ভিসা স্থগিতের পেছনের কারণ
বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিতের সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করেছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস।
মূলত সরকারি কল্যাণ সুবিধার ওপর চাপ কমাতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
করদাতাদের স্বার্থ রক্ষার লক্ষ্য
সোমবার (২৩ মার্চ) এক বার্তায় ঢাকার মার্কিন দূতাবাস জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের স্বার্থ রক্ষা করাই এই সিদ্ধান্তের প্রধান উদ্দেশ্য।
দূতাবাসের ভাষ্য অনুযায়ী,
“আমাদের দায়িত্ব হলো নিশ্চিত করা যে অভিবাসীরা অবৈধভাবে সরকারি কল্যাণমূলক সুবিধা গ্রহণ না করেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা সৃষ্টি না করেন।”
কোন বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত
বার্তায় আরও বলা হয়, যেসব দেশের নাগরিকদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সুবিধা ব্যবহারের হার তুলনামূলক বেশি, সেই বিবেচনায় বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট দপ্তর।
সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার সময়
এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে গত ২১ জানুয়ারি থেকে।
এর ফলে অভিবাসন সংক্রান্ত যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া ও নীতিমালার পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনার সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছে যুক্তরাষ্ট্র।
কোন ভিসায় প্রভাব পড়বে না
তবে এই স্থগিতাদেশ কেবল অভিবাসী ভিসার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
অনভিবাসী ভিসা—যেমন পর্যটক বা শিক্ষার্থী ভিসা—এর আওতার বাইরে রয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন দূতাবাস।
সম্ভাব্য প্রভাব
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে যাওয়ার প্রক্রিয়ায় সাময়িক জটিলতা তৈরি হলেও শিক্ষার্থী ও ভ্রমণকারীদের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক কোনো প্রভাব পড়বে না।