ঢাকা ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬
ঢাকা ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ
ইরান যুদ্ধ কোন দিকে যাচ্ছে এখনও স্পষ্ট নয় মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ইরানের শাহেদ ড্রোন মার্কিনিদের মধ্যপ্রাচ্য এখনই ছাড়ার নির্দেশ সৌদির মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলা, প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি হুঁশিয়ারি নিজেকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ঘোষণা করে গেছেন ইউনূস, এক বছর পাবেন এসএসএফ নিরাপত্তা ইরানে হামলা চালিয়ে ট্রাম্প মার্কিনীদের সমর্থন হারাচ্ছেন? বেশ কয়েকটি মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের খবর নিশ্চিত করল কুয়েত ইরানের হামলায় এবার বাহরাইনে এক বাংলাদেশি নিহত খামেনির মৃত্যুতে ইরানে শোকের মাতম : উল্লাস করছে কারা? ইরানের হামলার পরিণতি: আমিরাতে এক বাংলাদেশি নিহত খামেনির অবস্থান কীভাবে চিহ্নিত হয়, হত্যা করল কীভাবে? চাপের মুখে মাথা নত না করা ইরানি নেতা খামেনি, যেভাবে সর্বোচ্চ নেতা হয়েছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি নিহত, ৪০ দিনের শোক, জবাব দেওয়ার অঙ্গীকার প্রেসিডেন্টের ইরানের পাল্টা হামলার মুখে বাহরাইন, কুয়েত, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী সব ফ্লাইট স্থগিত ইরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল খুলনায় যুবদল নেতাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা ডান্ডাবেড়ি পায়ে বাবাকে শেষবারের মতো দেখলেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা ধানমন্ডিতে মহিলা আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করল পাকিস্তান সেবা ও স্বয়ংসম্পূর্ণতায় ইস্ট লন্ডন মসজিদের পাঁচ বছরের উন্নয়ন পরিকল্পনা ঘোষণা লন্ডনে সিভিক অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত সাংবাদিক তাইসির মাহমুদ নরসিংদীতে ধর্ষণের বিচার চাওয়া কিশোরীকে অপহরণের পর হত্যা ৫ মামলায় হাইকোর্টে জামিন পেলেন সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী ৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ব্যান্ড ওয়ারফেজ–কে একুশে পদক দিলেন প্রধানমন্ত্রী ব্রিটিশ এমপি টিউলিপকে গ্রেপ্তারে ‘রেড নোটিস’ জারির পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ সাবেক ভূমিমন্ত্রী জাবেদের যুক্তরাজ্যের ৫১৮ ফ্ল্যাট ও অ্যাপার্টমেন্ট জব্দের আদেশ ফিতরা সর্বনিম্ন ১১০ টাকা, সর্বোচ্চ ২৮০৫ পোশাক ব্যবসায়ীকে গভর্নর বানালো সরকার, ইতিহাসে প্রথম কারা খুলছে আওয়ামী লীগের কার্যালয়, আসল পরিকল্পনা কী?

দিল্লির বিধানসভা নির্বাচন: ফলাফল নিয়ে শঙ্কা!

প্রকাশিত: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০৯:১৬ পিএম

দিল্লির বিধানসভা নির্বাচন: ফলাফল নিয়ে শঙ্কা!
দিল্লির সত্তর সদস্যবিশিষ্ট বিধানসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হল গত কাল অর্থাৎ শনিবার। দেশবাসীর চোখ ছিল দিল্লির নির্বাচনের দিকে। একদিকে উন্নয়ন আর অপর দিকে উগ্র 'হিন্দুত্ব'-এর সুড়সুড়ি! একদিকে, মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল; তো অপর দিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভার গণ্যমান্য মন্ত্রীগণ! ভোটারদের প্রতি কেজরিওয়ালের আবেদন ছিল বাস্তবানুগ। কাজের নিরিখে ভোট চেয়েছেন তিনি। কোথাও কোনও প্ররোচনার ফাঁদে পা দেননি তিনি বা তাঁর মনোনীত প্রার্থীগণ। অপর পক্ষে, শাহিনবাগকে কেন্দ্র করে প্রবল প্রতিপক্ষ বিজেপি হিন্দুত্বের হয়ে গলা ফাটাতে কসুর করেনি! এমনকী, শাহিনবাগে যে লোকটি নিরস্ত্র আন্দোলনকারীদের লক্ষ করে গুলি ছুঁড়েছিল, সেই দুষ্কৃতিটি কেজরিওয়ালের দল আম আদমি পার্টির বলে দাবি করেছিল! কিন্তু ধুপে টেকেনি সেই দাবি! বিজেপি যত-ই প্রচারে শাহিনবাগকে সামনে নিয়ে আসার চেষ্টা করেছিল, কেজরিওয়ালের দল ততই শাহিনবাগ থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করেছে। তা ছাড়া, শাহিনবাগের আন্দোলন যে কেবল একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের আন্দোলন নয়, আন্দোলনটি সর্বসাধারণের; তা ইতিপূর্বে প্রমাণিত হয়ে গেছে! তাই, শাহিনবাগের আন্দোলনকে আম আদমি পার্টির সঙ্গে সম্পৃক্ত করার কৌশল বলতে গেলে মাঠে মারা গেছে বিজেপির! আর শতাব্দীপ্রাচীন কংগ্রেস তো দিল্লির বিধানসভা নির্বাচনে কোনও ছাপই রাখতে পারেনি! প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে সরাসরি। আম আদমি পার্টি বনাম বিজেপি! উন্নয়ন বনাম উগ্র হিন্দুত্ব! শিক্ষিত বনাম অর্ধ-শিক্ষিতদের মধ্যে! ভোট-ফেরত সমীক্ষা থেকে একটি কথা স্পষ্ট হয়েছে, দিল্লির ভোটারগণ এবারও তাঁদের বিবেক ভোট প্রয়োগ করেছেন। কিন্তু সংশয় দেখা দিয়েছে অন্যত্র! ভোট গ্রহণের চব্বিশ ঘণ্টা অতিক্রান্ত হলেও কত শতাংশ ভোট প্রয়োগ হয়েছে, সেই হিসেবটি এখনও পেশ করতে পারেনি নির্বাচন কমিশন! আর এখানেই অনেকে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন, গুড়ে বালির! নির্বাচন কমিশনের ওপর অনেকেই আস্থা রাখতে পারছেন না! ভোট-ফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী আম আদমি পার্টি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার দাবিদার হলেও ফলাফল নিয়ে অনেকেই আশঙ্কিত! নির্বাচন কমিশনও এব্যাপারে ঝেড়ে কাশছে না! তবে, ফলাফল যা-ই হোক, দিল্লিতে ভোট প্রয়োগের হার যে আশাব্যঞ্জক নয়, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ভোট প্রদানে ভোটারদের এই অনীহা সুষ্ঠু গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত! ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন অর্থাৎ ইভিএম এ-ক্ষেত্রে ভোটারদের মনে যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে, সেই নেতিবাচক প্রভাব থেকে ভোটারদের অনতিবিলম্বে মুক্তি দেয়া দরকার। ইভিএম সম্পর্কে নানা মুনির নানা মত বাজারে প্রচলিত। তাই, সত্য-মিথ্যা যাচাই না-করেই বিভিন্ন ব্যক্তি ইভিএম সম্পর্কে বিভিন্ন নেতিবাচক ধারণা পোষণ করে থাকেন। আর সেই নেতিবাচক ধারণা থেকেই ভোটারদের মনে ভোট প্রদানে অনীহার সৃষ্টি হয়। ব্যালট পেপার সেই অহেতুক আশঙ্কাকে দূর করতে অনেকটা কার্যকরী ভূমিকা নিতে পারে। দিল্লির নির্বাচনি ফলাফল শাসক দলের নিকট যেমন বাঁচা-মরার লড়াই, তেমনই আম আদমি পার্টির জন্যও মর্যাদার লড়াই! ইভিএমে কোনও কারচুপি না-হলে ফলাফল যে উন্নয়নের পক্ষেই আসবে, তা ভোট-ফেরত সমীক্ষা থেকে স্পষ্ট হয়েছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের কাস্টিং ভোট নিয়ে নীরবতা অনেকের মনে সন্দেহের সৃষ্টি করেছে!