি না জামায়াত কোন দিকে ঝুঁকছে ইসলামপন্থি দলগুলো?  » «   সুইডেনে অতর্কিত বন্দুক হামলায় নিহত ৩  » «   ইতালিতে বর্ণাঢ্য বৈশাখী উৎসব বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ পরিষদের  » «   ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রফতানিতে চমক: চীনের ঘাটতি পূরণ করছে বাংলাদেশ  » «   কানাডায় লিবারেলদের জয়, কী কারণ  » «   রাখাইনের জন্য করিডর বাংলাদেশের জন্য কী ঝুঁকি তৈরি করতে পারে?  » «   ইউরোপ ৪ দেশ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন!  » «   ডলারের বিপরীতে টাকার মান বৃদ্ধি  » «   বিশ্বে সামরিক ব্যয় রেকর্ড বেড়ে ২.৭ ট্রিলিয়ন ডলার  » «   নতুন এক লাখ ১৩ হাজার রোহিঙ্গার অনুপ্রবেশ  » «   ৬০ টন পণ্য নিয়ে সিলেট থেকে উড়ল প্রথম কার্গো ফ্লাইট  » «   রাখাইনে মানবিক সহায়তায় শর্তসাপেক্ষে করিডোর দিতে রাজি সরকার  » «   শেখ হাসিনাকে ‘চুপ’ রাখতে পারবেন না বলে জানান মোদি  » «   ‘জন্মই আমার আজন্ম পাপ’ কবিতার কবি দাউদ হায়দার আর নেই  » «  

কুয়েতে কঠোর পরিশ্রমেও সংসার চলে না প্রবাসী সেলিমের



 

‘কুয়েতে একটা ফার্মে আছি। মাসে ৮০ দিনার বেতন পাই। এদেশে মানসম্মত কাজের বড়ই অভাব। কোনোরকম চলছি। দুঃখে কষ্টে দিন চলে যাচ্ছে। বাড়িতে ঠিকমতো টাকা পাঠাতে পারি না।’ কথাগুলো বলছিলেন কুয়েত প্রবাসী ফেনীর ফাজিলপুরের মোহাম্মদ সেলিম।

তিনি বলেন, বেতন কম হলেও এখানে আমার খুব ভালো লাগে। কারণ কুয়েতের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বাংলাদেশিরা আমাদের এই খামারে আসে। অনেক সময় তারা বিভিন্ন পশুপাখি কিনেও নিয়ে যায়। দেশীয় ভাইদের সঙ্গে দেখা হলে সত্যিই ভালো লাগে। বেতন কম তবুও ভালো আছি বলেন সেলিম।

মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম তেল সমৃদ্ধ দেশে কুয়েত। দেশটির সীমান্তবর্তী ইরাক, ইরান, সৌদি আরব। কুয়েত সিটি থেকে ১শ ২৫ কি.মি. দূরে ইরাক সীমান্তবর্তী কুয়েতের আবদালি মরুভূমি এলাকা। এখানে শাক-সবজি থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের ফার্ম রয়েছে। ফার্মগুলোতে প্রবাসী বাংলাদেশিরা কাজ করে থাকেন।

কুয়েত সরকার থেকে জমি লিজ নিয়ে বিভিন্ন শাক-সবজি ও ফলের বাগান, উট, ভেড়া, দুম্বা, হাঁস, মুরগি, কবুতরসহ বিভিন্ন প্রজাতির পশু পালন করে থাকে প্রবাসী বাংলাদেশিরা। শীতের মৌসুমে সিটি এলাকা থেকে বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা বন্ধু-বান্ধব ও পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসে। পছন্দ হলে কিনেও নিয়ে যায়।

মাঝে মাঝে সৌদি, ইরানি আরবিরা খেমা (তাবু) বানিয়ে মরুভূমিতে বেড়াতে আসেন। তারা এগুলো এখান থেকে কিনে নিয়ে যায়। টার্কি

মুর্গি ৬ দিনার, হাঁস ৪ দিনার, সাধারণ মুরগি ৩ দিনার। এ ছাড়া বিভিন্ন জাত ও সাইজের ওপর দামেরও ভিন্নতা আসে। শীতকালে এখানে প্রচুর লোকের সমাগম ঘটে।

এই মরু এলাকায় একাধিক বাংলাদেশি পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসে। তাদের মধ্যে একজন চট্টগ্রামের মো. কামরুল। তিনি বলেন, এখানে বিভিন্ন ধরনের সতেজ ও তরতাজা শাক-সবজি ফলমূল, হাঁস, মুরগি, কবুতরসহ বিভিন্ন প্রজাতির পশুপাখি বিক্রি করে থাকে। দামেও কম। কিছু খাওয়ার ইচ্ছা হলে ওখান থেকেই কিনে নিই।

তিনি বলেন, সিটি এলাকাগুলোতে বেশির ভাগ জিনিস নিতে সমস্যা হয়। এ কারণে অনেক সময় দূর হলেও আবদালিতে হাটে চলে আসি। আরেকটা বিষয় হলো শাক-সবজি উৎপাদন, পশু পাখি লালন পালন ও বিক্রি বেশিরভাগেই আমাদের বাংলাদেশি ভাইয়েরা কঠোর পরিশ্রমে করে থাকে। বাজার করার সুবাদে তাদের সঙ্গে দেখাও হয় তাতে বেশ ভালোও লাগে।

 

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

সাবস্ক্রাইব করুন
পেইজে লাইক দিন