গুরুতর অসুস্থ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য আবারও লন্ডনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সেখানে তার বড় ছেলে এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান টানা ১৭ বছর ধরে নির্বাসনে রয়েছেন।
দেশে যখন ভোটের আবহ শুরু হয়েছে এবং তফসিল ঘোষণার মাত্র আর এক সপ্তাহ বাকি—এই সময়েই খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়া হচ্ছে।
আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনটি আসনে প্রার্থী হওয়ার কথা রয়েছে বিএনপি নেত্রীর। একই সঙ্গে প্রথমবারের মতো নির্বাচনে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন তারেক রহমানও। তার দেশে ফেরার আশায় নেতাকর্মীরাও দিন গুনছিলেন। কিন্তু সাম্প্রতিক পরিস্থিতি বদলে যাওয়ায় তারেকের দেশে ফেরা নতুন করে অনিশ্চয়তায় পড়েছে।
তিনি এখনো ভোটার নন। প্রবাসে থাকায় ভোটার নিবন্ধন এবং প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে এখন তাকে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ সহায়তার ওপর নির্ভর করতে হবে।
নির্বাচন কমিশনের একজন কর্মকর্তা জানান, “বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী প্রার্থী হতে হলে তারেক রহমানকে মনোনয়নপত্র জমার আগেই ভোটার হতে হবে।” ইচ্ছে করলে ইসি তাকে লন্ডনে অবস্থান করেই ভোটার হওয়ার সুযোগ দিতে পারে বলেও জানান তিনি।
বিধি মেনে বিদেশেই অনুমোদিত প্রতিনিধির মাধ্যমে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে তারেকের। তার প্রস্তাবক ও সমর্থকদের বাছাই প্রক্রিয়ার সময় রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত থাকতে হবে। সেক্ষেত্রে বিদেশে থেকেও ভোট করতে তার কোনো আইনি বাধা নেই। একই নিয়ম খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
মায়ের উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তার কারণেই ২০০৮ সালের পর থেকে লন্ডনে থাকা তারেকের দেশে ফেরাটা এই দফাতেও অনিশ্চিত হয়ে পড়ল।
গত জানুয়ারির মতো এবারও কাতারের আমিরের বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে লন্ডনে যাচ্ছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। তাকে দেশে থেকে নিতে লন্ডন থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন তারেক রহমানের স্ত্রী জুবাইদা রহমান।
-
হজ ক্যাম্পে প্রবাসীদের জন্য ১০০ শয্যার আবাসন হবে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী
-
২০ জেলায় নারী ডিসি, ১৯১ উপজেলায় ইউএনও নারী
-
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন কি পদত্যাগ করছেন : উত্তরসূরি নিয়ে জোর আলোচনা
-
নৈতিক স্খলন: গাজী নজরুলকে বহিষ্কার করল জামায়াত, এমপি পদও ঝুঁকিতে
-
গাড়িতে সিট বেল্ট নেই বা কানে ফোন? রাজধানীতে মামলা দেবে এআই ক্যামেরা!