রাজধানী ঢাকার অদূরে সাভার উপজেলায় করোনাভাইরাস সংক্রমিত কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত নন এই মর্মে ‘করোনা নেগেটিভ’ সার্টিফিকেটের রমরমা বাণিজ্য চলছে।এ ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে সাভার মডেল থানা পুলিশ। তাদের একজনের নাম সাইদ। আটক দুজনের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ সার্টিফিকেট।
সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম সায়েদ জানান,সাভার গার্মেন্টস অধ্যুষিত এলাকা।তাই চাকরি নিরাপত্তা নিয়ে বিভিন্ন তৈরি পোশাক কারখানার কর্মকর্তা ও শ্রমিকদের আতঙ্ককে পুঁজি করে বেশ কিছুদিন ধরেই জালিয়াতির এই ব্যবসা করে আসছিল সংঘবদ্ধ একটি চক্র।
ওসি জানান, সম্প্রতি দেনিটেক্স নামের একটি তৈরি পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষের কাছে এ ধরনের বেশ কিছু সার্টিফিকেট আসে। যেটি দেখে তাদের সন্দেহ হয়। পরে বিষয়টি নিয়ে তদন্তে নামেন তারা। কিন্তু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রেজিস্ট্রারে সার্টিফিকেটধারী কারও নাম তারা খুঁজে পায়নি। পরে কৌশল অবলম্বন করে দেনিটেক্স কর্তৃপক্ষ সার্টিফিকেটগুলো যে ঠিকানা থেকে পাঠানো হয়েছে,সেখানকার এক ব্যক্তিকে ডেকে আনেন। পরে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে জানা যায়, ওই ব্যক্তি পশ্চিমবাংলা এলাকার একটি ফার্মেসির মালিক। তার নাম সাইদ।
ওসি আরও জানান, সাইদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরেকজনকে আটক করা হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে তার নাম প্রকাশ করা হচ্ছে না।
সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার সায়েমুল হুদা বলেন, ‘করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব পরিস্থিতির মধ্যেও সার্টিফিকেটের ব্যবসার মতো অনৈতিক কার্যকলাপে প্রতারকরা যুক্ত হবে এটা কল্পনাও করিনি। পুলিশ তাদের আটক করেছে। আইনানুগ ব্যবস্থায় তাদের শাস্তি নিশ্চিত করা হোক, এটাই চাই।’
সাভার মডেল থানা জানিয়েছে, আটককৃতদের নিয়ে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।সুষ্ঠ তদন্তের স্বার্থে পুলিশ আপাতত আসামিদের গণমাধ্যমের সামনে উপস্থাপন করেনি।
রাজধানী ঢাকার অদূরে সাভার উপজেলায় করোনাভাইরাস সংক্রমিত কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত নন এই মর্মে ‘করোনা নেগেটিভ’ সার্টিফিকেটের রমরমা বাণিজ্য চলছে।এ ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে সাভার মডেল থানা পুলিশ। তাদের একজনের নাম সাইদ। আটক দুজনের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ সার্টিফিকেট।
সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম সায়েদ জানান,সাভার গার্মেন্টস অধ্যুষিত এলাকা।তাই চাকরি নিরাপত্তা নিয়ে বিভিন্ন তৈরি পোশাক কারখানার কর্মকর্তা ও শ্রমিকদের আতঙ্ককে পুঁজি করে বেশ কিছুদিন ধরেই জালিয়াতির এই ব্যবসা করে আসছিল সংঘবদ্ধ একটি চক্র।
ওসি জানান, সম্প্রতি দেনিটেক্স নামের একটি তৈরি পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষের কাছে এ ধরনের বেশ কিছু সার্টিফিকেট আসে। যেটি দেখে তাদের সন্দেহ হয়। পরে বিষয়টি নিয়ে তদন্তে নামেন তারা। কিন্তু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রেজিস্ট্রারে সার্টিফিকেটধারী কারও নাম তারা খুঁজে পায়নি। পরে কৌশল অবলম্বন করে দেনিটেক্স কর্তৃপক্ষ সার্টিফিকেটগুলো যে ঠিকানা থেকে পাঠানো হয়েছে,সেখানকার এক ব্যক্তিকে ডেকে আনেন। পরে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে জানা যায়, ওই ব্যক্তি পশ্চিমবাংলা এলাকার একটি ফার্মেসির মালিক। তার নাম সাইদ।
ওসি আরও জানান, সাইদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরেকজনকে আটক করা হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে তার নাম প্রকাশ করা হচ্ছে না।
সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার সায়েমুল হুদা বলেন, ‘করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব পরিস্থিতির মধ্যেও সার্টিফিকেটের ব্যবসার মতো অনৈতিক কার্যকলাপে প্রতারকরা যুক্ত হবে এটা কল্পনাও করিনি। পুলিশ তাদের আটক করেছে। আইনানুগ ব্যবস্থায় তাদের শাস্তি নিশ্চিত করা হোক, এটাই চাই।’
সাভার মডেল থানা জানিয়েছে, আটককৃতদের নিয়ে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।সুষ্ঠ তদন্তের স্বার্থে পুলিশ আপাতত আসামিদের গণমাধ্যমের সামনে উপস্থাপন করেনি।
-
সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত ৪১% বেড়েছে: কীভাবে বাড়ল, এখন কারা জমাচ্ছে?
-
রাউজানে প্রকাশ্যে যুবদল নেতা হত্যা : প্রকাশ্যে অস্ত্রধারীরাও ধরা পড়ছে না
-
‘আজকে সংসদ নাই? সংসদে যান’- সিলেটে পৌঁছে এমপিদের বললেন প্রধানমন্ত্রী
-
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ভূমিকা: দুই বছর পর জাবির ১২ শিক্ষককে শাস্তি
-
দিল্লি বিমানবন্দরের অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খুললেন ডা. জাহেদ উর রহমান
আরও পড়ুন: