পারিবারিক সহিংসতা রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবিতে ১০ হাজার বিক্ষোভকারী ফান্সের রাস্তায় নেমে এসেছেন। দেশটির নারীরা ইউরোপের সবচেয়ে বেশী পারিবারিক সহিংসতার শিকার হয়। যাকে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়্যেল ম্যাক্রো “ফ্রান্সের লজ্জা” হিসেবে অভিহিত করেছেন।
এ বছরই দেশটিতে ১৩০ জন নারী বর্তমান বা সাবেক সঙ্গীর হাতে নিহত হয়েছে।
প্যারিস পদযাত্রায় সারা ফ্রান্সের ৭০টিরও বেশী সংস্থা অংশগ্রহন করেছে যাদের অধিকাংশই ছিল নারী সদস্য। ফ্রান্সে ১ লাখ এবং সারা দেশে দেড় লাখ মানুষ ফ্রান্সে ইতিহাসে সবচেয়ে বড় লিঙ্গ বৈষম্যবিরোধী র্যালীতে অংশ নিয়েছে বলে দাবী করা হয় আয়োজকদের পক্ষ থেকে।
২০১৪ সালে ইউরোপিয় ইউনিয়নের এ সমীক্ষায় দেখা গেছে ফ্রান্সের ২৬% নারীরা তাদের ১৫ বছর বয়সের মধ্যেই কোন না কোন পুরুষ সঙ্গী দ্বারা শারীরিক অথবা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছিল।
ফ্রান্সের নারীরা প্রতি বছর ২ লাখ ২০ হাজার পারিবারিক সহিংসতার শিকার হয়।
জাতিসংঘ বলছে ২০১৭ সালে ৮৭ হাজার নারী ও শিশু বিশ্বব্যাপী হত্যাকাণ্ডের শিকার হয় যাদের মধ্যে অর্ধেক ভিকটিমরা তাদের সঙ্গী অথবা পরিবারের সদস্যদের হাতে প্রাণ হারান।
-
ফ্রান্সে বিয়ানীবাজারের কালাইউরা প্রবাসীদের মিলনমেলা
-
প্যারিসে উগ্র সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে কবিতা পাঠ ও আলোচনা
-
'পরিবেশ রক্ষা'কে সংবিধানে অন্তর্ভূক্ত করতে ফ্রান্সে গণভোটের সিদ্ধান্ত
-
ইতালীতে ফ্রান্স দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ
-
জালালাবাদ এসোসিয়েশনের প্রচেষ্টায় চাটার্ড ফ্লাইটে ফ্রান্স ফিরলেন ১৫০ জন বাংলাদেশী