ঢাকা ২১ ফাল্গুন ১৪৩২, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬
ঢাকা ২১ ফাল্গুন ১৪৩২, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ
স্টেপনি শাহজালাল মসজিদ নির্মাণ কাজ ৮০ ভাগ সম্পন্ন: জরুরি প্রয়োজন £৭০০,০০০ খালেদা জিয়াসহ ১৫ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠান পাচ্ছেন স্বাধীনতা পুরস্কার ঈদুল ফিতরের ছুটি সাত দিন হাউস অব কমন্সে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ : রাজনৈতিক বন্দি ও সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে সরব এমপি ও লর্ডরা ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্রের দায়িত্বে মুসলিম নারী ‘ক্যাপ্টেন এল্লা’ ইরানে চারদিনে ৫ হাজারেরও বেশি বোমা ফেলেছে ইসরায়েল, কত মানুষের প্রাণ গেল? বারান্দায় বসেছিলেন প্রতিমন্ত্রী, ভূমি অফিস তখনো খোলেনি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ: কার বিরুদ্ধে লড়ছে কে? ইরান যুদ্ধ কোন দিকে যাচ্ছে এখনও স্পষ্ট নয় মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ইরানের শাহেদ ড্রোন মার্কিনিদের মধ্যপ্রাচ্য এখনই ছাড়ার নির্দেশ সৌদির মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলা, প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি হুঁশিয়ারি নিজেকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ঘোষণা করে গেছেন ইউনূস, এক বছর পাবেন এসএসএফ নিরাপত্তা ইরানে হামলা চালিয়ে ট্রাম্প মার্কিনীদের সমর্থন হারাচ্ছেন? বেশ কয়েকটি মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের খবর নিশ্চিত করল কুয়েত ইরানের হামলায় এবার বাহরাইনে এক বাংলাদেশি নিহত খামেনির মৃত্যুতে ইরানে শোকের মাতম : উল্লাস করছে কারা? ইরানের হামলার পরিণতি: আমিরাতে এক বাংলাদেশি নিহত খামেনির অবস্থান কীভাবে চিহ্নিত হয়, হত্যা করল কীভাবে? চাপের মুখে মাথা নত না করা ইরানি নেতা খামেনি, যেভাবে সর্বোচ্চ নেতা হয়েছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি নিহত, ৪০ দিনের শোক, জবাব দেওয়ার অঙ্গীকার প্রেসিডেন্টের ইরানের পাল্টা হামলার মুখে বাহরাইন, কুয়েত, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী সব ফ্লাইট স্থগিত ইরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল খুলনায় যুবদল নেতাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা ডান্ডাবেড়ি পায়ে বাবাকে শেষবারের মতো দেখলেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা ধানমন্ডিতে মহিলা আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করল পাকিস্তান সেবা ও স্বয়ংসম্পূর্ণতায় ইস্ট লন্ডন মসজিদের পাঁচ বছরের উন্নয়ন পরিকল্পনা ঘোষণা লন্ডনে সিভিক অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত সাংবাদিক তাইসির মাহমুদ

অন্তর্বর্তী সরকারের মাঝে শেখ হাসিনার ছায়া দেখা যাচ্ছে: আনু মুহাম্মদ

প্রকাশিত: ০২ আগস্ট ২০২৫, ০৯:১০ পিএম

অন্তর্বর্তী সরকারের মাঝে শেখ হাসিনার ছায়া দেখা যাচ্ছে: আনু মুহাম্মদ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মাঝে শেখ হাসিনার ছায়া দেখা যাচ্ছে। তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর জনগণের মধ্যে যে প্রত্যাশা ছিল, সরকার তা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। এখনও দেশে মব, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি চলছে। সরকার এভাবে উল্টো যাত্রা চালু রাখলে, জনগণের দ্রোহযাত্রা অব্যাহ থাকবে। শনিবার (২ আগস্ট) বিকালে রাজধানীতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ‘শিক্ষার্থী-শ্রমিক ও জনতার দ্রোহযাত্রা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘জনবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ জুলাই বিক্রির জন্য নহে’— এই প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে ব্যতিক্রমী এ আয়োজনে বিভিন্ন স্লোগান সম্বলিত ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে অংশগ্রহণ করেন বিপুল সংখ্যক নারী-পুরুষ। অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন যাত্রাবাড়ীর শহীদ সিরাজের বাবা আব্দুর রউফ। আনু মুহাম্মদ বলেন, দেশের মানুষের প্রতি বিভাজন ও বৈষম্য সৃষ্টির কারণে শেখ হাসিনার পতন অবশ্যম্ভাবী ছিল। তার বিরুদ্ধে দেশের নির্যাতিত ও নিপীড়িত মানুষ জীবনবাজি রেখে মাঠে নেমে এসেছিল। এমন বিজয় আমরা বহুবার পেয়েছি। কিন্তু বিশ্বাস ঘাতকতার কারণে বারবার বিজয় ধরে রাখা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, কোনও অসঙ্গতি নিয়ে কথা বললেই সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়— রাতারাতি সবকিছু পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। আমরা তা জানি। তবে আমরা একটি পরিবর্তনের সূচনা দেখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সরকার সবকিছু আগের মতোই চালাচ্ছে। পাহাড় ও সমতলে মানুষ সমানভাবে আক্রান্ত হয়েছে। তিনি বলেন, চব্বিশের আন্দোলন হয়েছিল কাজের বৈষম্য দূর করতে। অথচ এ সরকারের সময়ে একইভাবে প্রতিবাদী মানুষের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে। আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানো হচ্ছে। মব সন্ত্রাস চলছে। সরকারের কেউ কেউ মব সন্ত্রাসের পক্ষে সাফাই গাইছে। আনু মুহাম্মদ অভিযোগ করেন, চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে শেখ হাসিনার নেওয়া প্রকল্প বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। তিনি প্রশ্ন রাখেন, মার্কিন স্বার্থ কেন সরকার বাস্তবায়ন করতে চায়। এই সরকার সব সময় ভারতের আধিপত্যের বিরোধী কথা বললেও বিগত সরকারের সময়ে ভারতের সঙ্গে করা চুক্তুগুলো প্রকাশ করছে না। তাই তাদের ভারতবিরোধী বক্তব্য বাগারম্ভর ছাড়া কিছুই নয়। তিনি বলেন, চব্বাশের শহীদদের স্বীকৃতি দিতে হবে। তাদের পরিবারের দায়িত্ব নিতে হবে রাষ্ট্রকে। আহতদের পুনর্বাসন করতে হবে। মব সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও পাইকারি মামলা বন্ধ করতে হবে। বিদেশিদের সঙ্গে কোনও ধরনের চুক্তি গোপন করা যাবে না। নারী নিপীড়ন ও সাইবার বুলিং বন্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। নির্বাচন যেন অংশগ্রহণমূলক হয়, সে পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রতিটি সংগ্রামকে মূল্যায়ন করতে হবে। তবে সবার ওপরে স্থান দিতে হবে মুক্তিযুদ্ধকে। কারণ মুক্তিযুদ্ধ আওয়ামী লীগের সম্পত্তি মনে করা ঠিক নয়। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন— শ্রমিক নেতা ক্বাফী রতন, সীমা দত্ত ও ড. সামিনা লুৎফাসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা। শহীদ মিনারে সমাবেশ শেষে দ্রোহযাত্রাটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শাহবাগে গিয়ে শেষ হয়। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে শেখ হাসিনার পতনের দাবিতে এই দিনে দ্রোহযাত্রায় অংশগ্রহণ করেছিলেন বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষ।