রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
https://blu-ray.world/ download movies
সর্বশেষ সংবাদ
বঙ্গবন্ধু স্কলারশিপ আন্তর্জাতিক অঙ্গণে বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রতিচ্ছবি  » «   লীলা নাগের স্মৃতি রক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উদ্যোগ নেবে  » «   ফুসফুস-ক্যান্সার পরীক্ষার জন্য মাইল এন্ড লেজার সেন্টারে স্থাপন করা হচ্ছে বিশেষ ‘স্ক্রিনিং মেশিন’  » «   অলি-মিঠু-টিপু প্যানেলের পরিচিতি ও ইশতেহার ঘোষণা  » «   ২০ নভেম্বর লন্ডনের রয়েল রিজেন্সিতে ৫ম বেঙ্গলী ওয়েডিং ফেয়ার  » «   একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির যুক্তরাজ্য শাখা গঠিত  » «   টি আলী স্যার ফাউন্ডেশন সম্মাননা পেলেন সিলেটের ২৪গুণী শিক্ষক  » «   নওয়াগ্রাম প্রগতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফুল, ফল ও ঔষধি বৃক্ষরোপণ  » «   আলোকিত মানুষ শিক্ষক মো. সমছুল ইসলাম এর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী  » «   সিলেটের বিয়ানীবাজারে একটি পরিত্যক্ত কূপে তাজা গ্যাসের মজুদ আবিষ্কৃত  » «   বাংলাদেশী কারী  ব্রিটেনের প্রবৃত্তি ও খাবার সংস্কৃতিতে অনন্য  অবদান রাখছে  » «   পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় নারীবাদের প্রতিবন্ধকতা  » «   রিষি সুনাক এশিয়ান বংশদ্ভোত, কনজারভেটিভ এবং ধনীদের বন্ধু  » «   গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাব নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারীদের ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহবান  » «   স্পেনে যুবলীগের উদ্যোগে আলোচনা ও কর্মীসভা অনুষ্ঠিত  » «  
সাবস্ক্রাইব করুন
পেইজে লাইক দিন


বিশেষ সম্পাদকীয়
রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে এ এক সুদৃঢ় রায়



সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

বহু প্রতিক্ষীত ছিল এ রায়। কেননা এ ছিল এক কল্পনাতিত লোমহর্ষক হত্যাযজ্ঞ। এটা নির্ধিদায় বলা যায়, এ হত্যাকান্ড চালানো হয়েছিল, তৎকালিন বিরোধী দলীয় নেত্রী আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দ্যেশ্যে। নেতার প্রতি অগাধ আস্থা-শ্রদ্ধা-বিশ্বাস থেকে সে সময় শেখ হাসিনাকে বাঁচিয়েছিলেন তাঁরই দলের নেতারা। তাঁকে ঘিরে মানবতার দুর্বেধ্য প্রাচীর তৈরী করেছিলেন, আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীরা। সে-ও আরেক বিস্ময়। নিজের জীবনকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে কেন্দ্রের নেতারা বাঁচিয়েছিলেন শেখ হাসিনাকে। কিন্তু শেষ রক্ষাটি হয় নি। ২৪ জন মানুষের নিস্প্রাণ দেহ আর অসংখ্য মানুষের আজীবন কষ্টের ক্ষত নিয়ে বাঁচতে হয়েছে বাঙ্গালি জাতি বিগত চৌদ্দটি বছর।

বলতেই হয় এ ছিল এক রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস। একজন নেত্রীকে হত্যার মধ্য দিয়ে তারা চেয়েছিল গোটা দলটাকেই ছিন্নভিন্ন করে দিতে। শেখ হাসিনাকে হত্যা করে তারা চাইছিল, জাতির একটা চেতনাকে হত্যা করে মৌলবাদ আর সাম্প্রদায়িকতার জয়কেতন উড়াতে। গেল চৌদ্দটি বছর অপেক্ষা করেছেন ২১ আগষ্ট মামলার কথিত আসামি জজ মিয়াসহ নিহতদের স্বজন। শুধু আওয়ামী লীগ নয়, প্রতীক্ষায় ছিল বাংলাদেশের অগণিত মানুষ। বলতেই হয় এ ছিল রাষ্ট্রের মদতে পরিকল্পিত এক হত্যাকান্ড। তৎকালিন ‘বাংলিশ’ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বাবর ছিলেন তখন হাওয়া ভবনের হাতের পুতুল। তারই নির্দেশনায় এ হত্যাকান্ড ঘঠেছিল বলে প্রতিয়মান হয় আজকের এ বিচারের রায় থেকে।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের বিচার এবং রায় কার্যকর এ সরকারের সফল এবং যুগান্তকারী অর্জন। জাতি দায়মুক্ত হয়েছিল, এ রায় দুটো কার্যকরের মধ্যি দিয়ে।

আজ ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলার রায় হলো। জানি এ রায়ের কার্যকারিতা এখনও আইনের ফাঁক-ফোকরের প্যাঁচে থাকতেই পারে। তবে আমরা আশাবাদী, এ রায় কার্যকর হবে। সত্যিকার অর্থে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্দীপ্ত বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য এ আরেক শুভ সংবাদ। রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস চালিয়ে আগামীতেও কেউ পার পাবে না এ রায় তা-ই দেখিয়ে দিয়ে গেল।


সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন