[youtube]aVG4hrEiGx0[/youtube]
ঝরা পাতার দিন।সুখ অথবা দূ:খ বিলাসীদের কাছে সময়টি বহন করে ভিন্নমাত্রা।
প্রকৃতির অদল- বদলের খবরাখবর প্রকৃতিবান্ধব মানুষ মাত্রই যেমন রাখেন, তেমনি ১২মাসের দিন ও পালাবদলের পরিবর্তন অনুভব অথবা আলিঙ্গনে সকলকে কম-বেশী ছুয়ে যায়! এবং বলা হয়ে থাকে এটাই প্রকৃতির আসল কৃতিত্ব।
ব্রিটেনের নান্দনিক পরিবেশের সাথে আবহাওয়ার সম্পর্ক আস্টে -পৃষ্টে জড়িয়ে আছে। ব্রিটিশ রীতি অনুযায়ী চার ঋতুগুলো হচ্ছে স্প্রিং,সামার,অটাম এবং উইন্টার।
মেট অফিস এর তথ্যানুযায়ী এবছর ২২ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছে অটাম বা হেমন্ত কাল এবং শেষ হবে ২১ ডিসেম্বর ।
ব্রিটেনের অটাম সময় দৃশ্যত উপলব্দিতে আসে অক্টোবর মাসের শেষ রবিবার থেকে।উইন্টার সময় পরিবর্তনের মাধ্যমে। এইদিন,এক লাফে- দিন থেকে কমে গেছে এক ঘন্টা। বেলা প্রায় তিনটায় মেনে এসেছে আঁধার। ঠান্ডা থেকে বাঁচতে ব্রিটেনবাসীর গায়ে উঠেছে ‘ওম কাপড়’।একই সাথে প্রকৃতিতে দেখা দিয়েছে বিরহের অপার সৌন্দর্য। শুরু হয়েছে মনো মুগ্ধকর- ঝরা পাতার দিন।
বলা হয়ে থাকে ,ব্রিটেন জুড়ে আলোকিত সৌন্দর্য ছড়িয়ে থাকার অন্যতম কারণ হলো- এখনও সামগ্রিকভাবে দেশটি প্রকৃতিবান্ধব। হাইস্ট্রিট থেকে শুরু করে ছোট ছোট স্ট্রিট ও আশে পাশে পরিকল্পিতভাবে লাগানো রয়েছে অসংখ্য বৃক্ষ ও ফুলের বাগান।
তাই ব্রিটেনে হেমন্ত আসলে সকলের পরণে দেখা যায়- শীতের কাপড়। পাশাপাশি,বাসা-বাড়ির রাস্তা, ছোট -বড় ষ্ট্রিট এবং হাইওয়েতে চোখে পড়ে হেমন্তের বিরহ দিন। সব মিলিয়ে, ব্রিটেনের প্রচন্ড ব্যস্ত সময়েও সৃজনশীল মানুষদের চোখ আটকে থাকে-‘ঝরা পাতার দিনগুলো’।
অক্টোবরের শুরুতে প্রকৃতিতে অটামের সৌন্দর্য ছড়িয়ে পড়ে। এসময় প্রথমে টাইমস ও ম্যাপল লিফসহ বিভিন্ন গাছের হলুদ পাতা ঝরতে শুরু করে।এবং হেমন্তে ধীরে ধীরে ব্ল্যাক ফরেস্টের নানা ধরণের ঝাউ গাছগুলো ছাড়া প্রায় সব গাছেরই পাতা অটাম সময়ে ঝরে যায়।
হেমন্তের এই সময়ে প্রকৃতি দূ:খ, বিরহ নিয়েই চলে বলে প্রকৃতিবাদী কবি- সাহিত্যিকরা বলে আসছেন। বাস্তবেও যেন তা পরিস্কার চোখে পড়ে। এসময় মাঝে মাঝে আকাশে আলতো রোদের আভা দেখা গেলেও, বেশীরভাগ সময় থাকে ঘোমট আকাশ। থাকে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি ।এবং দমকা বাতাসে দিক বিদিক উড়ে টাইমস ও ম্যাপল সহ বিভিন্ন জাতের গাছের হলুদ-লাল পাতা।
মাণ্টিকালচারাল ব্রিটেনের অন্যতম আলোকিত দিক হচ্ছে- দেশটির নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ধারণ ও তার ধারাবাহিক চর্চা। দেশটির প্রধানতম ধর্মীয় উৎসব ক্রিসমাস কে স্বাগত জানাতে নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে শুরু হয় সারা দেশে আনুষ্ঠানিক সাজ সজ্জা। উৎসব -আনন্দের রোমান্টিকতায়, সুখ অথবা দূ:খ বিলাসের নানা উপকরণে যুক্ত হয় হেমন্তের পাতাঝরার মুগ্ধকর মুহুতগুলোও। এ যেন মনভালো করা তুলনাহীন অনুভূতি।
