ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল থেকে ক্রেন দিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম মুছে ফেলা হয়েছে। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) রাতে একই সঙ্গে হলের ভেতরে মূল ভবনে থাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দুটি ম্যুরালচিত্র রং দিয়ে মুছে দেওয়া হয়েছে।
মাঝ রাতে হলের দেওয়ালে থাকা শেখ মুজিবের মুর্যালও ক্রেন দিয়ে ভেঙে ফেলা হয়।
এর আগে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান বিন হাদির মৃত্যুর খবর আসার ঘণ্টা কয়েক পর বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে শেখ মুজিবুর রহমান হলের নামফলকের ওপর ‘শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হল’ নামের পোস্টার লাগিয়ে দেন ওই হল সংসদের ভিপি ও জিএস।
শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ডাকসুর সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মোসাদ্দেক ইবনে আলী মোহাম্মদ শেখ মুজিব হলের নাম মুছে দেওয়ার ঘোষণা দেন। এরপর দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের একটি ক্রেন এনে রাত পৌনে ১০টার দিকে নাম মোছার কাজ শুরু হয়। আর রাত সোয়া ১১টার পর রং দিয়ে গ্রাফিতি মুছতে শুরু করে একদল শিক্ষার্থী।
নাম মোছার জন্য হল সংসদ হল প্রশাসনের অনুমতি নিয়েছে কি না জানতে চাইলে প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক আক্তারুজ্জামানকে একাধিক ফোন দেওয়া হলেও তিনি ধরেননি।
এ বিষয়ে হল সংসদের ভিপি মুছলিমুর রহমান জানান, “শিক্ষার্থীদের দাবি ছিল এটা মুছে দেওয়ার। তাই তাদের রায়ে আমরা মুছে দিচ্ছি।”
চব্বিশের আন্দোলনে সরকার পতনের এক মাস পর ৩ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল’ এর নাম থেকে ‘জাতির জনক’ ও ‘বঙ্গবন্ধু’ বাদ দিয়ে দেয়। এখন হল সংসদের পর ডাকসু শেখ মুজিবুর রহমান হলের নামও বদলানোর দাবি তুলেছে।
একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের সহধর্মিনী বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের নামে থাকা ছাত্রী হলের নাম বদলে ‘ফেলানী হল’ রাখার দাবিও তাদের। এ দাবি আদায়ে রোববার দুপুর আড়াইটায় উপাচার্যের দপ্তর ঘেরাও করার কর্মসূচি দিয়েছে ডাকসু।
-
র্যাবের নাম বদলে দিচ্ছে সরকার, নতুন নাম জানালো
-
বিএনপির ‘শাঁখের করাত’ ৯২ বিদ্রোহী প্রার্থী
-
বিশ্ব ক্যান্সার দিবস উপলক্ষে উত্তরা লেডিস ক্লাবে ক্যান্সার সচেতনতা সেমিনার অনুষ্ঠিত
-
বিমানের এমডি স্ত্রীসহ গ্রেপ্তার, আদালতের নির্দেশে কারাগারে
-
জুলাই গণ–অভ্যুত্থান নিয়ে ৮৩৭টি হত্যা মামলা, ৪৫৩টিতেই শেখ হাসিনা আসামী