ঢাকা ১০ চৈত্র ১৪৩২, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
ঢাকা ১০ চৈত্র ১৪৩২, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ
বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিতের কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ থামাতে মধ্যস্থতায় তিন দেশ, আলোচনা কতটা ফলপ্রসূ? সামনে কঠিন সময় আসছে, তেল ও নিত্যপণ্যের দাম বাড়বে: মির্জা ফখরুল ইউনিয়ন পরিষদ দিয়ে শুরু হচ্ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, উপজেলা-পৌরসভা নির্বাচন কবে? সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে তারেক রহমানের ফোন, কী কথা হলো ৪০০০ কিমি দূরের মার্কিন ঘাঁটি নিশানা: ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা নিয়ে নতুন হিসাব এক বছর পর ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ পেলেন বাংলাদেশের হাই কমিশনার আল-আকসায় ঈদের নামাজ হয়নি—ছয় দশকের মধ্যে এক নজিরবিহীন পরিস্থিতি ইরানের গ্যাসক্ষেত্রে ইসরায়েলি হামলার জবাবে চার দেশের ৭ জ্বালানি স্থাপনায় পাল্টা হামলা : ঝুঁকিতে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান দেড় বছর পর বাসায় ফিরতেই আওয়ামী লীগ নেতা হাসু গ্রেপ্তার গ্যাসক্ষেত্রে পাল্টাপাল্টি হামলা : বিশ্বজুড়ে লাফিয়ে বাড়ছে তেলের দাম, ব্যয় বৃদ্ধির শঙ্কা সৌদি আরবে চাঁদ দেখা যায়নি, ঈদ ২০ মার্চ : বাংলাদেশে কবে? ঈদের দিন সারা দেশে বৃষ্টির আশঙ্কা ইরান যুদ্ধের প্রতিবাদে পদত্যাগ করলেন মার্কিন শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা ইরান যুদ্ধ: আরব আমিরাতে নিহতদের মধ্যে বাংলাদেশ ছাড়াও আছেন নেপালি, পাকিস্তানি ব্রাজিল স্কোয়াড থেকে ছিটকে গেলেন নেইমার পুতিনের আমন্ত্রণে মস্কোয় চিকিৎসা নিচ্ছেন মোজতবা খামেনি বাগদাদের মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন ও রকেট হামলা সিটি ও জেলা পরিষদ কি বিএনপি নেতাদের পুনর্বাসন কেন্দ্র? মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে জড়াবে না যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও গ্রিস আরব আমিরাতে বাংলাদেশিসহ ৩৫ জন গ্রেপ্তার শব্দের চেয়ে ১৩ গুণ দ্রুত ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ইসরায়েলে ইরানের হামলা, দুবাই বিমানবন্দরে ফ্লাইট স্থগিত অস্কারে সেরা সিনেমা ডিক্যাপ্রিওর ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রকাশ্যে গুলি: কলেজছাত্রকে হত্যা ৪২ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রশাসক বসালো সরকার মার্কিনীদের মধ্যপ্রাচ্যের ১২ দেশ ছাড়ার আহ্বান, হরমুজ রক্ষায় ট্রাম্পের উদ্যোগে ফ্রান্সের না মব করে পুলিশে দেওয়া পঙ্গু আ.লীগ নেতা মারা গেলেন কারা হেফাজতে ইরানের জ্বালানিসমৃদ্ধ খার্ক দ্বীপে ভয়াবহ মার্কিন হামলা, চরম প্রতিশোধের শঙ্কা এবার স্থল যুদ্ধে আসছে ২,৫০০ মার্কিন সেনা, ‘উভচর’ যুদ্ধজাহাজ : মোজতবাকে ধরিয়ে দিতে কোটি ডলার পুরস্কার সিঙ্গাপুরে নেওয়া হচ্ছে মির্জা আব্বাসকে

দেশে ২ জনকে গ্রেপ্তারের পর লিবিয়ায় জিম্মি দুই বাংলাদেশি মুক্ত

প্রকাশিত: ১০ জুলাই ২০২৫, ১১:২৯ পিএম

দেশে ২ জনকে গ্রেপ্তারের পর লিবিয়ায় জিম্মি দুই বাংলাদেশি মুক্ত

লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলি থেকে অপহরণের পর ৪২ দিন জিম্মি থাকা দুই বাংলাদেশিকে উদ্ধার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তারা হলেন, আলমগীর হোসেন (৪৫) ও সিরাজ উদ্দিন (৩৫)।

বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পিবিআই ঢাকা মেট্রো উত্তরের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে গত ৮ জানুয়ারি লিবিয়ার জমাজৈতন এলাকার একটি ওয়ার্কশপ থেকে তাদের অপহরণ করে একটি চক্র। অপহরণকারীরা পরিবারকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভয়াবহ শারীরিক নির্যাতনের ভিডিও পাঠিয়ে জনপ্রতি ২২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।

পিবিআই'র অতিরিক্ত ডিআইজি মো. এনায়েত হোসেন মান্নান জানান, ভিকটিম সিরাজ উদ্দিনের পরিবার দেড় লাখ টাকা পাঠালেও তাদের মুক্তি দেওয়া হয়নি। পরবর্তী সময়ে দুই জিম্মির মুক্তির জন্য দুই লাখ করে আরও ৪ লাখ টাকা দেওয়া হয়। তাতেও অত্যাচার কমেনি তাদের ওপর। এরপর আলমগীর হোসেনের ভাই বাদী হয়ে ২৯ জানুয়ারি রাজধানীর আদাবর থানায় একটি মামলা করেন। মামলাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত শুরু করে পিবিআই ঢাকা মেট্রো (উত্তর)।

এনায়েত হোসেন জানান, তদন্তের প্রথমে রাজশাহী থেকে মো. রাসেল হক (২৫) ও পরে বাগেরহাট থেকে মো. মিন্টু ফরাজীকে (৩৯) গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে মুক্তিপণের লেনদেন সংক্রান্ত মোবাইল, ব্যাংক স্লিপ, অডিও-ভিডিও প্রমাণাদি উদ্ধার করা হয়। পরবর্তী সময়ে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি অপহরণকারীরা ভিকটিমদের লিবিয়ার জিলজিয়া হাসপাতাল এলাকায় ফেলে রেখে যায়। ভিকটিমরা পরে ইন্টারন্যাশনাল অরগানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন ও ব্র্যাক মাইগ্রেশনের সহায়তায় বাংলাদেশ দূতাবাসের হেফাজতে আসেন। এরপর গত ৯ জুলাই হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে পিবিআই আলমগীর হোসেনকে হেফাজতে নেয়। অপর ভিকটিম সিরাজ উদ্দিনের দেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী আলমগীর জানান, তিনি ২০২২ সালের অক্টোবরে লিবিয়াতে গিয়েছিলেন। প্রথমে চাকরি করলেও নিজেই ওয়ার্কশপের দোকান দেন। যেখান থেকে চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি সহকর্মী সিরাজকেসহ তাকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে টানা নির্যাতনের পর ১৯ ফেব্রুয়ারি তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

তিনি জানান, অপহরণের দিন সকাল বেলা দোকান খোলার সময় মিলিশিয়ার কয়েকজন লোকজন তাদের দুজনকে গাড়িতে উঠিয়ে চোখ বেঁধে নিয়ে যায়। এসময় তাদের পাসপোর্টও নিয়ে নেওয়া হয়। একটা বাগানে নিয়া যায়, এরপর চোখ খুলে দেয়। প্রথমে ইতালিতে লোক পাঠাস বলে অনেকক্ষণ টর্চার করে চলে যায়। পরেরদিন আবার এসে মারে। এরপরদিন বাংলা মাফিয়ার কাছে বিক্রি করে দেয় চক্রটি। এরপর তাদের একটি ক্যাম্পে নিয়ে টানা নির্যাতন শুরু করে।

আলামগীর বলেন, প্রতিদিন তিনবার করে মারধর করতো। ভোর রাতে উঠায়ে বাড়িতে কল দিতে বলতো টাকা দিতে। ফ্যামিলি টাকা ম্যানেজ করতে পারে না, আর আমাদের নির্যাতন করতো। যেখানে তাদের আটকে রেখে নির্যাতন করা হতো সেখানে সবাই বাংলাদেশি।

তাদের সঙ্গে আরও সাতজন বাংলাদেশিকে আটকে রেখে নির্যাতন করতে দেখেছেন বলেও জানান ভুক্তভোগী আলমগীর।