মেট অফিস এর তথ্যানুযায়ী এবছর ২২ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছে অটাম বা হেমন্ত কাল এবং শেষ হবে ২১ ডিসেম্বর ।
ব্রিটেনের অটাম সময় দৃশ্যত উপলব্দিতে আসে অক্টোবর মাসের শেষ রবিবার থেকে।উইন্টার সময় পরিবর্তনের মাধ্যমে। এইদিন,এক লাফে- দিন থেকে কমে গেছে এক ঘন্টা। বেলা প্রায় তিনটায় মেনে এসেছে আঁধার। ঠান্ডা থেকে বাঁচতে ব্রিটেনবাসীর গায়ে উঠেছে ‘ওম কাপড়’।একই সাথে প্রকৃতিতে দেখা দিয়েছে বিরহের অপার সৌন্দর্য। শুরু হয়েছে মনো মুগ্ধকর- ঝরা পাতার দিন।
বলা হয়ে থাকে ,ব্রিটেন জুড়ে আলোকিত সৌন্দর্য ছড়িয়ে থাকার অন্যতম কারণ হলো- এখনও সামগ্রিকভাবে দেশটি প্রকৃতিবান্ধব। হাইস্ট্রিট থেকে শুরু করে ছোট ছোট স্ট্রিট ও আশে পাশে পরিকল্পিতভাবে লাগানো রয়েছে অসংখ্য বৃক্ষ ও ফুলের বাগান।
তাই ব্রিটেনে হেমন্ত আসলে সকলের পরণে দেখা যায়- শীতের কাপড়। পাশাপাশি,বাসা-বাড়ির রাস্তা, ছোট -বড় ষ্ট্রিট এবং হাইওয়েতে চোখে পড়ে হেমন্তের বিরহ দিন। সব মিলিয়ে, ব্রিটেনের প্রচন্ড ব্যস্ত সময়েও সৃজনশীল মানুষদের চোখ আটকে থাকে-‘ঝরা পাতার দিনগুলো’।
অক্টোবরের শুরুতে প্রকৃতিতে অটামের সৌন্দর্য ছড়িয়ে পড়ে। এসময় প্রথমে টাইমস ও ম্যাপল লিফসহ বিভিন্ন গাছের হলুদ পাতা ঝরতে শুরু করে।এবং হেমন্তে ধীরে ধীরে ব্ল্যাক ফরেস্টের নানা ধরণের ঝাউ গাছগুলো ছাড়া প্রায় সব গাছেরই পাতা অটাম সময়ে ঝরে যায়।
হেমন্তের এই সময়ে প্রকৃতি দূ:খ, বিরহ নিয়েই চলে বলে প্রকৃতিবাদী কবি- সাহিত্যিকরা বলে আসছেন। বাস্তবেও যেন তা পরিস্কার চোখে পড়ে। এসময় মাঝে মাঝে আকাশে আলতো রোদের আভা দেখা গেলেও, বেশীরভাগ সময় থাকে ঘোমট আকাশ। থাকে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি ।এবং দমকা বাতাসে দিক বিদিক উড়ে টাইমস ও ম্যাপল সহ বিভিন্ন জাতের গাছের হলুদ-লাল পাতা।
মাণ্টিকালচারাল ব্রিটেনের অন্যতম আলোকিত দিক হচ্ছে- দেশটির নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ধারণ ও তার ধারাবাহিক চর্চা। দেশটির প্রধানতম ধর্মীয় উৎসব ক্রিসমাস কে স্বাগত জানাতে নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে শুরু হয় সারা দেশে আনুষ্ঠানিক সাজ সজ্জা। উৎসব -আনন্দের রোমান্টিকতায়, সুখ অথবা দূ:খ বিলাসের নানা উপকরণে যুক্ত হয় হেমন্তের পাতাঝরার মুগ্ধকর মুহুতগুলোও। এ যেন মনভালো করা তুলনাহীন অনুভূতি।
-
সৌদির মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলা, প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি হুঁশিয়ারি
-
নিজেকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ঘোষণা করে গেছেন ইউনূস, এক বছর পাবেন এসএসএফ নিরাপত্তা
-
ইরানে হামলা চালিয়ে ট্রাম্প মার্কিনীদের সমর্থন হারাচ্ছেন?
-
বেশ কয়েকটি মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের খবর নিশ্চিত করল কুয়েত
-
ইরানের হামলায় এবার বাহরাইনে এক বাংলাদেশি নিহত